সালেহা কার্জন হলের স্থাপত্যশৈলী দেখে মুগ্ধ হয়। ফুলার রোডে অবস্থিত ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে বিপুল বইয়ের সমাহার দেখে অবাক হয়। তার শিক্ষক বললেন, এ স্থানেই ১৯০৬ সালে এমন একটি রাজনৈতিক সংগঠনের জন্ম হয়েছিল, যে সংগঠনটির নেতৃত্বে ধর্মের ভিত্তিতে ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান
রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড কার্জনের সময় বঙ্গভঙ্গ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

দ্বিজাতি তত্ত্ব' হলো ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালের ২২ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের কাউন্সিলে সভাপতির ভাষণে মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র আবাসভূমি গঠনের লক্ষ্যে 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' ঘোষণা করেন। তার মতে, হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ই ধর্মীয় দর্শন, সামাজিক রীতি, জীবন পরিচালনা, সাহিত্য, ইতিহাস প্রভৃতি ক্ষেত্রে দুটি স্বতন্ত্র অবস্থানে রয়েছে। সুতরাং জাতীয়তার মানদণ্ডে তারা পৃথক দুটি জাতি। তার এই মতবাদটি 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্জন হল এবং ফুলার রোডের সাথে লর্ড কার্জন ও স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারের নাম জড়িত।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হলে ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ ও আসাম নিয়ে গঠিত হয় পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ এবং পশ্চিম বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। আর বঙ্গভঙ্গের জন্য লর্ড কার্জনকে সার্বিকভাবে সাহায্য ও পরামর্শ প্রদান করেছিলেন অভিজ্ঞ প্রশাসক স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার। এ জন্য বঙ্গভঙ্গের পর স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার নবগঠিত 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন।
লর্ড কার্জন ১৯০২ সালে ভারত সচিবকে বঙ্গভঙ্গের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর ব্রিটিশ সরকারের অনুমতিক্রমে লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর করেন।
উদ্দীপকে সালেহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল ও ফুলার রোডে ব্রিটিশ কাউন্সিল লাইব্রেরি দেখতে পায়। এই কার্জন হল ও ফুলার রোডের নামকরণ হয়েছে লর্ড কার্জন ও স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারের নামানুসারে। আর লর্ড কার্জন ও স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার উপরোল্লিখিতভাবে বঙ্গভঙ্গের ক্ষেত্রে অবদান রাখেন। তাই বলা যায়, বঙ্গভঙ্গের সাথে লর্ড কার্জন ও স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত শাহবাগে জন্মগ্রহণকারী রাজনৈতিক সংগঠনটি হলো মুসলিম লীগ। পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের ক্ষেত্রে এ সংগঠনটির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক অগ্রগতিতে এবং পরবর্তীকালে পাকিস্তান ও ভারত নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র সৃষ্টির ক্ষেত্রে ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মুসলিম লীগ এক অনন্য ভূমিকা পালন করে। মুসলিম লীগের অধীনেই পাকিস্তানের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ 'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' (Two Nation Theory) তুলে ধরেন। এর ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। এছাড়া ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে প্রথমবারের মতো মুসলিম লীগ ভারতবর্ষের সংকট সমাধানের জন্য সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট প্রস্তাব পেশ করে। এই লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্ব। এ দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে মুসলমানরা তাদের পৃথক আবাসভূমির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অতএব বলা যায়, পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের ক্ষেত্রে শাহবাগে জন্মগ্রহণকারী মুসলিম লীগের ভূমিকা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
22

Related Question

View All
উত্তরঃ

বঙ্গভঙ্গ বলতে ১৯০৫ সালে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ২ ভাগে বিভক্ত করাকে বোঝায়।
প্রায় ২ লক্ষ বর্গমাইল আয়তনের বাংলা প্রেসিডেন্সিকে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে পূর্ব বঙ্গ ও আসাম এবং বাংলা প্রদেশ নামে ২টি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়। ব্রিটিশ ভারতের তদানীন্তন ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। যা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
155
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রণীত আইনের সাথে আমার পঠিত ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের সাদৃশ্য রয়েছে।

ভারতবর্ষের জনগণ ব্রিটিশ শাসনের এক পর্যায়ে তাদের শোষণ থেকে মুক্তি পেতে গণআন্দোলন শুরু করে। তাছাড়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের পরস্পর বিরোধী দাবির প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকার মহাসমস্যায় পড়ে। ভারতের এই রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক অচলাবস্থা দূর করার লক্ষ্যে তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের ৩ জুন একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এটি কার্যকর করার লক্ষ্যে ৪ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি একটি বিল উত্থাপন করেন। এ বিলে ব্রিটিশ ভারতে 'ভারত' ও 'পাকিস্তান' নামে দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই বিলটি রাজকীয় সম্মতির মাধ্যমে আইনে পরিণত হয়। এটিই ১৯৪৭ সালের 'ভারত স্বাধীনতা আইন' নামে খ্যাত।

উদ্দীপকের 'M' রাষ্ট্রের জনগণ ঔপনিবেশিক শোষণ থেকে মুক্তি পেতে দীর্ঘদিন যাবৎ স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন করে চলেছে। তাদের গণআন্দোলনে বাধ্য হয়ে শাসকগোষ্ঠী একটি নতুন আইন প্রণয়ন করে দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়। শাসকগোষ্ঠীর প্রণীত নতুন আইন অনুযায়ী জন্ম হয় দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের। এ আইনের সাথে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
98
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইন অর্থাৎ ১৯৪৭সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব অপরিসীম।

১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হয়। এর মাধ্যমে ভারতবর্ষে দুইশ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে এবং পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। এ আইনের মাধ্যমে গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতার বিলুপ্তি ঘটে। ফলে পাকিস্তান ও ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার পথে বাধা দূরীভূত হয়।

দীর্ঘ আন্দোলন, হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা, ব্যাপক রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার পর ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন প্রণয়ন কর হয়। এজন্য এ আইন ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দলিল। উক্ত আইন প্রণয়নের ফলে এ উপমহাদেশে রক্তপাতহীন ও স্বাধীনতা যুদ্ধ ছাড়াই স্বাধীন দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এটি ভারতীয় উপমহাদেশের জনগণের কৃষ্টি, সভ্যতা, সাহিত্য ইত্যাদিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করে। ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। নতুন প্রেরণা ও আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে দুটি স্বাধীন দেশের জনগণ নতুনভাবে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।

উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির ইতিহাসে ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
90
উত্তরঃ

দ্বিজাতি তত্ত্ব' হলো ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালের ২২ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের কাউন্সিলে সভাপতির ভাষণে মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র আবাসভূমি গঠনের লক্ষ্যে 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' ঘোষণা করেন। তার মতে, হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ই ধর্মীয় দর্শন, সামাজিক রীতি, জীবন পরিচালনা, সাহিত্য, ইতিহাস প্রভৃতি ক্ষেত্রে দুটি স্বতন্ত্র অবস্থানে রয়েছে। সুতরাং জাতীয়তার মানদণ্ডে তারা পৃথক দুটি জাতি। তার এই মতবাদটি 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
106
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews