সাহাদ যুক্তিবিদ্যা বিষয়ে লেখাপড়া করছে। সে একটি বিষয়ের সংজ্ঞা পড়ে সংজ্ঞাটি ভালোভাবে আয়ত্তে আনার চেষ্টা করছে। সংজ্ঞাটি পড়ে সে অনেকগুলো নতুন শব্দ ও তার অর্থ জানতে পারে। সংজ্ঞাটিতে এমন কতগুলো শব্দ আছে যেগুলোর একাধিক অর্থ আছে। সংজ্ঞাটিতে সেই শব্দগুলো এখানে কী অর্থে ব্যবহৃত হবে তারও সংজ্ঞা বলে দেওয়া আছে।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণ উল্লেখ করা বা বাদ দেওয়াকে অবান্তর সংজ্ঞা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

সংজ্ঞার ক্ষেত্রে পালনীয় একটি অন্যতম নিয়ম হচ্ছে সংজ্ঞায় কেবল জাত্যর্থ উল্লেখ করতে হবে। জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণের উল্লেখ করা যাবে না। “পাখি এমন একটি প্রাণী, যারা উড়তে পারে"- প্রদত্ত সংজ্ঞায় উড়তে পারার ক্ষমতা দ্বারা পাখিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যা একটি অবান্তর বিষয়। কেননা এমন অনেক পাখি আছে, যারা উড়তে পারে না অথচ পাখি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তাই পাখি এমন প্রাণী, যারা উড়তে পারে- সংজ্ঞাটিকে অবান্তর বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সাহাদের পাঠ করা বিষয়টিতে শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করা ও শব্দের মধ্যকার দ্ব্যর্থকতা অপসারণ করা উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হয়েছে। নিচে তা নিরূপণ করা হলো-

কপির মতে, ভাষা একটি জটিল প্রক্রিয়া, যা মানুষ আয়ত্ত করে যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুশীলনের মাধ্যমে। অর্থাৎ পর্যবেক্ষণ ও অনুকরণের মাধ্যমে। তবে কেবল পর্যবেক্ষণ ও অনুকরণ ভাষা শিক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন শব্দের অর্থ অনুধাবন করা। আর শব্দের অর্থ অনুধাবনের জন্যই শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হয়। সে ক্ষেত্রে একমাত্র যৌক্তিক সংজ্ঞায়নের মাধ্যমেই শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। কোনো শব্দ দ্ব্যর্থক অর্থে ব্যবহৃত হলে আমরা যে উদ্দেশ্যে শব্দটিকে ব্যবহার করি, সেই উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। আর এরূপ ক্ষেত্রেই শব্দের সংজ্ঞায়ন প্রয়োজন। বস্তুত যৌক্তিক সংজ্ঞায়নের মাধ্যমে আমরা শব্দের দ্ব্যর্থকতা দূর করে শব্দের অর্থ সুস্পষ্ট করতে পারি। সাধারণত যেকোনো দ্ব্যর্থক শব্দকে সংজ্ঞায়িত করার মাধ্যমেই মূলত এর মধ্যকার দুই অর্থের পার্থক্যকে সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব হয়। আর এভাবেই সংজ্ঞা শব্দ বা পদের মধ্যকার দ্ব্যর্থকতা দূরীকরণে আমাদের সাহায্য করে থাকে। উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, উদ্দীপকে সাহাদের পাঠ করা সংজ্ঞাটিতে সংজ্ঞার শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করা ও শব্দের মধ্যকার দ্ব্যর্থকতা অপসারণ করার উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত সাহাদের পাঠ করা সংজ্ঞাটিতে শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করা ও শব্দের মধ্যকার দ্ব্যর্থকতা অপসারণ করা উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হয়েছে। এছাড়া একটি যথার্থ সংজ্ঞার অস্পষ্টতা দূরীকরণ, শব্দের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায়ন ও অপরের মনোভাবকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্য থাকতে পারে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

সংজ্ঞার কাজই হলো শব্দের মধ্যকার অস্পষ্টতা দূর করে শব্দ বা পদের অর্থ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টকরণে আমাদের সাহায্য করা। একটি শব্দ দ্বারা কী বোঝানো হচ্ছে তা যদি সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য না হয় তাহলে সেই শব্দ অস্পষ্ট বলে বিবেচিত হয়ে থাকে। যেমন: বিজ্ঞানীরা নির্দিষ্ট কিছু ভাইরাস (Virus) সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না যে, সেগুলো 'জীবিত' বা 'জীবিত নয়'। কারণ তারা জানেন না যে, এসব ভাইরাসের চলাচল ক্ষমতা, পুনরুৎপাদন ক্ষমতা আছে কি-না। কপির মতে, এ ক্ষেত্রে 'জীবিত' কথাটি একটি অস্পষ্ট পদ। আর সংজ্ঞার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে এ জাতীয় শব্দের অস্পষ্টতা দূর করে সেগুলোকে সব মানুষের বোধগম্য করে তোলা।

যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হলো শব্দ বা পদের তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে শব্দ বা পদকে তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ব্যবহারযোগ্য করে তোেলা। যার ফলে আমরা বৈচিত্র্যপূর্ণ জাগতিক বস্তুসমূহের সাথে পরিচিত হতে পারি। প্রকৃতপক্ষে সংজ্ঞায়ন তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক আলোচনার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হলো শব্দ বা পদের অর্থ স্পষ্ট করার সাথে সাথে অপরের মনোভাবের উপর প্রভাব বিস্তার করা। সাধারণত কোনো বিষয় সম্পর্কে কোনো একটি ভুল ধারণা প্রচলিত থাকলে তা দূরীকরণে সংজ্ঞাই একমাত্র মাধ্যম। সংজ্ঞা মূলত একটি যথাযথ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া বলে তা অতিসহজেই সাধারণ মানুষের যেকোনো বদ্ধমূল মনোভাব পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়। উদাহরণস্বরূপ, এক ব্যক্তি তার বন্ধুর হিতাকাঙ্ক্ষী না হওয়া সত্ত্বেও তাকে সমর্থন করে সৎ বলে প্রশংসা করতে পারেন। বস্তুত সৎ হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি সর্বাবস্থায় সত্য কথা বলে থাকেন। উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, একটি যথার্থ সংজ্ঞার অনেক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
192

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেকোনো পদের অর্থকে সুনির্দিষ্ট ও যথার্থভাবে উপস্থাপন করার মাধ্যমে বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ধারণাকে নির্ভুল ও সুস্পষ্ট করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে সংজ্ঞা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
2.8k
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হলো পদের তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে, শব্দ বা পদকে তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা। কোনো শব্দ বা পদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে ঐ শব্দ বা পদ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও অর্থপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়, যাকে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায়ন বলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন পদার্থবিজ্ঞানীরা গতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, গতি হচ্ছে ভর এবং ত্বরণের ফল, তখন সংজ্ঞাটি হয়তো শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করে না বা কোনো শব্দের দ্ব্যর্থকতা অপসারণ করে না। তবে এ সংজ্ঞার মাধ্যমে গতি শব্দটি নিউটনের বলবিদ্যার প্রকাশিত রূপ হিসেবে অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
774
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সংজ্ঞার নিয়ম কানুন বলতে সংজ্ঞার যে নিয়মাবলিকে বোঝানো হয়েছে তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো- 

প্রথম নিয়ম : কোন পদের সংজ্ঞা দিতে হলে সেই পদটির সম্পূর্ণ জাত্যর্থকে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে, জাত্যর্থের অতিরিক্ত কিংবা জাত্যর্থের অংশমাত্র উল্লেখ করা চলবেনা। অর্থাৎ, এ নিয়ম অনুসারে কোনো পদের সংজ্ঞা দেওয়ার সময় শুধু নিকট জাতি ও বিভেদক লক্ষণের উল্লেখ করতে হবে, এর বেশিও নয় কমও নয়।

দ্বিতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে সে পদের ব্যক্তর্থ সংজ্ঞা বর্ণিত পদের ব্যক্তর্থের সমান হতে হবে, কম বা বেশি হলে চলবেনা। যেমন: মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী; এখানে মানুষ। এর ব্যক্তর্থ এবং বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণীর ব্যক্তর্থ এক ও অভিন্ন।

তৃতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞায় সেই একই পদ বা সেই পদের সমার্থক কোনো শব্দের উল্লেখ করা যাবে না। যেমন: 'বিচারক' হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিচার করেন, এক্ষেত্রে বিচারক। এর সমার্থক শব্দ 'যিনি বিচার করেন।'

চতুর্থ নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞাটি সেই অপেক্ষা স্পষ্ট ও সহজবোধ্য হতে হবে এবং সংজ্ঞাটি কিছুতেই কোনো রূপকের মাধ্যমে বা দুর্বোধ্য ভাষায় ব্যক্ত করা যাবে না। অর্থাৎ পদের অর্থকে সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল করে তুলতে হবে যেক্ষেত্রে রূপক বা অলংকারিক শব্দ কিংবা দুর্বোধ্য ভাষার ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পঞ্চম নিয়ম: সর্বক্ষেত্রে পদের সংজ্ঞা সদখৃক বা ইতিবাচক হতে হবে কোনাক্রমেই নঞর্থক বা নেতিবাচক হতে পারবেনা। কারণ নৈতিকবাচক সংজ্ঞায় পদটি কী নর- তাই শুধু বলা হয়।

উপর্যুক্ত নিয়ম কানুনগুলো মেনে সংজ্ঞা দিলে তা হবে সুস্পষ্ট, সহজ এবং যথার্থ। তাই সংজ্ঞা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো আমাদের অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
480
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে কতিপয় নিয়ম পালন করতে হয়, যেগুলোর যথার্থ ও সঠিক প্রয়োগে সংজ্ঞা শুদ্ধ হয়। আবার এই নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ বা লঙ্ঘনে সংজ্ঞা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে বিভিন্ন অনুপপত্তি সংঘটিত করে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো পদের সংজ্ঞায় জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণের উল্লেখ করা হলে এবং এই অতিরিক্ত গুণটি যদি সংশ্লিষ্ট পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হয়, তাহলে প্রদত্ত সংজ্ঞাটিতে আপতিক বা অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটবে; যেমন: 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন দ্বিপদ জীব।' এখানে 'দ্বিপদ' গুণটি হচ্ছে মানুষ পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ, যা মানুষের সংজ্ঞায় অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হওয়ায় সংজ্ঞাটিতে অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটেছে। বস্তুত 'অবিচ্ছেদ্য' হচ্ছে এমন বিষয়, যা একটি শ্রেণির সকলের মধ্যেই সমানভাবে বিদ্যমান থাকে। আর 'অবান্তর লক্ষণ' হচ্ছে এমন গুণ, যা সেই শ্রেণির জন্য অপরিহার্য নয়। এরূপ গুণ সংজ্ঞায় ব্যবহৃত হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হতে বাধ্য; যেমন: উপরের দৃষ্টান্ত অনুসারে মানুষের জন্য তার দুই পা থাকা অপরিহার্য নয়। কারণ দুই পা না থাকলে মানুষকে মানুষ বলা যাবে না, এমন নয়। অর্থাৎ পা ছাড়াও মানুষ মানুষ হিসেবে পরিচিত হতে পারে। কাজেই সংজ্ঞায় দ্বিপদ গুণের সংযুক্তি একটি অবান্তর বিষয়মাত্র। অতএব বলা যায়, সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুনগুলো যেমন প্রয়োজন, তেমনি এ নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ এড়িয়ে সংজ্ঞাকে অনুপপত্তির আশঙ্কামুক্ত করাও অপরিহার্য। তা না হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হয়, যা থেকে উদ্ভদ্ধ ঘটে অনুপপত্তির।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
431
উত্তরঃ

সংজ্ঞার উপাদান দুটি- সংজ্ঞেয় ও সংজ্ঞার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
549
উত্তরঃ

কোনো পদের সংজ্ঞায় স্বাধীনভাবে একটি নতুন শব্দ ব্যবহার করে ইচ্ছানুযায়ী ঐ শব্দের অর্থ প্রদান করাকে আরোপক সংজ্ঞা বলে। এরূপ সংজ্ঞায় যেকোনো ব্যক্তি তার পছন্দ অনুযায়ী নতুন শব্দ আরোপ করে স্বাধীনভাবে ঐ শব্দের অর্থ নির্ধারণ করতে পারেন। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির উদ্দেশ্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শব্দের অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে। বস্তুত আরোপক সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সত্যতা বা মিথ্যাত্ব আরোপ করা যায় না। এ জন্য এ ধরনের সংজ্ঞাকে তথ্যমূলক নয়, বরং নির্দেশনী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
406
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews