স্বল্প খরচের যোগাযোগ পথের নাম নৌপথ।
নদীপথ বাংলাদেশের সুলভ পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থা।
বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চলে অসংখ্য নদ-নদী জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে। ফলে এই অঞ্চলে রাস্তা-ঘাট বা রেলপথ তৈরি করতে হলে প্রচুর ছোট-বড় সেতু, কালভার্ট প্রভৃতি তৈরি করা প্রয়োজন, যা যথেষ্ট ব্যয়বহুল। এ কারণে আমাদের দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে (ঝালকাঠি, বরিশাল, পিরোজপুর) উন্নত সড়ক ও রেল যোগাযোগ গড়ে উঠেনি। এ কারণে স্বল্প ব্যায়ের নৌপথভিত্তিক যোগযোগ ব্যবস্থা উন্নতি লাভ করেছে।
জাউদ্দীপকে উল্লিখিত সায়হান রাজশাহী থেকে তার ফুফুর বাড়ি সিলেটে কম খরচে এবং আরামদায়ক ভ্রমণ হিসাবে রেলপথে বেড়াতে যায়। রাজশাহী থেকে সিলেট যাওয়ার পথটি নিচে মানচিত্রে উপস্থাপন করা হলো

সায়হানের 'সিলেট থেকে চট্টগ্রাম' এবং 'চট্টগ্রাম থেকে আলুটিলা' পর্যন্ত যাতায়াত ব্যবস্থা হলো যথাক্রমে রেল ও সড়কপথ। সড়ক ও রেলপথের তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিচে তুলে ধরা হলো:
i. উৎপাদিত শিল্প ও কৃষিপণ্য বন্টন, দ্রুত যোগাযোগ ও বাজার ব্যবস্থার উন্নতির জন্য সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে ভারী দ্রব্য পরিবহন, শিল্প ও কৃষিজ দ্রব্য, শ্রমিক পরিবহন প্রভৃতি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রেলপথ।
ii. সমতলভূমি সড়ক ও রেল উভয়পথ গড়ে ওঠার পেছনে সক্রিয় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
iii. বাংলাদেশের, সড়কপথগুলো বসতি বিন্যাসের উপর নির্ভর করে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠেছে। অধিকাংশ সড়ক স্থানীয় যোগাযোগ রক্ষার জন্য রেল ও নদী পথের পরিপূরক (নদী বন্দর ও রেল স্টেশনের সাথে সংযুক্ত) হিসেবে নির্মিত হয়েছে।
সুতরাং, বাংলাদেশের উন্নয়নে এবং বাণিজ্যিক ও আর্থিক সফলতা অর্জনে উভয় যোগাযোগ ব্যবস্থাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!