সিমার অঞ্চলটি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। বাংলাদেশের এ অঞ্চলে বস্ত্র শিল্প প্রসার লাভ করেছে।
বস্ত্র শিল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান শিল্প। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুরে অনেকগুলো বস্ত্র শিল্প গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া বস্ত্র শিল্পের অনুকূল। তারপরও বাংলাদেশ বস্ত্রশিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বাংলাদেশের বস্তুকলগুলো বিদেশ থেকে আমদানিকৃত তুলা ও সুতা দিয়ে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ
প্রতিবছর জাপান, সিঙ্গাপুর, হংকং, কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ তুলা, সুতিবস্ত্র ও সুতা আমদানি করে থাকে।
একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নর নির্ভর করে সম্পদ ও শিল্পের উপর। প্রাকৃতিক সম্পদকে সরাসরি অথবা অন্যান্য সম্পদকে কাজে লাগিয়ে প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করে ব্যবহার করা হয়। কৃষিজ ও বনজ সম্পদ, জি, প্রাকৃতিক গ্যাস, করলা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে এ দেশে নিজের গুরুত্ব অপরিসীম। পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান রাখছে ।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!