সিরাজুল ইসলাম একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও সমাজ সংস্কারক। তিনি মানুষকে কুসংস্কারমুক্ত করতে একটি আন্দোলনের ডাক দেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল সকলেই যেন ধর্মের প্রকৃত বক্তব্য জেনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

তিতুমীরের আসল নাম ছিল মীর নিসার আলী, যিনি ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে প্রথম অস্ত্রধারণ করে শহিদ হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হালী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সিরাজুল ইসলামের সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকে বর্ণিত হাজী শরীয়তউল্লাহর মিল পাওয়া যায়।
হাজী শরীয়তউল্লাহ ছিলেন ধর্মীয় ও সমাজ সংস্কারক এবং ভারতবর্ষে সংঘটিত ফরায়েজি আন্দোলনের নেতা। তিনি ধর্মীয় সংস্কারের পাশাপাশি কৃষক, তাঁতি এবং অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষকে জমিদার ও নীলকরদের শোষণ থেকে মুক্ত করার জন্য সংস্কার আন্দোলন পরিচালনা করেছিলেন। উদ্দীপকের সিরাজুল ইসলামের আন্দোলনে আমরা অনুরূপ বিষয়টিই দেখতে পাই।
হাজী শরীয়তউল্লাহ দীর্ঘ ২০ বছর মক্কায় অবস্থান করে ইসলাম শাস্ত্রের গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। দেশে ফিরে তিনি আরবের ওয়াহাবি আন্দোলনের আদলে ফরায়েজি আন্দোলনের ডাক দেন। তিনি মুসলমান সমাজ থেকে জাত-পাত প্রথা উচ্ছেদ, অভিজাত-অনভিজাত শ্রেণির বিলোপ ঘটিয়ে পীরপূজা, কবরপূজা প্রভৃতি কুসংস্কার দূর করার জোর চেষ্টা চালান। তাছাড়া তিনি বুঝতে পেরেছিলেন ধর্মের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে অধিকার সচেতন করে তোলা দরকার। এ উদ্দেশ্যে তিনি বিদেশি শাসন-শোষণ এবং নীলকর জমিদার, জোতদার, মহাজনদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। যার ফলে তাকে শাসক শ্রেণির রোষানলে পড়তে হয়। উদ্দীপকের সিরাজুল ইসলাম একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও সমাজসংস্কারক। তিনি মানুষকে ধর্মের প্রকৃত বক্তব্য জেনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার এবং কুসংস্কারমুক্ত করতে যে আন্দোলনের ডাক দেন তা ইতিহাসের হাজী শরীয়তউল্লাহর ফরায়েজি আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের সিরাজুল ইসলামের সাথে আমার পঠিত হাজী শরীয়তউল্লাহর মিল রয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত আন্দোলনটি অর্থাৎ ফরায়েজি আন্দোলন কেবল ধর্মীয় আন্দোলন ছিল না- বক্তব্যটি যথার্থ।

ফরায়েজি আন্দোলন ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে সূচিত হলেও পরবর্তীতে এটি কৃষকদের আন্দোলনে রূপ লাভ করে। ধর্মীয় সংস্কারের পাশাপাশি কৃষকদের জমিদার, নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণ হতে মুক্ত করাই ছিল এ আন্দোলনের লক্ষ্য। বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে থেকেই মুসলমানদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় ঘটে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, চাকরি, জমিদারি প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্যের শিকার মুসলমানদের আত্মসচেতনতা সৃষ্টি করতে এ আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হাজী শরীয়তউল্লাহ মুসলমানদের অধঃপতনের পেছনে কুসংস্কার যেভাবে ভূমিকা রাখে তা বুঝিয়ে কুসংস্কার পরিহার করতে উৎসাহী করেন। তিনি নীলকর বণিকদের অত্যাচারে সর্বস্বান্ত কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করেন। মুসলমানদের সার্বিক অবনতির কারণ যে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির দুঃশাসন তা তিনি জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তিনি মুসলমানদের মধ্যে প্রচার করতে থাকেন, 'লাঙল যার জমি তার এবং এই জমিন আল্লাহর, সুতরাং খাজনা দেব আল্লাহকে।' ব্রিটিশ 'অথবা তাদের সহযোগী হিন্দু জমিদারদের কোনো খাজনা দেওয়া যাবে না। এছাড়াও তিনি সরকারি খাসমহলগুলো দখলে এনে গরিব কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করতেন। এভাবেই তিনি বাংলার নির্যাতিত কৃষকদের ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করেন। জনগণ তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সব অত্যাচার-শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
44

Related Question

View All
উত্তরঃ

বেজাল প্যাক্ট হলো বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক বিভেদ সমাধানের লক্ষ্যে সম্পাদিত চুক্তি।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ অনুভব করেছিলেন যে, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দাবি অগ্রাহ্য করে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ দিক বিবেচনা করে চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলমানদের সমর্থন ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বাংলার মুসলিম নেতারাও তাঁর সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এ.কে. ফজলুল হক, মৌলবি আবদুল করিম এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। তাদের উদ্যোগে ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
148
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শামসুল হুদার সাথে আমার পঠিত মহান নেতা শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহিদ তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি দেশের মানুষকে ইংরেজ, জমিদার এবং নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের হাত থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। তিনি কৃষকদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলেন এবং তাদেরকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কৃষকদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলকাতার নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে একটি বাঁশের কেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করেন।
উদ্দীপকের শামসুল হুদার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, তিনি একজন সৎ ও সাহসী ব্যক্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার। অত্যাচারী জমিদার ও সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে জনগণকে রক্ষায় তিনি একটি বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ লক্ষ্য ও কার্যক্রমের সাথে আমার পঠিত শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
125
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ তিতুমীরের আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতি লাভ করেছিল।
তিতুমীরের কৃষক আন্দোলন ও বারাসাত বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, রক্তদান ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। তাঁর পরিচালিত এ বিদ্রোহ ছিল জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি নারিকেলবাড়িয়ার আশপাশের জমিদারদের পরাজিত করে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটি স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন এবং কোম্পানি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি ইংরেজ সরকারের আক্রমণ মোকাবিলার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে তিতুমীরও শহিদ হন।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক। যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হতে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে তিতুমীরের আন্দোলনের কারণেই পরবর্তী সময়ের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলো গতি লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
117
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
109
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews