সিয়াম সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হলে তার দ্রুত অস্ত্রোপচারের জন্য রক্তের প্রয়োজন পড়ে। সিয়ামের বাবা একটি রক্ত কেন্দ্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করে সিয়ামের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সিয়াম সুস্থ হওয়ার পর তার বাবা মসজিদের ইমামের কাছে জানতে চাইলেন যে, এভাবে রক্ত গ্রহণ করা সঠিক হয়েছে কি না। ইমাম সাহেব গবেষণা ও নিজস্ব চিন্তা থেকে সমাধান বের করলেন এবং সিয়ামের বাবাকে জানালেন, চিকিৎসার জন্য রক্ত বিক্রয় কেন্দ্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করা ইসলামি শরিয়ত অনুসারে বৈধ হবে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কিয়াসের মূলকথা হলো পূর্ব সিদ্ধান্তকে দৃষ্টান্ত হিসেবে গ্রহণ করে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে পূর্বের নীতি বা আইন প্রয়োগ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হে চক্ষুষ্মান ব্যক্তিরা! তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করো'- কুরআনের এ আয়াত দ্বারা মানুষকে জ্ঞান-বুদ্ধি দ্বারা চলার কথা বলা হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরিফে কোনো কোনো বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। আবার কোনো বিষয়ে পরোক্ষ ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। আলোচ্য আয়াতটিতে 'শিক্ষা গ্রহণ করে' দ্বারা মূলত নিজস্ব চিন্তা ও গবেষণা দ্বারা নবোদ্ভাবিত সমস্যা সমাধানের কথা বলা হয়েছে। সুতরাং, বুঝা যায় উল্লিখিত আয়াতটি দ্বারা কিয়াসকে বোঝানো হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইমাম সাহেব ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস কিয়াসের বিধান অনুসারে সমাধান দিয়েছেন। নবোদ্ভাবিত সমস্যার সমাধান দেওয়া হয় কিয়াসের মাধ্যমে। এক্ষেত্রে যদি একজন বিজ্ঞ আলিম সমাধান দেন তাহলে তাকে শরিয়ত সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অধিকারী হতে হয়। এমন গুণাবলির অধিকারী হতে হয় যে ধরনের গুণাবলিসম্পন্ন মানুষকে সমাজের সবাই শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস করে। উদ্দীপকে এমনই একজন মানুষকে কিয়াস সম্পর্কিত ব্যাখ্যা দিতে দেখা গেছে।

সিয়াম দুর্ঘটনায় পড়লে তার চিকিৎসার জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে এভাবে রক্ত গ্রহণের বিধান প্রবর্তিত হয়নি। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এভাবে রক্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। উদ্দীপকে যেহেতু একজন আলিমকে সমাধান দিতে দেখা গেছে, তাই এটিকে কিয়াসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। কিয়াসের ক্ষেত্রে কোনো বিতর্কের প্রয়োজন হয় না। মানবকল্যাণে সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে সেটি সর্বসম্মতভাবে মেনে নেওয়া যায়। কেউ এভাবে রক্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে অবৈধ বলবে না। সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় দেখা যায়, ইমাম সাহেব কিয়াসের বিধান অনুসারেই সিয়ামের রক্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে বৈধ বলেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কিয়াস কুরআন ও হাদিসের আলোকে প্রবর্তিত হওয়ায় উদ্দীপকে ইমাম সাহেবের সমাধানকে সঠিক বলা যায়। ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস হলো কিয়াস। কুরআন ও সুন্নাহর আইন বা নীতির সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিচার বুদ্ধি প্রয়োগ করে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান দেওয়াকে কিয়াস বলে। ইমাম সাহেব এ মূলনীতির আলোকেই সমাধান দিয়েছেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ইমাম সাহেব গবেষণা ও নিজস্ব চিন্তা থেকে সমাধান দিয়েছেন যে, চিকিৎসার জন্য বিক্রয় কেন্দ্র থেকে রক্ত সংগ্রহ করা ইসলামি শরিয়ত অনুসারে বৈধ। তিনি এ সমাধানের জন্য কিয়াসকে অনুসরণ করেন। আর কিয়াসের বিধান কুরআন- হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস কোনো নতুন সংযোজন নয়। রাসুল (স)-এর যুগেই কুরআন- হাদিসের পাশাপাশি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াসের যাত্রা শুরু হয়। রাসুল (স) নিজেও কিয়াস করতেন। তাঁর সাহাবিদেরও তিনি এ বিষয়ে বিশেষ উৎসাহ প্রদান করতেন। কিয়াসের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'হে দৃষ্টি শক্তিসম্পন্ন মানুষেরা! তোমরা চিন্তা-গবেষণা করো' (সূরা হাশর: ২)। রাসুল (স) নিজেও কিয়াসকে পছন্দ করতেন। ইয়েমেন প্রেরণের পূর্বে রাসুল (স) মুয়াব (রা) কে জিজ্ঞেস করেন, লোকদের মধ্যে কীভাবে ফয়সালা করবে? উত্তরে তিনি কুরআন-হাদিসের পর নিজস্ব গবেষণার মাধ্যমে ফয়সালা করার কথা বললে রাসুল (স) অত্যন্ত খুশি হন।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায়, কিয়াসের বিধান কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রবর্তিত। ইমাম সাহেব সমাধানের প্রক্রিয়া হিসেবে কিয়াসকে অনুসরণ করায় তার সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
176
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কিয়াস ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস হিসেবে কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা স্বীকৃত বলে এটি ছাড়া ইসলামকে সম্পূর্ণ জীবনব্যবস্থা বলা যায় না। কিয়াস ব্যতীত ইসলাম একটি গতিহীন ও সংকীর্ণ জীবনাদর্শে পরিণত হয়। ফলে সব দেশের ও সব কালের দাবি মেটানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিয়াসই ইসলামকে সর্বকালীন ও সর্বজনীন জীবনাদর্শে পরিণত করে। এ কারণেই কিয়াসকে ইসলামি শরিয়তের উৎস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং এটি ইসলামকে পূর্ণতা দান করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
236
উত্তরঃ

১নং প্রেক্ষাপটে রাকিবের পিতার উপদেশে ইসলামের দ্বিতীয় উৎস তথা হাদিসের প্রতি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। হাদিস অর্থ কথা বা বাণী। ইসলামি পরিভাষায়, হাদিস বলতে মহানবি (স)-এর বাণী, কর্ম ও মৌন সম্মতিকে বোঝায়। হাদিস হলো শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস। এটি আল-কুরআনের মূলনীতিসমূহের বাস্তবরূপ ও ব্যাখ্যা। কুরআন মাজিদে আল্লাহ তায়ালা যে জীবনবিধান ও আদর্শ উপস্থাপন করেছেন সাধারণ মানুষের পক্ষে সব সময় তা বোঝা সম্ভব নয়। সেজন্য এথেকে তাদের উপকৃত হওয়া কষ্টকর। হাদিসে কুরআনের বক্তব্যসমূহকে সর্বসাধারণের উপযোগী করে পরিবেশন করা হয়েছে। হাদিসকে তাই কুরআনের ব্যাখ্যা গ্রন্থও বলা হয়। মূলত কুরআন ও হাদিস দুটি ভিন্ন ভিন্ন গ্রন্থ হলেও একটি অপরটির পরিপূরক। হাদিস ছাড়া যেমন কুরআন বোঝা সম্ভব নয় তেমনি কুরআন ছাড়াও হাদিসের নিজস্ব কোনো মান নেই।

১নং প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, রাকিব ফজর নামাজের পর দৈনিক অর্থসহ কুরআন তেলাওয়াত করেন। এ প্রেক্ষিতে তার পিতা বলেন, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কুরআনের পাশাপাশি এর সম্পূরক শিক্ষা হিসেবে দ্বিতীয় উৎসও রীতিমত অধ্যয়ন করতে হবে। অর্থাৎ তিনি এখানে কুরআনের পাশাপাশি শরিতের দ্বিতীয় উৎস হাদিস অধ্যয়নের কথা বলেছেন। সুতরাং বলা যায়, রাকিবের পিতার উপদেশে হাদিস অধ্যয়নের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
289
উত্তরঃ

২নং প্রেক্ষাপটে জনাব আবিরের কর্মটি হলো কিয়াস। যা কুরআন-সুন্নাহর দৃষ্টিতে সমর্থনযোগ্য। কিয়াস শব্দের অর্থ পরিমাপ, অনুমান বা তুলনা করা। কিয়াস হলো ইসলামি আইন প্রবর্তনের একটি পদ্ধতি। মানুষের গতিশীল জীবনে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব ঘটে। এ সমস্যাগুলোর সমাধান সরাসরি কুরআন ও হাদিসে পাওয়া না গেলে সাদৃশ্যপূর্ণ বিধান দ্বারা নিজের বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে সমস্যার সমাধান করাই হলো কিয়াস।

২নং প্রেক্ষাপটে জনাব আবির কুরআন-হাদিস গবেষণা করে নিজের চিন্তা বিবেক-বুদ্ধি খাটিয়ে আধুনিক যুগের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানকল্পে একটি পাণ্ডুলিপি রচনা করেন। এখানে কিয়াসের কথাই বলা হয়েছে। কিয়াস আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স) এর নির্দেশিত ও নির্বাচিত বিষয়। মুসলিম জাতিকে আল্লাহ তায়ালা   فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ  অথ ঃ 'অতএব, হে দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন মানুষেরা, তোমরা চিন্তা ও গবেষণা করো' (সুরা আল হাশর: ২)। আবার কিয়াস রাসুল (স) এর পছন্দনীয় পদ্ধতি। হযরত মুয়াজ বিন জাবাল (রা) কে ইয়েমেনের বিচারক হিসেবে প্রেরণ করার সময় কীভাবে বিচার ফয়সালা করবে? এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুয়াজ (রা) কুরআন-হাদিসের পর নিজের ব্যক্তিগত গবেষণার আলোকে বিচার ফয়সালা করার কথা বলেন। তাঁর এ জবাবে রাসুল (স) অত্যন্ত খুশি হন।

পরিশেষে বলা যায় যে, কিয়াসের বিধান কুরআন ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তাই আবিরের কাজটি কুরআন-সুন্নাহর দৃষ্টিতে সমর্থনযোগ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
266
উত্তরঃ

সময়কাল এবং ইজমা সংঘটনের প্রকৃতি বিবেচনায় ইজমার স্বতন্ত্র স্তরবিন্যাসই 'মারাতিবুল ইজমা'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
461
উত্তরঃ

কিয়াস ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস। কুরআন-মাজিদে কিয়াসের স্বীকৃতি রয়েছে। ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে কিয়াস কোনো নতুন সংযোজন নয়। রাসুল (স)- এর যুগে কিয়াসের উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটে। তিনি নিজে কিয়াস করার জন্য সাহাবি (রা)-দের বিশেষ উৎসাহ দিয়েছেন। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবিগণ কিয়াসের স্বাধীন প্রয়োগের মাধ্যমে একে ইসলামি আইনের চতুর্থ উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ

অর্থ: হে চক্ষুষ্মাণগণ, তোমরা শিক্ষাগ্রহণ কর (সুরা আল-হাশর: ২)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
362
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews