'সুচেতনা' কবিতার মূলভাব ব্যাখ্যা করো। (অনুধাবন)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

'সুচেতনা' কবিতায় সুচেতনার কথা উত্থাপনের মধ্য দিয়ে কবি মানুষের মাঝে শুভবোধের উদ্‌দ্বোধন কামনা করেছেন।
সুচেতনা কবির অত্যন্ত প্রার্থিত ও আরাধ্য এক চেতনানিহিত বিশ্বাস। কবির চেতনাগত এই বিশ্বাসই শেষাবধি হিংসার বিষবাষ্প থেকে সৃষ্ট পৃথিবীর গভীরতর অসুখকে সারিয়ে তুলতে পারে। সর্বোপরি এটি আমাদের এক মুক্ত, আলোকোজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ জীবনের স্বপ্ন দেখায়। জীবনমুক্তির এই চেতনাই মানবসমাজের অগ্রযাত্রা মসৃণ করবে, শাশ্বত রাত্রির বুক থেকে নেতিবাচকতায় অন্ধকার দূর করে অনন্ত সূর্যোদয় ঘটাবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
963

সুচেতনা, তুমি এক দূরতর দ্বীপ 

বিকেলের নক্ষত্রের কাছে;

সেইখানে দারুচিনি-বনানীর ফাঁকে 

নির্জনতা আছে। 

এই পৃথিবীর রণ রক্ত সফলতা 

সত্য; তবু শেষ সত্য নয়।

আজকে অনেক রূঢ় রৌদ্রে ঘুরে প্রাণ

পৃথিবীর মানুষকে মানুষের মতো 

ভালোবাসা দিতে গিয়ে তবু, 

দেখেছি আমারি হাতে হয়ত নিহত

ভাই  বোন বন্ধু পরিজন প'ড়ে আছে; 

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন 

মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।

সুচেতনা, এই পথে আলো জ্বেলে- এ-পথেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে; 

সে অনেক শতাব্দীর মনীষীর কাজ:

Related Question

View All
উত্তরঃ

'সুচেতনা' কবিতাটি জীবনানন্দ দাশের 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ থেকে চয়ন করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
230
উত্তরঃ

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন'- উক্তিটিতে কবির সমসাময়িক পৃথিবীতে বিরাজমান ধ্বংসোম্মুখ অবস্থার দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
মানবপ্রেমী কবি তাঁর সমকালীন পৃথিবীতে মানুষে মানুষে বিরাজমান অসহিষ্ণুতার ভয়ংকর রূপ প্রত্যক্ষ করেছেন। অগণিত প্রাণহানি, রক্তপাতের ঘটনা তাঁকে মর্মাহত করেছে। এই ধ্বংসাত্মক রূপকে তিনি পৃথিবীর 'গভীর গভীরতর অসুখ' হিসেবে চিহ্নিত করেছেন; যার পরিসমাপ্তিই কবির একমাত্র প্রত্যাশা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
641
উত্তরঃ

উদ্দীপকটিতে 'সুচেতনা' কবিতায় বর্ণিত পৃথিবীতে বিদ্যমান অশুভ চেতনার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
'সুচেতনা' কবিতাটিতে কবি অশুভ চেতনার স্থলে শুভ চেতনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। কবি প্রত্যক্ষ করেছেন পৃথিবীতে অন্ধকার তথা অশুভ শক্তির ভয়ংকর বিস্তার। স্বার্থের দ্বন্দ্বে মানুষ লিপ্ত, ভালোবাসার পরিণামে পৌছাতে স্বীকার করতে হয় বহু আত্মত্যাগ। পৃথিবীব্যাপ্ত এ গভীর অসুখ বা বিপর্যয় থেকে মানুষের মুক্তি প্রয়োজন। আর একমাত্র শুভচেতনার আলো প্রজ্বালনের মাধ্যমেই তা সম্ভব।
উদ্দীপকের কবিতাংশে পৃথিবীব্যাপী অশুভ শক্তির প্রতাপ পরিলক্ষিত হয়। সমাজের সর্বস্তরে অযোগ্য দুশ্চরিত্র লোকেরাই সর্বেসর্বা। পক্ষান্তরে জ্ঞানী-গুণীরা অবহেলিত। পৃথিবীর বৈষম্যময় সমাজব্যবস্থাই মূলত এর জন্য দায়ী। 'সুচেতনা' কবিতার বিষয়বস্তুতেও আমরা পৃথিবীতে এমন অশুভ শক্তির বিস্তার লক্ষ করি। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকটিতে আলোচ্য কবিতায় বর্ণিত পৃথিবীতে বিদ্যমান অশুভ চেতনার দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
150
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কেবল পৃথিবীব্যাপী অশুভ শক্তির বিস্তারের বিষয়টি উঠে এলেও 'সুচেতনা' কবিতার আশাবাদের দিকটি উন্মোচিত হয়নি।
'সুচেতনা' কবিতাটিতে কবি তাঁর প্রার্থিত, আরাধ্য এক চেতনানিহিত বিশ্বাসকে শিল্পিত করেছেন। যে চেতনা পৃথিবীতে বিরাজিত সকল অন্যায়, অনিয়ম, যুদ্ধ, মৃত্যুসহ যাবতীয় গভীরতর ব্যাধিকে অতিক্রম করে সুস্থ ইহলৌকিক পৃথিবীর মানুষকে জীবন্ময় করে রাখবে। কবির মতে, জীবন্মুক্তির এই চেতনাগত সত্যই পৃথিবীতে ক্রমমুক্তির আলোকে প্রজ্বালিত রাখবে, মানবসমাজের অগ্রযাত্রাকে নিশ্চিত করবে। ইতিবাচক এ আলো প্রজ্বালনের মাধ্যমেই সকল অশুভ শক্তি থেকে পৃথিবী ও মানুষের মুক্তি ঘটবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
উদ্দীপকে, পৃথিবীতে এক অদ্ভুত আঁধারের বিস্তার দেখানো হয়েছে। যে আঁধারে অযোগ্যরাই যোগ্যতর হিসেবে মর্যাদা লাভ করে আর যোগ্য ব্যক্তিরা হয় অবমূল্যায়িত। পৃথিবী যেন আজ অযোগ্য মানুষদের পরামর্শ ও নেতৃত্বেই চলছে। যোগ্য, জ্ঞানী, মহৎ মানুষদের মর্যাদা আজ নেই। উদ্দীপকের মতো সামাজিক সংকটের প্রতিচ্ছবি 'সুচেতনা' কবিতায়ও বিদ্যমান। তবে কবিতায় এ সংকট উত্তরণে মুক্তির পথের দিশারও অনুসন্ধান করা হয়েছে।
উদ্দীপক ও 'সুচেতনা' কবিতার বিষয়বস্তু পর্যালোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে কেবল পৃথিবীতে বিরাজমান অশুভ শক্তির প্রভাবের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে, যা 'সুচেতনা' কবিতার একটি মাত্র দিক। 'সুচেতনা' কবিতায় এ বিষয়টি ছাড়া আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়ের সমাবেশ ঘটেছে। অশুভ শক্তির স্থলে শুভশক্তির বা শুভ চেতনার বিজয় কবিতাটিতে তাৎপর্যপূর্ণ রূপ লাভ করেছে। ইতিবাচক এ চেতনার মাধ্যমেই সকল বিপর্যয় থেকে পৃথিবী ও মানুষের মুক্তি ঘটবে- এমন আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, "উদ্দীপকটিতে 'সুচেতনা' কবিতার সমগ্র দিক উন্মোচিত হয়নি।" উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
120
উত্তরঃ

কবি জীবনানন্দ দাশের মায়ের নাম কুসুমকুমারী দাশ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
170
উত্তরঃ

কবির সুচেতনা মূলত শুভচেতনা বা শুভবোধের স্মারক।
সুচেতনা মূলত কবির এক ধরনের চেতনাজাত বিশ্বাস, যা সমস্ত নেতিবাচকতা ধ্বংস করে এবং ইতিবাচক চিন্তার বিকাশ ঘটায়। কবির দৃষ্টিতে এটি তাঁর চেতনাগত সত্য। সংগত কারণেই পৃথিবীর নানা অভিঘাতে বা রক্তপাতের ঘটনায় এর কোনো পরিবর্তন হয় না। এ সত্যই শেষ পর্যন্ত আমাদের এক আলোয় ভরা, সুখী ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখায়। তবে এই চেতনা দূরবর্তী এক দ্বীপের মতোই অধরা। এর বিস্তার সর্বত্র হলেও সব জায়গায় এটি উপস্থিত নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
151
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews