সুজন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। সে নিরক্ষর পিতামাতার একমাত্র সন্তান। পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষিত হয়েছে। পরীক্ষা ২৯ মে। সামনে আর বেশিদিন নেই। রাত জেগে ছেলেটি পড়ালেখা করে। প্রতিনিয়ত এ কাজটি করায় সে অসুস্থ হয়। একদিন সুজনের পিতা সুজনকে নিয়ে হাসপাতালে যান। তিনি জানেন না হাসপাতালের কোথায় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। হঠাৎ তার দৃষ্টি যায় একটি দরজার দিকে। দরজার বাইরের দিকে একটি সাদা পর্দা ঝুলানো আছে এবং তাতে একটি লাল রঙের চাঁদ আঁকা রয়েছে। সুজনের বাবা মনে করেন এখানেই ডাক্তার বসেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

জটিল ও দুর্বোধ্য যুক্তিকে সরল ও সহজ করার জন্য প্রতীকী যুক্তিবিদগণ প্রতীক ব্যবহার করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

প্রতীক হচ্ছে মানবসৃষ্ট কিন্তু সংকেত প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক বিষয়। প্রতীকের পরিধি সংকীর্ণ কিন্তু সংকেতের পরিধি ব্যাপক। প্রতীক তার বিষয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় কিন্তু সংকেত সাংকেতিক বিষয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। প্রতীক আমাদের ব্যাখ্যা ও ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল কিন্তু সংকেত আমাদের ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সুজন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। সে নিরক্ষর পিতামাতার একমাত্র সন্তান। তার পরীক্ষা নিকটবর্তী বলে সে রাত জেগে পড়ালেখা করে, ফলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই সুজনের পিতা সুজনকে নিয়ে হাসপাতালে যান। সুজনের পিতা নিরক্ষর হওয়ার ফলে হাসপাতালে কোথায় সেবা দেওয়া হয় এ বিষয়ে তার স্বচ্ছ ধারণা নেই। হঠাৎ তার দৃষ্টি যায় একটি দরজার দিকে। দরজার বাইরের দিকে একটি সাদা পর্দা ঝুলানো আছে এবং তাতে একটি লাল রঙের চাঁদ আঁকা রয়েছে। সুজনের বাবা সেই প্রতীক চিহ্নটি দেখে বুঝে নেন যে, এখানেই ডাক্তার বসেন। পরে তিনি সুজনকে নিয়ে সেই রুমে যান এবং সুজনের চিকিৎসা করান। উপর্যুক্ত আলোচনার মাধ্যমে প্রতীয়মান হয় যে, সুজনের বাবা নিরক্ষর কিন্তু তিনি তার সন্তানের চিকিৎসা করানোর জন্য প্রতীক চিহ্নের সহায়তায় অতি সহজে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পেরেছেন। সুতরাং প্রতীক হলো এমন বিষয়, যা সংক্ষিপ্তরূপে ব্যবহৃত হয়ে কোনো কিছুর অর্থকে স্পষ্ট করে, ভাষার ত্রুটি দূর করে অশিক্ষিত মানুষকে সঠিক ধারণা দিতে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আমি মনে করি চিকিৎসাসেবা ছাড়া আরও অনেক ক্ষেত্রে প্রতীক ব্যবহারের গুরুত্ব রয়েছে। প্রতীকের সহায়তায় নানারকম কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তা হলো- কোনো দেশের পতাকা 'সে দেশের প্রতীক, গাড়িতে লাল রঙের '+' চিহ্ন হলো চিকিৎসাসেবার প্রতীক, রাস্তার 'লাল বাতি' হলো গাড়ি থামানোর প্রতীক। মূলত প্রতীক হলো এমন বিষয়, যা সংক্ষিপ্তরূপে ব্যবহৃত হয়ে কোনো কিছুর অর্থকে স্পষ্ট করে ভাষার ত্রুটি দূর করে। তাছাড়া প্রতীক হলো সচেতনতার সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা। আমাদের দৈনন্দিন সামাজিক জীবন থেকে শুরু করে জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রতীকের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। যেমন- ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে মাথায় টুপি বা পাগড়ি, সিঁদুর বা শঙ্কের ব্যবহার বিশেষ ধর্মীয় ও সামাজিক স্বীকৃতির প্রতীক হিসেবে কাজ করে। জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় সাইরেনের বিভিন্ন শব্দ নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেওয়ার প্রতীক হিসেবে কাজ করে। তেমনিভাবে ট্রাফিকের লালবাতি চলন্ত গাড়ির প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে প্রতীয়মান হয় যে, চিকিৎসা সেবা ছাড়া আরও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রতীক ব্যবহারের গুরুত্ব রয়েছে। তাই প্রতীক ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
249
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে সংকেত প্রকৃতির রাজ্যে অবস্থান করে তাকে স্বাভাবিক সংকেত বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
241
উত্তরঃ

সংকেত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে স্বাভাবিক সংকেত, অন্যটি কৃত্রিম সংকেত। স্বাভাবিক সংকেত হলো তাই যা প্রকৃতির রাজ্যে অবস্থান করে। যেমন- ঝড়-ঝঞ্ঝার সংকেত। কৃত্রিম সংকেত বলতে দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে সংকেত ব্যবহার করে থাকি। যেমন- ট্রাফিকের লালবাতি- গাড়ি থামানোর সংকেত। এই সংকেত আমরা নিজেদের প্রয়াজনে ব্যবহার করে থাকি এবং একে আমরা তথা মানুষ সৃষ্টি করেছে। সুতরাং কৃত্রিম সংকেত হলো যা দৈনন্দিন জীবনে আমরা ব্যবহার করে থাকি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
238
উত্তরঃ

প্রতীক বলত আমরা বুঝি যে কোনো কিছু নির্দেশ করার, বোঝার এবং ব্যক্ত করার জন্য যে লিখিত বা কথিত চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। কোনো কিছুর পাশে যখন (√) টিক চিহ্ন দেই তখন তা সঠিক বলে আমরা জানি। প্রতীককে মানুষ নিজ ইচ্ছা ও সুবিধা অনুযায়ী ব্যাখ্যা করে থাকে। লাল বাতিকে গাড়ি থামানোর সংকেত হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এটি মানুষের ব্যবহার ও ব্যাখ্যার উপর নির্ভরশীল। প্রতীক যেহেতু লিখিত বা কথিত রূপ সুতরাং এর সাথে এর অর্থের সরাসরি বা প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। যেমন 'লালবাতি' প্রতীককে আমরা সব সময় সর্বক্ষেত্রে জানি। এটিকে জানার জন্য প্রত্যক্ষণের প্রয়োজন হয় না। অর্থাৎ এটি লিখিত রূপ বলেই সরাসরি প্রত্যক্ষণের প্রয়োজন হয় না।

লালবাতি হচ্ছে একটি প্রতীক যা মানুষের ব্যাখ্যা ও ব্যবহার এর উপর নির্ভরশীল। লালবাতি প্রতীকটি প্রত্যক্ষ হলে সংকেতের রূপ নিবে। লালবাতিকে আমরা গাড়ি থামানোর প্রতীক হিসাবে জানি। যখন এটি রাস্তার ট্রাফিক মোড়ে জ্বলে তখন গাড়ি থামানোর সংকেত হিসাবে বোঝানো হয়। সুতরাং লালবাতি- যেমন প্রতীক, তেমন সংকেতও বটে। লালবাতি যখন প্রতীকরূপে থাকে তখন তা কোনো ধরনের প্রত্যাশা জাগায় না। সুতরাং উদ্দীপকে যে লালবাতির কথা বলা হয়েছে তা মূলত প্রতীক এবং গাড়ি থামানোর সময় সংকেত হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
290
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বলা হয়েছে যে লালবাতি গাড়ি থামানোর প্রতীক। অর্থাৎ লালবাতি যদি রাস্তার ট্রাফিক মোড়ে জ্বালানো হয় তবে গাড়ি থেমে যায়। সুতরাং এর উপযোগিতা আছে। অর্থাৎ প্রতীকের উপযোগিতা রয়েছে। প্রতীক বলতে এমন কিছু লিখিত বা কথিত চিহ্নকে বোঝায় যা কোনো কিছু নির্দেশ করে। লালবাতি একটি চিহ্ন যা জ্বলে উঠলেই গাড়ি থেমে যায়। প্রতীকের উপযোগিতা ব্যাপক। প্রতীকের ফলে জটিল বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপন করা যায়। যেমন কোনো গাড়িকে ট্রাফিক পুলিশ থামাতে চাইলে লালবাতি জ্বালায় এবং গাড়িটি থেমে যায়। কিন্তু লালধাতির প্রতীক ব্যবহারের পরিবর্তে সে যদি চিৎকার করে তবে তা থামানো কষ্টসাধ্য বটে। সুতরাং প্রতীকের উপযোগিতা রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতীকের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-যুক্তিবিদ্যায় প্রতীকের ব্যবহার অতীব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক জটিল যুক্তিকে প্রতীকের মাধ্যমে আমরা সহজে প্রকাশ করতে ও বুঝতে পারি। গণিতের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়ের দিকে মনোযোগ আকর্ষণের জন্য প্রতীক গুরুত্বপূর্ণ ভূকিা রাখে। কোনো বিষয় যখন ভাষায় প্রকাশ করা হয় তখন দুর্বোধ্য মনে হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতীকের মাধ্যমে তা সহজ করা হয়।

সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, রাজু ও মিনার বাবার উত্তরের মাধ্যমে প্রতীকের উপযোগিতা প্রকাশ পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
237
উত্তরঃ

যে যুক্তিবিদ্যায় যুক্তিকে ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে 'সাবেকি যুক্তিবিদ্যা' বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
319
উত্তরঃ

যে বাক্যকে বিশ্লেষণ করলে আর কোনো অঙ্গবচন বা উপাদান পাওয়া যায় না মূলত সেটিই হলো সরল বাক্য। যেমন- রাসেল হন একজন দার্শনিক। এ বাক্যটিকে ভেঙ্গে আর কোনো বাক্য আমরা পাই না। তাই একে পারমাণবিক বাক্যও বলা হয়। সুতরাং সরল বাক্যকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাক্যে ভাগ করা যায় না। যেমন ভাবে পরমাণুকে ভাগ করা যায় না। অবশ্য এই ধারণা (পরমাণুকে ভাগ করা যায় না) আগের। সরল বাক্যকে 'নিরপেক্ষ বাক্য'ও বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
228
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews