সুদের কুফলসমূহ সংক্ষেপে লিখুন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

সুদের কুফলসমূহ নিম্নরূপ :
১. সুদ মানুষকে হারাম লেনদেনে অভ্যস্ত করে।
২. সুদ মানুষকে অলস করে ও অর্থলোভী করে।
৩. সুদ মানুষকে অত্যাচারী করে তোলে।
৪. সুদের কারবারি আল্লাহর উপর ভরসা করে না।
৫. সুদ জাতীয় অর্থনৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করে।
৬. সুদ ধনীকে আরও ধনী ও গরিবকে আরও গরিব করে।
৭. ইবাদত নষ্ট করে।
৮. বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।
৯. অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করে।
সর্বোপরি, সুদ একজন মানুষকে জাহান্নামি করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
119

Related Question

View All
উত্তরঃ

"যখন আল্লাহর অনুগ্রহ ও বিজয় আসবে (তখন) আপনি ইসলাম ধর্মে দলে দলে লোকদেরকে প্রবেশ করতে দেখবেন। অতএব, আপনি আপন প্রতিপালকের প্রশংসাকীর্তন করুন ও তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় আল্লাহ তওবা কবুলকারী।"

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
79
উত্তরঃ

কুরআন মাজীদ আল্লাহর বাণী। মানবজাতিকে ইহকালীন সমৃদ্ধি অর্জনের জন্য ও হিদায়াতের জন্য আল্লাহতায়ালা রসুল (স)-এর মাধ্যমে তা আমাদের জন্য অবতীর্ণ করেছেন। মানুষের অভাব অসীম অথচ এই অভাব পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা, জ্ঞান ও সম্পদ সসীম। তাই সসীম জ্ঞান ও সম্পদের দ্বারা কীভাবে অসীম সমস্যা সমাধান করা যায় তার জন্য প্রয়োজন হলো ঐশী জ্ঞানের। আর তা হলো পবিত্র কুরআন। এটি মানবজাতির পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। যে ব্যক্তি কুরআন শেখে এবং সে অনুযায়ী আমল করে সে ইহকালীন সমৃদ্ধির পাশাপাশি পরকালীন মুক্তি পাবে। তাই রসুল (স) পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের শিক্ষা গ্রহণ ও অপরকে তা শেখানোর জন্য তাগিদ দিয়েছেন এবং এর ফযিলত সম্পর্কে বলেছেন: "তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তিই উৎকৃষ্ট যে নিজে কুরআন শিখেছে এবং তা অপরকে শিক্ষা দিয়েছে।" (বুখারী শরীফ)।

রসুল (স) অপর হাদিসের দ্বারা এ কথার যৌক্তিকতা বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: “যদি কেউ আল্লাহর সাথে বাক্যালাপ করতে চায়, তাহলে সে যেন কুরআন তিলাওয়াত করে।"

আর উত্তম ব্যক্তি তিনিই হবেন যিনি সর্বদা আল্লাহর সাথে বাক্যালাপে নিয়োজিত থাকতে চান এবং এক্ষেত্রে অপরকেও সহযোগিতা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
180
উত্তরঃ

মহানবী (স) ৬১০ খ্রিষ্টাব্দে নবুওয়্যাত প্রাপ্তির পর থেকে গোপনে আপনজনদের মধ্যে ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকেন। অল্প কিছুদিনের মধ্যে এ কথা মক্কার কাফির-মুশরিকদের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে তারা রসুলের বিরোধিতা শুরু করে। বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে থামাতে না পেরে তার ও তার সাহাবীগণের উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের মাত্রা অতিরিক্ত হয়ে পড়লে রসুল (স) নবুওয়্যাতের ত্রয়োদশ বছরে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন। এই হিজরত সংঘটিত হয়েছিল আল্লাহর নির্দেশেই।

হিজরতের ফলাফল:

  • এই হিজরতের ফলে রসুলের বঞ্চনার জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে।
  • রসুল (স) মদিনা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান নিযুক্ত হন।
  • অগণিত লোক দলে দলে ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে।
  • মদিনাসহ আরব রাজ্যে ইসলাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
  • ইসলাম একটি ধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ও মদিনা একটি ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
  • রসুল (স) তাঁর দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার সুযোগ পান।
Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
124
উত্তরঃ

বিদায় হজের ভাষণ ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ভাষণে রসুল (স) তাঁর দায়িত্ব সমাপ্তির কথা উল্লেখ করেন। এ ভাষণ মানব ইতিহাসে মুক্তির নির্দেশনা পেশ করেছে। রসুল (স) তার এ ভাষণে মানবাধিকারের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। তিনি তাঁর ভাষণে বলেন- "তোমাদের রক্ত (জান), তোমাদের সম্পদ এবং তোমাদের ইজ্জত তোমাদের জন্য পবিত্র যেমন পবিত্র তোমাদের জন্য আজকের এই দিন, এই শহর ও এই মাস।" এ কথার মাধ্যমে মানুষের জান-মাল ও ইজ্জতের মতো মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও তিনি নারীদের অধিকার সম্পর্কে বলেন- "তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের আল্লাহর নামে গ্রহণ করেছ, তোমরা তাদেরকে তাই খাওয়াও এবং পরিধান করাও তোমরা যা খাও এবং পরিধান করো"।

দাস-দাসীদের সাথে উত্তম আচরণের কথাও তিনি বলে গেছেন। তাঁর নির্দেশ- নিজে যা খাবে দাস-দাসীদের তাই খাওয়াবে এবং পরাবে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
127
উত্তরঃ

মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ জীবনে বসবাস করতে যেয়ে তারা কাউকে না কাউকে অনুসরণ করতে চায়। প্রত্যেক ব্যক্তির একজন আদর্শ রয়েছে। সে নিজে স্বজ্ঞানে অথবা অজান্তে অন্য কারোর অনুসরণ করে বা করতে ভালোবাসে। কিন্তু একজন মুসলমান কাকে অনুসরণ করবে সে সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা বলেন-"নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য উত্তম অনুসরণীয় আদর্শ রয়েছে আল্লাহর রসুলের (মুহাম্মদ) জীবনে।" প্রত্যেক মুসলমানের উচিত আল্লাহর রসুলের জীবন বিধান পূর্ণাঙ্গভাবে অনুসরণ করা এবং কেবল এর মাধ্যমেই সম্ভব ইহকালীন সমৃদ্ধি ও পরকালীন মুক্তি। রসুল (স) তাঁর জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের সার্বিক জীবন পরিচালনার সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা রেখে গেছেন। রসুল (স) বলেন, "আমি তোমাদের জন্য দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি। যারা এ দুটিকে আঁকড়ে ধরে রাখবে তারা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না। একটি আল্লাহর কিতাব অপরটি আমার সুন্নাত।" তাই আমাদের একমাত্র অনুসরণীয় আদর্শ হলো রসুল (স)-এর জীবনাদর্শ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
76
উত্তরঃ

বাংলাদেশে স্বল্প সময়ের মধ্যে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রসার ও অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য এবং বর্তমানে বেসরকারি খাতে অন্য সব ব্যাংকের তুলনায় ইসলামি ব্যাংক অগ্রবর্তী স্থানে অবস্থান করছে। সুদি পরিবেশে শরিয়তের নীতিমালার ভিত্তিতে পরিচালিত এ ব্যাংকের সাফল্য কেবল বাংলাদেশে নয়, দেশের বাইরেও চিন্তাশীলদের মধ্যে নবতর আশার সঞ্চার করেছে। তবে এ ব্যাংকের উজ্জ্বল সম্ভাবনার বিপরীতে কিছু সমস্যাও পরিলক্ষিত হয়। নিম্নে এ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো:

১ . উপযোগী আইনের অভাব: দেশের আর্থিক ও বাণিজ্যিক আইন শরীয়তের নীতিমালার উপর ভিত্তিশীল নয়। ফলে ইসলামি ব্যাংক এর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি আইনের সহযোগিতা ও সমর্থন পাচ্ছে না। এছাড়া দেশের প্রচলিত ঋণ, আইন ও বিচার ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ ও দীর্ঘসূত্রী। আইনের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ে ৫ থেকে ১০ বছর কিংবা তারও অধিক সময় দরকার। সুদি ব্যাংকগুলো এ অবস্থায় তবুও পুরো সময়ের জন্য সুদ আদায় করার সুযোগ পায়। কিন্তু ইসলামি ব্যাংক অতিরিক্ত সময়ের জন্য পণ্যের দাম বাড়াতে পারে না। এ সমস্যা ইসলামি ব্যাংকের জন্য পৃথক আইন কাঠামো এবং দ্রুত বিচার ফয়সালার ব্যবস্থা অত্যাবশ্যক।

২. বিমা সুবিধার অভাব: ইসলামি ব্যাংক তার যাবতীয় কার্যক্রম শরিয়তের ভিত্তিতে পরিচালিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অথচ বিমার জন্য ব্যাংককে সুদি কোম্পানির কাছে যেতে বাধ্য করে। ইসলামি ব্যাংক যাতে সম্পূর্ণ শরিয়তের ভিত্তিতে চলতে পারে এবং এর গ্রাহকগণ যাতে সুদি বিমা করতে বাধ্য না হয় সেজন্য ইসলামি বিমা প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।

৩. দক্ষ শক্তির অভাব: ব্যাংকের জন্য বিপুল দক্ষ জনশক্তির দরকার। আনুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ইসলামি অর্থনীতি ও ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা এখনো পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হওয়ার উপযুক্ত স্থান পায়নি। ফলে ইসলামি ব্যাংকের পক্ষে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তৈরি জনবল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সম্ভাবনা: ইসলামি ব্যাংকিং কোনো নতুন ধারণা নয় বরং ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই এর অস্তিত্ব বিদ্যমান ছিল। ১৯৬৩ সালে মিসরের মিটগামার নামক স্থানে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ইসলামি ব্যাংকের শুরু হয়ে বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালে এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে প্রাইভেট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে আজ বাংলাদেশের সাথে প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর মধ্যে সকল ক্ষেত্রে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এটাকে নিজেদের ব্যাংক বলে মনে করে বলে এদেশে এ ব্যাংকের সম্ভাবনা অনেকটাই আশাব্যঞ্জক। আজ ইসলামি ব্যাংকের অগ্রগতি দেখে প্রায় সকল ব্যাংক তাদের ইসলামি ব্যাংকিং শাখা খোলার চিন্তাভাবনা করছে। পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে মানুষ বিকল্প হিসেবে ইসলামি ব্যাংককে ভালোভাবে গ্রহণ করছে। তাই আমরা বলতে পারি বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকের সমস্যা থেকে সম্ভাবনাই বেশি লক্ষণীয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
456
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews