নারীরা সাধারণত ১৫-৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত গর্ভধারণে সক্ষম।
এইচআইভি এইডস একটি মরণব্যাধি।
এইচআইভি এবং এইডসের ভয়াবহতা সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এ উদ্দেশ্যে জেলা-উপজেলায় র্যালির আয়োজন, পত্রিকায় প্রচার, ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করা যেতে পারে। র্যালি আত্মসচেতনতা সৃষ্টিতে এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সুমনাদের এনজিওটি প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
প্রজনন স্বাস্থ্য বলতে সেই স্বাস্থ্যকে বোঝায়, যার মাধ্যমে মানুষ সুস্থ ও নিরাপদভাবে শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখতে পারে, সুস্থভাবে সন্তান জন্ম দিতে পারে এবং তা কখন ও কীভাবে করবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার অর্জন করে। সন্তান জন্মদানের সঙ্গে যুক্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাস্থ্যের বিষয়টিই হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য।
সুমনাদের এনজিওটি মানুষের সুষ্ঠু ও নিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে কাজ করে থাকে। এছাড়া সুস্থভাবে সন্তান জন্মদান নিশ্চিত করা, সন্তান জন্মদানের সাথে যুক্ত সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে কাজ করে এনজিওটি। এসকল কর্মকাণ্ড প্রজনন স্বাস্থ্যের সাথে সম্পর্কিত। তাই বলা যায়, সুমনাদের এনজিওটি প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করে থাকে।
প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাবে নারীরা অনেক বেশি ঝুঁকিতে থাকে। কারণ, সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গে নারীরা ওতপ্রোতভাবে দীর্ঘ সময় ধরে জড়িত থাকে। তাই নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য পরিচর্যার ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
বাংলাদেশে প্রজনন স্বাস্থ্য জরিপে দেখা যায়, এ দেশে ৮০ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয় ১৮ বছর বা তারও কম বয়সে। এর মধ্যে ২৩ শতাংশ নারী ২০ বছর বয়সের আগেই গর্ভধারণ করে। কিন্তু এ বয়সের নারী ও পুরুষ প্রজনন স্বাস্থ্যের বিষয়ে সঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় সেবা প্রাপ্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত। জরিপে দেখা গেছে, শিশু জন্ম দেওয়ার সময় প্রতি লাখে ৩২০ জন মায়ের মৃত্যু হয়। এদের বেশির ভাগেরই বয়স ১২ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে। আর এ মৃত্যুর মূল কারণ প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে অজ্ঞতা। প্রসবকালীন বিভিন্ন জটিলতার কারণেও নারীরা প্রজনন স্বাস্থ্যগত সমস্যায় ভোগে। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গর্ভপাত, জরায়ুমুখে আঘাত, জরায়ু ফেটে যাওয়া, জননপথের মুখ ফেটে যাওয়া ইত্যাদি। এসব কারণেই নারীদের নিরাপদ প্রসব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
অতএব দেখা যায় যে, বাংলাদেশে প্রজনন স্বাস্থ্যরক্ষার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
Related Question
View Allজন্মের পর থেকে ১৪ দিন বয়স পর্যন্ত শিশুকে নবজাতক বলা হয়।
স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে মেনোপজ বলে।
নারীরা সাধারণত ১৫-৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত গর্ভধারণ করতে সক্ষম। ৫০-৫৫ বছর বয়সে বা তার আগেই অনেকের মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এ অবস্থাকে 'মেনোপজ বলে।
নাঈম HIV ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে। প্রাণঘাতী AIDS রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো পরীক্ষা না করে শরীরে রক্ত গ্রহণ করা। আর এইডস রোগের লক্ষণ হলো দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগা এবং শরীরের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া।
নাঈমের রক্তের প্রয়োজন হওয়ায় পরীক্ষা না করেই এক ব্যক্তির রক্ত শরীরে গ্রহণ করে। এর কিছুদিন পর থেকেই সে দীর্ঘদিন জ্বর ও কাশিতে ভোগে। জ্বর ও কাশি না কমায় ডাক্তার হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। নাঈমের রোগের লক্ষণগুলো AIDS এর অনুরূপ হওয়ায় বলা যায়, নাঈম AIDS-এ আক্রান্ত হয়েছে।
HIV AIDS যেসব কারণে সংক্রমিত হয় সেগুলোকে HIV AIDS এর ঝুঁকি বলা হয়। HIV AIDS-এর ঝুঁকিগুলো হলো-একই সুঁচ ও সিরিঞ্জ একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ব্যবহার, অপরীক্ষিত রক্ত শরীরে গ্রহণ, অপারেশনের সময় অপরিশোধিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার, এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান গ্রহণ, অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক ও HIV আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করানো।
নাঈম অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ করে। সাধারণত অপরীক্ষিত রক্তে HIV ভাইরাস থাকতে পারে। এ রক্ত যে গ্রহণ করবে তার দেহে HIV ছড়াবে। এ কারণেই নাঈম HIV ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।
তাই রক্ত গ্রহণের প্রয়োজন হলে আগে রক্ত পরীক্ষা করে নিতে হবে। নয়তো HIV AIDS-আক্রান্ত হওয়ার আশংকা থাকে। সুতরাং নাঈমের অপরীক্ষিত রক্ত গ্রহণ যৌক্তিক হয় নি বলে আমি মনে করি।
AIDS প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত করা হয়।
মানসিক স্বাস্থ্যের সুস্থতা ও স্বাভাবিকতায় যেসব বিষয় প্রভাব বিস্তার করে সেগুলোকে মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান বা নির্ধারক বলে।
মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদান হিসেবে জৈবিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং সামাজিক পরিবেশগত অবস্থাকে বিবেচনা করা হয়। মূলত মানসিক স্বাস্থ্যের উপাদানগুলোই মানুষের সামগ্রিক বিকাশ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!