নির্ধারিত আয়ের মধ্যে ব্যয় সীমাবদ্ধ রাখাকে বাজেট বলে।
মাসিক আয়ের ওপর বাজেট নির্ভরশীল। যেকোনো কাজ যদি নিয়ম মাফিক না করা হয় তবে কাজগুলো সঠিক ও সুন্দরভাবে করা সম্ভব হয় না। তেমনি বাজেট করার সময় নিয়ম অনুযায়ী না করলে বাজেট যথার্থ ও কার্যকরী হবে না।
শক্তির যথাযথ ব্যবহারের ওপর পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ও মানসিক পরিতৃপ্তি নির্ভর করে।
শক্তিকে যথাযথভাবে ব্যবহার না করলে তা ক্ষয় হয়ে যায়। ফলে কাজে অনীহা, ক্লান্তি ও বিরক্তির সৃষ্টি হয়। উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শক্তি ব্যবহার করলে এর অপচয় রোধ করা যায়।
সুমনা শক্তির যথাযথ ব্যবহারের জন্য একটি কর্মতালিকা অনুসরণ করেন। কোন কাজে কেমন শক্তি ব্যবহার করতে হয়, কীভাবে সহজে কাজটা করা যায় তিনি সেদিকে লক্ষ রাখেন। বয়স, ব্যক্তিগত পছন্দ, আগ্রহ অনুযায়ী তিনি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কাজগুলো বণ্টন করে দেন। কাজের সময় তিনি দুই হাত ব্যবহার এবং সঠিক দেহভঙ্গি বজায় রেখে কাজ করেন। এর ফলে তার শক্তির অপচয় হয় না। ভারি কাজের পর সুমনা বিশ্রাম গ্রহণ অথবা হালকা কাজ করে থাকেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন রকম শ্রমলাঘব যন্ত্রপাতির ব্যবহার করে শক্তি সাশ্রয় করেন। যেমন- প্রেসার কুকার, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ইত্যাদি।
উপরিউক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে সুমনা শক্তির যথাযথ ব্যবহার করেন।
Related Question
View Allনির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট আয়ের ব্যয় ও সঞ্চয় করার পূর্ব পরিকল্পনা হচ্ছে বাজেট।
পারিবারিক জীবনযাপনের যেসব ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয় করতে হয়, সেগুলোই বাজেটের খাত হিসেবে পরিচিত। বাজেটের খাতগুলো সাজানো হয় পরিবারের প্রয়োজনের গুরুত্ব অনুসারে। প্রকৃত বাজেট প্রস্তুত করার সময় কোন কোন খাতে অর্থ ব্যয় করতে হবে সেগুলো স্থির করতে হয়।
তানজীল সাহেবের পরিবারের মাসিক মোট আয় ১০,০০০ টাকা এবং সদস্য সংখ্যা ৫ জন। তার পরিবারের জন্য একটি সুষম বাজেট তৈরি করা হলো-
তানজীল সাহেবের সংসারে বাজেট করার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমি মনে করি।
বাজেট হচ্ছে অর্থ ব্যয়ের পূর্ব পরিকল্পনা। বাজেট অনুযায়ী সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয় করলে মূল্যবান অর্থের অপচয় ঘটে না এবং চাহিদাগুলোও পূরণ হয়ে থাকে।
বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব বিভিন্ন দিক থেকে উপকৃত হবেন। তা হলো-
১. বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব পরিবারের আয় ও ব্যয় সম্বন্ধে ধারণা পাবেন।
২. বাজেট তার পরিবারের অপচয় রোধ করে সচ্ছলতা আনয়নে সাহায্য করবে।
৩. ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
৪. গুরুত্বপূর্ণ চাহিদাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পূরণ হবে।
৫. বাজেটের ফলে তার পরিবারের সদস্যরা মিতব্যয়ী হতে শিখবে। ফলে অপচয় হ্রাস পাবে।
৬. বাজেট করে অর্থ ব্যয় করলে সময় ও শক্তির সাশ্রয় হয়।
৭. বাজেট করে সংসার পরিচালনার ফলে সদস্যদের সকল চাহিদা পূরণ করে তাদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন।
সুতরাং বাজেট করার ফলে তানজীল সাহেব উল্লিখিত সুবিধাগুলো পাবেন। তাই তার বাজেট করার প্রয়োজনীয়তা আছে।
সময় কখনো সঞ্চয় করা যায় না।
পারিবারিক মানবীয় সম্পদগুলোর মধ্যে সময় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। যে ব্যক্তি যত বেশি অর্থবহ কর্মসূচি দিয়ে যথাযথভাবে নিজেকে সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারে জীবনে সে তত বেশি সফলতা অর্জন করতে পারে। সময়কে যথাযথ ব্যবহার করতে মানুষ ব্যক্তিগতভাবে, সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!