সুমনের একটি লেয়ার মুরগির খামার আছে যেখানে বাড়ন্ত মুরগি আছে ২০০টি এবং ১৬ সপ্তাহের বেশি বয়সের মুরগি আছে ৪৫০টি। সুমনের খামারের মুরগির ডিমের খোসা খুব পাতলা। এ কারণে বাজারজাত করার সময় প্রায়ই তার কিছু ডিম ভেঙ্গে গিয়ে ক্ষতি হয়।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যেসব সার কলকারখানায় বা কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করা হয় সেগুলোকে রাসায়নিক সার বলে।

উত্তরঃ

ফসলের সাথে বালাই শব্দটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বালাই বা কীট ফসলের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে ও ফলন অর্ধেকেরও বেশি কমিয়ে দেয়। বালাই থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফসলের ক্ষেতে বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের সুমনের লেয়ার মুরগির একটি খামার আছে।
তার খামারের জন্য প্রতিদিন ১ কেজি সম্পূরক খাদ্যের তালিকা নিম্নে
দেওয়া হলো-

উপাদান

পরিমাণ

শতকরা পরিমাপ

গম ভাঙা

৫০০ গ্রাম

৫০ ভাগ

গমের ভুসি

১০০ গ্রাম

১০ ভাগ

চালের কুঁড়া

১৬০ গ্রাম

১৬ ভাগ

শুঁটকি মাছের গুঁড়া

৯০ গ্রাম

৯ ভাগ

তিলের খৈল

১২০ গ্রাম

১২ ভাগ

ঝিনুকের গুঁড়া

২৫ গ্রাম

২.৫ ভাগ

লবণ

৫ গ্রাম

০.৫ ভাগ

মোট

১০০০ গ্রাম = ১ কেজি

১০০ ভাগ

অর্থাৎ খাদ্য উপাদানগুলো উল্লিখিত পরিমাণে মিশিয়ে সুমন তার মুরগির খামারের ১ কেজি সম্পূরক খাদ্য তৈরি করবে।

উত্তরঃ

জাউদ্দীপকে সুমনের খামারের মুরগির ডিম বাজারজাত করার সময় ভেঙে যায়।

খনিজ পদার্থযুক্ত খাদ্য উপাদান খামারের মুরগিগুলোকে সরবরাহ করার মাধ্যমে ডিম ভাঙা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। গৃহপালিত পাখির অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানের মধ্যে খনিজ পদার্থ অন্যতম। ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, দস্তা, লৌহ, ম্যাংগানিজ, কপার, কোবাল্ট ইত্যাদি হলো খনিজ পদার্থের উপাদান। মাংসের উচ্ছিষ্ট, শুঁটকি মাছের গুঁড়া, শামুক ও ঝিনুক চূর্ণ, লবণ, হাঁড়ের গুঁড়া ইত্যাদি খাদ্য উপাদানগুলো খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ। ডিম ভাঙা সমস্যার সমাধানে সুমনকে এসকল খাদ্য সঠিক পরিমাণে মুরগিকে খাওয়াতে হবে। দৈনিক খাদ্য তালিকায় খনিজ পদার্থের পরিমাণ স্বল্পমাত্রায় প্রয়োজন। কিন্তু এর পুরোপুরি অনুপস্থিতি খাদ্যের মানকে হ্রাস করে, ফলে মুরগি থেকে প্রাপ্ত মাংস ও ডিমের মান ভালো হয় না।
অতএব, মুরগিকে খনিজ পদার্থ যুক্ত খাবার প্রদানের মাধ্যমে ডিমের খোসা পুরু ও শক্ত হলে সুমন লাভবান হবে।

127

আমরা পূর্ববর্তী শ্রেণিতে জানতে পেরেছি মাটি হলো উদ্ভিদের অবলম্বন এবং সার হলো তার খাবার। আমরা কি জানি এ সারে কী কী উপাদান থাকে? সার হলো উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানগুলোর আধার। আর প্রাণীর ক্ষেত্রে শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ হলো পুষ্টি উপাদানের আধার। অন্যদিকে মাছ ও পশু-পাখির জন্য খাদ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে সম্পূরক খাদ্যের বিকল্প নেই। আবার জমিতে সার হিসেবে জৈব সারের কার্যকারিতা ও ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই জৈব সার তৈরি ও তার ব্যবহার জানা অত্যাবশ্যক।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • প্রাণী ও উদ্ভিদের পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মাছ ও পশু-পাখির সম্পূরক খাদ্য প্রস্তুত পদ্ধতি বর্ণনা করতে পারব;
  • সহজলভ্য উপকরণ (যেমন-বাসাবাড়ির বর্জ্য) ব্যবহার করে জৈব সার তৈরির পদ্ধতি ও এর ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব;
  • বালাইনাশক (জৈব ও অরাসায়নিক) ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বলতে বোঝায় যে উপাদানগুলোর অভাবে উদ্ভিদ সুষ্ঠুভাবে বাঁচতে পারে না এবং যথাযথভাবে শস্য উৎপাদন করতে পারে না (যেমন- নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ইত্যাদি)।

361
উত্তরঃ

পরিখা পদ্ধতিতে কম্পোস্ট তৈরির ক্ষেত্রে একটি পরিখা ফাঁকা রাখতে হয়, কারণ নিকটবর্তী পরিখার কম্পোস্ট পার্শ্ববর্তী পরিখাতে স্থানান্তর করে উলটপালট করা হয়। ফলে উপাদানগুলো দ্রুত পচে যায় ও অল্প সময়ে কম্পোস্ট তৈরি হয়ে যায়।

304
উত্তরঃ

কৃষক হাফিজের জমিতে ধানের চারায় আশানুরূপ হারে কুশি গজায়নি এবং জমিতে পোকামাকড়ও দেখা গিয়েছিল।

ধানের চারায় কুশি কম গজানোর কারণ হলো নাইট্রোজেন নামক পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি। কৃষক হাফিজ জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে এ সমস্যার সমাধান করতে পারতেন। সবুজ সার, কম্পোস্ট সার ইত্যাদি মাটিতে নাইট্রোজেন যোগ করে, যেগুলো কৃষক হাফিজ তার জমিতে ব্যবহার করতে পারতেন। ধানের পোকা দূর করার জন্য তিনি তামাক পাতার নির্যাস প্রয়োগ করতে পারতেন। জমিতে প্রেইং ম্যানটিড এর সংখ্যা বাড়ালে তা ক্ষতিকারক পোকা দমনে সহায়ক হতো। এছাড়া জমিতে গাছের ডাল বা বাঁশের কঞ্চি পুঁতে দিলেও সুফল পাওয়া যেত। অর্থাৎ, জৈব সার ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে হাফিজ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারতেন।

169
উত্তরঃ

হাফিজ দ্বিতীয় দফায় ফসলের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ ও রোগবালাই দমনে জৈব ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেন।

হাফিজ সার হিসেবে গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল - ইত্যাদি ব্যবহার করেন। তিনি জানেন এতে গাছের প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদানই আছে। এছাড়াও এসব সার মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়। ফলে মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়। জৈব পদার্থ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা, মাটির উর্বরতা, ফসলের ফলন, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি করে। জৈব সার ব্যবহারের পাশাপাশি তিনি কীটপতঙ্গ দমনের জন্য আলোক ফাঁদ এবং জমির বিভিন্ন জায়গায় ডালপালা পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করেন। জমিকে সবসময় আগাছামুক্ত রাখেন, যা পোকার আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। ফলে কীটপতঙ্গ দমন ব্যবস্থা হয় পরিবেশের কোনো ক্ষতি ছাড়াই।

অর্থাৎ, হাফিজের দ্বিতীয় দফায় গৃহীত জৈব ব্যবস্থাপনা শুধু পুষ্টি ঘাটতি - পূরণই নয় বরং রোগবালাই দমনেও সহায়ক ভূমিকা রেখেছে উক্তিটি যথার্থ।

191
উত্তরঃ

রাসায়নিক বালাইনাশক মাত্রই বিষ। এ জাতীয় বালাইনাশক প্রয়োগের ফলে তা উদ্ভিদের জীবনচক্রে ঢুকে ফলনকেও বিষাক্ত করে দিচ্ছে যা খেয়ে মানুষ মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশেরও চরম ক্ষতি হচ্ছে। তাই এ জাতীয় বালাইনাশককে নীরব ঘাতক বলা হয়।

294
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews