সুমনের তিন সপ্তাহ ধরে কাশি। মাঝে মধ্যে কাশির সাথে রক্ত আসে। রাকিব সুমনকে দেখতে গেলে তাদের বাগান থেকে ফুলের ঘ্রাণ নেয়। বাসায় এসে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় এবং ঠোট নীল হয়ে যায়। ডাক্তারের কাছে নিলে তিনি রাকিবকে এলার্জি জাতীয় জিনিস এড়িয়ে চলতে বললেন। 

Updated: 1 year ago
177

Related Question

View All
উত্তরঃ জীবজগতকে তাদের পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের ভিত্তিতে সুবিন্যস্তভাবে বিভিন্ন স্তরে বিন্যাস করার পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।
Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
412
উত্তরঃ

বাঘ স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে নিজেদের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না। খাদ্য গ্রহণ ও শক্তির জন্য তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য জীবের উপর নির্ভরশীল। যে সকল জীব অন্যের তৈরি খাদ্য গ্রহণ করে জীবনধারণ করে, তাদের হেটারোট্রফিক জীব বা পরভোজী জীব বলে।

বাঘ যেহেতু তৃণভোজী প্রাণীদের (যেমন - হরিণ, মহিষ ইত্যাদি) শিকার করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে খাদ্য গ্রহণ করে, তাই তারা পরভোজী বা হেটারোট্রফিক জীব। খাদ্যশৃঙ্খলে বাঘ একটি মাংসাশী প্রাণী এবং দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্তরের খাদক হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
516
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'P' দ্বারা আমের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica নির্দেশ করা হয়েছে। জীবের এই বৈজ্ঞানিক নাম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দ্বিপদ নামকরণের নীতিমালা অনুসরণ করে নামকরণ করা হয়েছে।

দ্বিপদ নামকরণ হলো জীবের এমন একটি বৈজ্ঞানিক নাম পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি জীবের দুটি অংশ নিয়ে একটি নাম থাকে। সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস এই নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। এই নীতি অনুযায়ী, জীবের বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশটি গণ (Genus) এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি (Species) নির্দেশ করে। এই নামগুলো সাধারণত ল্যাটিন ভাষায় বা ল্যাটিনায়ন করা হয়।

উদ্দীপকের Mangifera indica নামটি দ্বিপদ নামকরণের সকল নীতিমালা মেনে চলে। এখানে 'Mangifera' গণ এবং 'indica' প্রজাতিকে নির্দেশ করে। লেখার সময় গণের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হয় এবং প্রজাতির প্রথম অক্ষর ছোট হাতের হয়। মুদ্রণের সময় বৈজ্ঞানিক নামগুলো বাঁকা অক্ষরে (ইটালিক) লেখা হয় এবং হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতি আলাদাভাবে দাগ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। এই সুনির্দিষ্ট নীতিমালার কারণেই Mangifera indica একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক নাম।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
346
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'Q' জীবটি হলো অ্যামিবা (Amoeba), যা প্রোটোজোয়া (Protozoa) পর্বের একটি সরল এককোষী প্রাণী। অন্যদিকে 'R' জীবটি হলো একটি ছত্রাক (Fungus), যা রাইজোপাস (Rhizopus) বা অ্যাসপারজিলিয়াস (Aspergillus)-এর মতো ছত্রাকের স্পোরাঞ্জিয়াম বা কনিডিওফোর সদৃশ, যা সাধারণত বহুকোষী হয় (ইস্ট ব্যতিক্রম)।

অ্যামিবা (Q) এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:

        
  • এটি একটি এককোষী জীব এবং এর দেহের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই।
  •     
  • এটি সিউডোপোডিয়া (Pseudopodia) বা ছদ্মপাদের সাহায্যে চলাচল ও খাদ্য গ্রহণ করে।
  •     
  • এর পুষ্টি প্রক্রিয়া হলো হলোজোয়িক (Holozoic)।
  •     
  • এটি সাধারণত দ্বি-বিভাজন (Binary fission) প্রক্রিয়ায় বংশবিস্তার করে।
  •     
  • এর দেহে কোষপ্রাচীর থাকে না।

অন্যদিকে, ছত্রাক (R) এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:

        
  • অধিকাংশ ছত্রাক বহুকোষী এবং তাদের দেহ হাইফা (Hypha) নামক সরু সুতার মতো অংশ দিয়ে গঠিত, যা একত্রিত হয়ে মাইসেলিয়াম (Mycelium) গঠন করে।
  •     
  • এদের কোষে কাইটিন (Chitin) দ্বারা গঠিত কোষপ্রাচীর থাকে।
  •     
  • এরা ক্লোরোফিলবিহীন পরভোজী (Heterotrophic) জীব, সাধারণত মৃত বা পচনশীল বস্তুর উপর নির্ভরশীল (মৃতজীবী বা স্যাপ্রোফাইটিক)।
  •     
  • এরা সাধারণত স্পোর (Spore) সৃষ্টির মাধ্যমে অযৌন ও যৌন জনন সম্পন্ন করে।
  •     
  • এদের চলন শক্তি নেই।

অ্যামিবা ও ছত্রাকের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, 'R' জীবটি অর্থাৎ ছত্রাক 'Q' জীবটি অর্থাৎ অ্যামিবা অপেক্ষা অধিক উন্নত। অ্যামিবা একটি সরল এককোষী জীব, যার জীবন প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে কম জটিল। এর কোষে কোনো স্থায়ী অঙ্গাণু বা সুনির্দিষ্ট টিস্যু বিন্যাস নেই। পক্ষান্তরে, অধিকাংশ ছত্রাক বহুকোষী এবং তাদের দেহে হাইফার সমন্বয়ে মাইসেলিয়ামের মতো একটি জটিল কাঠামো বিদ্যমান। যদিও ছত্রাকের দেহে প্রকৃত টিস্যু বা অঙ্গ দেখা যায় না, তবে এদের পুষ্টির কৌশল এবং বংশবিস্তারের জন্য স্পোর উৎপাদনকারী বিশেষায়িত কাঠামো (যেমন স্পোরাঞ্জিয়াম বা কনিডিওফোর) অ্যামিবার সরল দ্বি-বিভাজন পদ্ধতির চেয়ে বেশি জটিল ও সুসংগঠিত। ছত্রাকের কোষপ্রাচীর ও মাইসেলিয়াম গঠন জীবদেহে একটি নির্দিষ্ট স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা প্রদান করে, যা এককোষী অ্যামিবার নেই। এই কারণে, জীবের ক্রমবিকাশের ধারায় ছত্রাককে অ্যামিবা অপেক্ষা অধিক উন্নত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
337
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews