সুমনের দেশে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক বা স্থানীয় সরকারের মধ্যে ক্ষমতার কোনো বণ্টন নেই। সেখানে সকল ক্ষমতা সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রের হাতে ন্যস্ত। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

এরিস্টটলের মতে সরকারের বিকৃত রূপ হচ্ছে স্বৈরতন্ত্র, ধনিকতন্ত্র বা কুলীনতন্ত্র এবং গণতন্ত্র বা জনতাতন্ত্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

আইনসভা যখন দুটি পরিষদ নিয়ে গঠিত হয় তখন তাকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বলে। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার একটি নিম্নকক্ষ এবং অন্যটি উচ্চকক্ষ নামে অভিহিত। উভয় কক্ষের সদস্যসংখ্যা কত হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। তবে নিম্নকক্ষের সদস্যরা সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন। আর উচ্চকক্ষের সদস্যরা বিভিন্নভাবে উচ্চকক্ষে আসেন। যেমন- ১. উত্তরাধিকারসূত্রে, ২. মনোনয়নের মাধ্যমে, ৩. প্রত্যক্ষ, নির্বাচনের মাধ্যমে এবং ৪. পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নির্দেশিত সরকার হলো এককেন্দ্রিক সরকার। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় গোটা দেশ একটি কেন্দ্র থেকে শাসিত হয় বিধায় এ ব্যবস্থাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। পৃথিবীর অনেক দেশে এ ধরনের সরকারব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। এ ধরনের সরকারের কতিপয় সুবিধা ও অসুবিধা পরিলক্ষিত হয়। এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা নমনীয়। কেননা কেন্দ্রীয় সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। আবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা এক কেন্দ্র থেকে পরিচালিত হয় বিধায় বলিষ্ঠ ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। অপেক্ষাকৃত ছোট বা ক্ষুদ্র রাষ্ট্রে এ শাসনব্যবস্থা উপযোগী। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, সুষ্ঠু শাসনের নিশ্চয়তা, জাতীয় সংহতি ও সহজ সরল গঠনপ্রকৃতি হলো এককেন্দ্রিক সরকারের গুণ। অন্যদিকে এ সরকারের কিছু অসুবিধা বা ত্রুটিও রয়েছে। স্বায়ত্ত শাসনবিরোধী, স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা, আমলাদের দৌরাত্ম্য, আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থতা, স্থানীয় নেতৃত্বের বিকাশ না ঘটা, সমস্যা সমাধানে অসুবিধা, বৃহৎ রাষ্ট্রের জন্য অনুপযোগী কেন্দ্রের কাজের চাপ বৃদ্ধি, বিপ্লবের সম্ভাবনা প্রভৃতি অসুবিধা এ সরকারে লক্ষ করা যায়। অতএব বলা যায়, সুমনের দেশে বিদ্যমান থাকা এককেন্দ্রিক সরকারের উপরিউক্ত সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তুলতে এককেন্দ্রিক সরকার মোটেও সহায়ক নয় বলে আমি মনে করি। কেননা এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রে স্থানীয় পর্যায়ে বা আঞ্চলিক পর্যায়ে রাজনৈতিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ অনেকটা সীমিত। ফলে স্থানীয় বা আঞ্চলিক পর্যায়ে জনগণের মধ্যে নেতৃত্ব বিকশিত হয় না। এ ধরনের সরকারের সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। এখানে প্রাদেশিক সরকার অঙ্গরাজ্য সরকার থাকতে পারে, কিন্তু এ সরকারগুলো কোনো স্বাধীন ক্ষমতা ভোগ করে না। ফলে নতুন নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হয় না। সমাজ ও রাষ্ট্রকে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছানোই নেতৃত্বের মূল লক্ষ্য। সুযোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া কোনো জাতি বা রাষ্ট্র অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারে না। কিন্তু এককেন্দ্রিক সরকারে আঞ্চলিক ও স্থানীয় সংস্থাসমূহ কেবল কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা পেয়ে থাকে, যে ক্ষমতার পরিবর্তন ও অপসারণ কেন্দ্রীয় সরকারের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। ফলে তৃণমূলে সেভাবে নেতৃত্ব সৃষ্টি হয় না। উদ্দীপকে সুমনের দেশে যেহেতু এককেন্দ্রিক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে তাই এখানে স্থানীয় নেতৃত্ব গড়ে তোলা যায় না। পরিশেষে আমি মনে করি এককেন্দ্রিক সরকারব্যবস্থা স্থানীয় নেতৃত্ব গঠনে সহায়ক নয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
50
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিচার বিভাগ জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করে। কিন্তু যদি এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তবে অনেক ক্ষেত্রেই নিরপেক্ষভাবে কাজ সম্পন্ন করতে পারে না। বিচার বিভাগকে অনেক সময় সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিতে হয়। সরকারের অন্য কোনো বিভাগের অধীনে থেকে কাজ করলে সব সময় সরকারের বিরুদ্ধে যাওয়া সম্ভব হয় না। এজন্য ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিচার বিভাগকে স্বাধীন রাখতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
210
উত্তরঃ

A চিহ্নিত সংস্থাটি আইন প্রণয়নকারী সংস্থা বা আইনসভা।
রাষ্ট্রের তিনটি মৌলিক অঙ্গের মধ্যে আইনসভা বা আইন বিভাগ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থাতে আইনবিভাগের গুরুত্ব ও ভূমিকা অনেক বেশি। আইন বিভাগের প্রধান কাজ হলো আইন প্রণয়ন করা। সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় আইনসভা শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট তাদের কাজের জন্য দায়ী থাকে। আইনসভা এখানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল অংশের কাজ করে। জনপ্রতিনিধিরা আইনসভায় জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেন। আইন প্রণয়ন ছাড়াও সংবিধান প্রণয়ন, সংশোধন, আলোচনা, বিতর্ক, জনমত গঠন, আর্থিক বিবৃতি প্রণয়ন, তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিচারসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ, সমালোচনামূলক কাজ ইত্যাদি করে থাকে। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
192
উত্তরঃ

সরকারের তিনটি মৌলিক বিভাগের মধ্যে কাজ সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা আইন বিভাগের কাজ। আইন অনুসারে দেশ পরিচালনা করা শাসন বিভাগের কাজ এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা বিচার বিভাগের কাজ।

উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B-তে যথাক্রমে আইন ও শাসন বিভাগের কথা বলা হয়েছে। একটি দেশ পরিচালনা তথা নিয়ন্ত্রণের মূল দায়িত্বে থাকে এই দুটি বিভাগ। একটি দেশের শাসন বিভাগ ব্যাপক অর্থে রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে গ্রামের চৌকিদার পর্যন্ত বিস্তৃত কর্মী বাহিনী নিয়ে গঠিত। শাসনকার্য পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, দেশরক্ষা, দেশের উন্নয়নমূলক কার্যাবলি পরিচালনা সবই শাসন বিভাগের হাতে ন্যস্ত। শাসন বিভাগ এসব কার্যাবলি সম্পন্ন করে আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে।

শাসন বিভাগ তাদের কাজের জন্য আইন বিভাগের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। শাসন বিভাগের কার্যাবলিকে বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে আইন বিভাগ। অন্যদিকে বিচার বিভাগ ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিচার করে থাকে। কিন্তু বিচার বিভাগের রায়কে বাস্তবায়ন করার দায়িত্বও থাকে শাসন বিভাগের হাতে। আবার বিচার বিভাগের প্রদত্ত রায় বা শাস্তিকে মওকুফ বা মার্জনার ক্ষমতা শাসন বিভাগের হাতে আছে। এ দিক থেকে দেখা যায়, রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগ মূল নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় থাকে। শাসন বিভাগের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়লে একটি রাষ্ট্র বিপন্ন হতে বাধ্য। আবার আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে শাসন বিভাগ বেপরোয়া হয়ে যেতে পারে।

এদিক থেকে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক, নিয়ন্ত্রক এবং সমন্বয় সাধনকারী। রাষ্ট্র পরিচালনায় এই দুটি বিভাগের ভূমিকাও অনেকটা তত্ত্বাবধায়কের ন্যায়। তাই আমি মনে করি, একটি রাষ্ট্র উদ্দীপকে চিহ্নিত A এবং B দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
189
উত্তরঃ

ব্রিটেনের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম হাউস অব লর্ডস এবং নিম্নকক্ষের নাম হাউস অব কমন্স।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
302
উত্তরঃ

সরকারের যে বিভাগ আইনসভা প্রণীত আইন অনুসারে রাষ্ট্রীয় শাসনকার্য পরিচালনা করে, তাকে শাসন বিভাগ বলে। অর্থাৎ আইন বিভাগ প্রণীত আইন অনুসারে যে বিভাগ দেশ শাসন বা পরিচালনা করে থাকে, তাই শাসন বিভাগ। সংকীর্ণ অর্থে শাসন বিভাগ হলো প্রজাতন্ত্রের নীতি ও কার্যক্রম নির্ধারণের দায়িত্ব প্রাপ্ত অংশ যেমন- প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রীবর্গ, আমলারা। আর ব্যাপক অর্থে আইন ও বিচার বিভাগ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের সকল অংশীজন শাসন বিভাগের আওতাভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews