সুমন বললো, "জীবজগতে মানুষই কেবল নিজের বুদ্ধি দিয়ে চাঁদকে জয় করেছে, এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছেছে, উড়োজাহাজ আবিষ্কার করেছে।” স্বপন বললো, "মানুষ আগে কাপড় হিসেবে গাছপালার ছাল ও পাতা ব্যবহার করত, কিন্তু এখন মানুষ বিভিন্ন ডিজাইনের কাপড় তৈরি করে সভ্য হয়েছে।” মানুষের ব্যাখ্যায় রতন বললো, "মানুষ হলো তারাই যাদের দুটি হাত ও পা রয়েছে।"

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

কোনো পদের উপলক্ষণ বা অবান্তর লক্ষণ অথবা জাত্যর্থের অংশবিশেষ ইত্যাদি একসাথে মিশিয়ে উল্লেখ করাকে বলা হয় বর্ণনা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞায় মৌলিক গুণের পূর্ণ উল্লেখ করা হয়। যৌক্তিক সংজ্ঞার প্রথম নিয়ম হচ্ছে, যে পদের সংজ্ঞা দিতে হবে সে পদের জাত্যর্থের পূর্ণ উল্লেখ করতে হবে। এর বেশি জাত্যর্থ উল্লেখ করা যাবে না, আবার কম জাত্যর্থও উল্লেখ করা যাবে না। যেমন : মানুষ পদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলতে হবে, 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।' এখানে 'মানুষ' পদের জাত্যর্থ বা মৌলিক গুণ দুটি- 'বুদ্ধিবৃত্তি' ও 'জীববৃত্তি'কে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে আবশ্যক দুটি গুণকে উল্লেখ করা হয়েছে এবং অনাবশ্যক গুণকে বর্জন করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সুমন বললো, “জীবজগতে মানুষই কেবল নিজের বুদ্ধি দিয়ে চাঁদকে জয় করেছে, এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছেছে, উড়োজাহাজ আবিষ্কার করেছে।” সুমনের এই বক্তব্যে যৌক্তিক সংজ্ঞার প্রথম নিয়মটির প্রতিফলন ঘটেছে।

যৌক্তিক সংজ্ঞার প্রথম নিয়ম হলো- 'যে পদের সংজ্ঞা দিতে হবে, সেই পদের জাত্যর্থের পূর্ণ উল্লেখ করতে হবে। এর বেশি জাত্যর্থ উল্লেখ করা যাবে না, আবার কম জাত্যর্থও উল্লেখ করা যাবে না, উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, মানুষ পদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলতে হবে, 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব।' এখানে 'মানুষ' পদের জাত্যর্থ বা মৌলিক গুণ দুটি- 'বুদ্ধিবৃত্তি' ও 'জীববৃত্তি'কে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ এখানে আবশ্যক দুটি গুণকে উল্লেখ করা হয়েছে এবং অনাবশ্যক গুণকে বর্জন করা হয়েছে। একইভাবে উদ্দীপকে মানুষ পদের জাত্যর্থ বা মৌলিক গুণ 'জীববৃত্তি' ও 'বুদ্ধিবৃত্তি'কে উল্লেখ করা হয়েছে। চাঁদকে জয় করা, এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছা এবং উড়োজাহাজ আবিষ্কার করা বুদ্ধিবৃত্তিরই বহিঃপ্রকাশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্বপন বললো, “মানুষ আগে কাপড় হিসেবে গাছপালার ছাল ও পাতা ব্যবহার করত, কিন্তু এখন মানুষ বিভিন্ন ডিজাইনের কাপড় তৈরি করে সভ্য হয়েছে।” এতে যৌক্তিক সংজ্ঞার 'বাহুল্য সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি' ঘটেছে। কোনো পদের সংজ্ঞায় যদি জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণের উল্লেখ করা হয় এবং সেই অতিরিক্ত গুণটি যদি উপলক্ষণ হয়, তাহলে 'বাহুল্য সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি' ঘটবে। যেমন: 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন এমন জীব যে ভালো-মন্দ বিচার করতে পারে।' এখানে 'ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা'- এ অতিরিক্ত গুণটি উপলক্ষণ হওয়ায় বাহুল্য সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে।

অনুরূপ স্বপনের বক্তব্যে 'সভ্য হয়েছে' অতিরিক্ত গুণটি উপলক্ষণ হওয়ায় এতে বাহুল্য সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। অপর পক্ষে উদ্দীপকে রতন মানুষের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছে, "মানুষ হলো তারাই যাদের দুটি হাত ও পা রয়েছে।” এখানে অবান্তর লক্ষণজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। সংজ্ঞায় যদি জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণের উল্লেখ করা হয় এবং সে অতিরিক্ত গুণটি যদি 'অবান্তর লক্ষণ' হয়, তবে সেক্ষেত্রে 'অবান্তর লক্ষণজনিত অনুপপত্তি ঘটে'। যেমন: 'সব মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন দ্বিপদ প্রাণি'- এই যুক্তিবাক্যে 'দ্বিপদ' শব্দটি মানুষ পদের অতিরিক্ত অবান্তর গুণ। এই গুণটি অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। 'মানুষ' পদ থেকে এই অতিরিক্ত অবান্তর লক্ষণ গুণটি বিচ্ছেদ করা যায় না। এক্ষেত্রে সংজ্ঞাটিতে অবান্তর লক্ষণজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে। অনুরূপ উদ্দীপকের 'দুটি হাত ও পা' মানুষ পদের অতিরিক্ত অবান্তর গুণ। তাই বক্তব্যটিতে অবান্তর লক্ষণজনিত অনুপপত্তি ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
180

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেকোনো পদের অর্থকে সুনির্দিষ্ট ও যথার্থভাবে উপস্থাপন করার মাধ্যমে বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ধারণাকে নির্ভুল ও সুস্পষ্ট করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে সংজ্ঞা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.4k
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হলো পদের তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে, শব্দ বা পদকে তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা। কোনো শব্দ বা পদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে ঐ শব্দ বা পদ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও অর্থপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়, যাকে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায়ন বলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন পদার্থবিজ্ঞানীরা গতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, গতি হচ্ছে ভর এবং ত্বরণের ফল, তখন সংজ্ঞাটি হয়তো শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করে না বা কোনো শব্দের দ্ব্যর্থকতা অপসারণ করে না। তবে এ সংজ্ঞার মাধ্যমে গতি শব্দটি নিউটনের বলবিদ্যার প্রকাশিত রূপ হিসেবে অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
687
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সংজ্ঞার নিয়ম কানুন বলতে সংজ্ঞার যে নিয়মাবলিকে বোঝানো হয়েছে তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো- 

প্রথম নিয়ম : কোন পদের সংজ্ঞা দিতে হলে সেই পদটির সম্পূর্ণ জাত্যর্থকে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে, জাত্যর্থের অতিরিক্ত কিংবা জাত্যর্থের অংশমাত্র উল্লেখ করা চলবেনা। অর্থাৎ, এ নিয়ম অনুসারে কোনো পদের সংজ্ঞা দেওয়ার সময় শুধু নিকট জাতি ও বিভেদক লক্ষণের উল্লেখ করতে হবে, এর বেশিও নয় কমও নয়।

দ্বিতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে সে পদের ব্যক্তর্থ সংজ্ঞা বর্ণিত পদের ব্যক্তর্থের সমান হতে হবে, কম বা বেশি হলে চলবেনা। যেমন: মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী; এখানে মানুষ। এর ব্যক্তর্থ এবং বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণীর ব্যক্তর্থ এক ও অভিন্ন।

তৃতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞায় সেই একই পদ বা সেই পদের সমার্থক কোনো শব্দের উল্লেখ করা যাবে না। যেমন: 'বিচারক' হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিচার করেন, এক্ষেত্রে বিচারক। এর সমার্থক শব্দ 'যিনি বিচার করেন।'

চতুর্থ নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞাটি সেই অপেক্ষা স্পষ্ট ও সহজবোধ্য হতে হবে এবং সংজ্ঞাটি কিছুতেই কোনো রূপকের মাধ্যমে বা দুর্বোধ্য ভাষায় ব্যক্ত করা যাবে না। অর্থাৎ পদের অর্থকে সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল করে তুলতে হবে যেক্ষেত্রে রূপক বা অলংকারিক শব্দ কিংবা দুর্বোধ্য ভাষার ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পঞ্চম নিয়ম: সর্বক্ষেত্রে পদের সংজ্ঞা সদখৃক বা ইতিবাচক হতে হবে কোনাক্রমেই নঞর্থক বা নেতিবাচক হতে পারবেনা। কারণ নৈতিকবাচক সংজ্ঞায় পদটি কী নর- তাই শুধু বলা হয়।

উপর্যুক্ত নিয়ম কানুনগুলো মেনে সংজ্ঞা দিলে তা হবে সুস্পষ্ট, সহজ এবং যথার্থ। তাই সংজ্ঞা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো আমাদের অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
422
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে কতিপয় নিয়ম পালন করতে হয়, যেগুলোর যথার্থ ও সঠিক প্রয়োগে সংজ্ঞা শুদ্ধ হয়। আবার এই নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ বা লঙ্ঘনে সংজ্ঞা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে বিভিন্ন অনুপপত্তি সংঘটিত করে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো পদের সংজ্ঞায় জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণের উল্লেখ করা হলে এবং এই অতিরিক্ত গুণটি যদি সংশ্লিষ্ট পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হয়, তাহলে প্রদত্ত সংজ্ঞাটিতে আপতিক বা অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটবে; যেমন: 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন দ্বিপদ জীব।' এখানে 'দ্বিপদ' গুণটি হচ্ছে মানুষ পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ, যা মানুষের সংজ্ঞায় অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হওয়ায় সংজ্ঞাটিতে অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটেছে। বস্তুত 'অবিচ্ছেদ্য' হচ্ছে এমন বিষয়, যা একটি শ্রেণির সকলের মধ্যেই সমানভাবে বিদ্যমান থাকে। আর 'অবান্তর লক্ষণ' হচ্ছে এমন গুণ, যা সেই শ্রেণির জন্য অপরিহার্য নয়। এরূপ গুণ সংজ্ঞায় ব্যবহৃত হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হতে বাধ্য; যেমন: উপরের দৃষ্টান্ত অনুসারে মানুষের জন্য তার দুই পা থাকা অপরিহার্য নয়। কারণ দুই পা না থাকলে মানুষকে মানুষ বলা যাবে না, এমন নয়। অর্থাৎ পা ছাড়াও মানুষ মানুষ হিসেবে পরিচিত হতে পারে। কাজেই সংজ্ঞায় দ্বিপদ গুণের সংযুক্তি একটি অবান্তর বিষয়মাত্র। অতএব বলা যায়, সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুনগুলো যেমন প্রয়োজন, তেমনি এ নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ এড়িয়ে সংজ্ঞাকে অনুপপত্তির আশঙ্কামুক্ত করাও অপরিহার্য। তা না হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হয়, যা থেকে উদ্ভদ্ধ ঘটে অনুপপত্তির।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
393
উত্তরঃ

সংজ্ঞার উপাদান দুটি- সংজ্ঞেয় ও সংজ্ঞার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
490
উত্তরঃ

কোনো পদের সংজ্ঞায় স্বাধীনভাবে একটি নতুন শব্দ ব্যবহার করে ইচ্ছানুযায়ী ঐ শব্দের অর্থ প্রদান করাকে আরোপক সংজ্ঞা বলে। এরূপ সংজ্ঞায় যেকোনো ব্যক্তি তার পছন্দ অনুযায়ী নতুন শব্দ আরোপ করে স্বাধীনভাবে ঐ শব্দের অর্থ নির্ধারণ করতে পারেন। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির উদ্দেশ্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শব্দের অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে। বস্তুত আরোপক সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সত্যতা বা মিথ্যাত্ব আরোপ করা যায় না। এ জন্য এ ধরনের সংজ্ঞাকে তথ্যমূলক নয়, বরং নির্দেশনী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
359
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews