সুমন শীত মৌসুমে যশোর থেকে ঢাকা যাওয়ার সময় সাভার এলাকায় পৌঁছানোর পর দেখল প্রচুর ইটভাটা। তা থেকে কালো ধোঁয়া কুন্ডলী পাকিয়ে আকাশের দিকে যাচ্ছে। সেখানকার পরিবেশ যেন একটু অন্য রকম। অত্যন্ত গভীরভাবে উপলব্ধি করল কিছুটা এলাকায় যেন শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

কোনো কারণে পরিবেশ তার স্বাভাবিকতা হারায় বা পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের কাঙ্ক্ষিত মাত্রা বিনষ্ট হয় এবং জীবজগতের জন্য অস্বস্তিকর ও অসহনীয় হয়ে ওঠে। এ অবস্থাকে দূষণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

বায়োম হলো পরিবেশ প্রণালির মধ্যে বৃহত্তম একক। উদ্ভিদ, প্রাণিজগৎ, মাটি ও জলবায়ুর সাথে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে যে বাস্তুতান্ত্রিক বা ইকোসিস্টেম একক গড়ে ওঠে তাকে বায়োম বলে।
যেকোনো অঞ্চলের জলবায়ুর প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে সে অঞ্চলে বসবাসকারী জীবকুল ও উদ্ভিদকূলের প্রজাতি বিন্যাসের ধরন। একটি নির্দিষ্ট বায়োম অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত সব ধরনের জীবকুল ও উদ্ভিদকুলের অভিযোজন নির্ভর করে সে অঞ্চলের জলবায়ু বিশেষ করে বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ওপর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সুমনের শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল বায়ু দূষণজনিত কারণে।
উদ্দীপকে সুমন যশোর থেকে ঢাকা যাওয়ার সময় সাভার এলাকায় প্রচুর ইটভাটা দেখতে পেল এবং লক্ষ করল ঐ স্থানে তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। এটি মূলত বায়ুদূষণের কারণে হয়েছে। ইটের ভাটায় যে জ্বালানি ব্যবহার করা হয় তা থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসরণ হয়। এগুলো অতিরিক্ত নিঃসরণের কারণে বায়ু দূষিত হয়। এ অতিরিক্ত দূষিত বায়ু গ্রহণ করার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত নানা রকম সমস্যা হয়।
বায়ুদূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ দূষণ সৃষ্টিতে CO2গ্যাস প্রধান দূষক হিসেবে কাজ করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সুমনের বায়ু দূষণজনিত কারণে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সাভার এলাকায় যে দূষণ হয় তা মূলত বায়ুদূষণ। এটি বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। নিচে এ সম্বন্ধে আলোচনা করা হলো-
সাভার এলাকায় প্রচুর ইটভাটা গড়ে উঠেছে। উক্ত ইটভাটায় জালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় কয়লা। এগুলো পুড়িয়ে যে গ্যাস পাওয়া যায় তা হচ্ছে কার্বন ডাইঅক্সাইড। এ গ্যাস বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে। এ দূষিত বায়ু শ্বাস-প্রশ্বাসে ব্যাঘাত ঘটায়।
অন্যদিকে এ অঞ্চলে অনেক পোশাক শিল্প গড়ে উঠেছে। উক্ত শিল্প থেকে প্রচুর পরিমাণ দূষিত গ্যাস বের হয় যা বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করছে। উক্ত দূষিত বায়ু গ্রহণ করার ফলে অনেক ধরনের শ্বাস প্রশ্বাসজনিত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া এ অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলে। এ যানবাহন থেকে বিভিন্ন ধরনের দূষিত গ্যাস বের হচ্ছে যা বায়ুকে দূষিত করে।
সুতরাং বলা যায় যে, সাভার এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ, ইটভাটা, অপরিকল্পিত শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় এ অঞ্চলের বায়ু মারাত্মকভাবে দূষিত করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
48

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রের এক বা একাধিক উপাদানের কোনো ধরনের নেতিবাচক পরিবর্তনকে দূষণ বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
116
উত্তরঃ

প্রকৃতির কার্বন যে প্রক্রিয়ায় CO2 গ্যাসরূপে পরিবেশ থেকে জীবদেহে এবং জীবদেহ থেকে পরিবেশে আবর্তিত হয়ে প্রকৃতিতে কার্বনের সমতা বজায় রাখে তাই কার্বনচক্র।

যেমন- উদ্ভিজ্জাত পদার্থ (কাঠ, কয়লা, পেট্রোল ইত্যাদি) দহন ক্রিয়ায় কার্বন যৌগ ভেসে CO₂ গ্যাস নির্গত হয়ে বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়। C6H12O6 + 602 + C6H2O6CO2+ 12H2O

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
121
উত্তরঃ

' অঞ্চলে বিশেষ ধরনের যে বনভূমি সৃষ্টি হয়েছে, তা হলো সুন্দরবন বা স্রোতজ বনভূমি।

সুন্দরবন সৃষ্টির প্রধান কারণ লবণাক্ততা। বালি ও কাদার বিভিন্ন স্তরে গঠিত নদী বাহিত উর্বর পলল মৃত্তিকা, সমুদ্রের জোয়ার ভাটা ও লোনাপানি, পরিমিত উত্তাপ, প্রচুর বৃষ্টিপাত, বিরল জনবসতি প্রভৃতির প্রভাবে এ বনভূমি গড়ে উঠেছে। সুন্দরবনের উত্তরাংশ মৃদু লবণাক্ত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত এবং এই অঞ্চল মিঠাপানি ও লবণাক্ত পানির মিলিত স্থান পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রতিবছর নদীবাহিত পলি এসে জমা হয় বলে এখানে লবণাক্ততা কম। এ এলাকার প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী।
সমুদ্র তীর ও নদীর মোহনা নিয়ে মধ্যম লবণাক্ত অঞ্চল গঠিত। এখানকার পানির লবণাক্ততা পরিমিত তবে বর্ষাকালে লবণাক্ততা কিছুটা কমে যায়। এ এলাকার প্রধান উদ্ভিদ সুন্দরী ও গেওয়া।
সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা নিয়ে অধিক লবণাক্ত অঞ্চল গঠিত। সারাবছর চরম লবণাক্ত অবস্থা বিরাজমান থাকায় এটি অন্য দুটি অঞ্চলের ন্যায় উদ্ভিদ সমৃদ্ধ নয়। এ এলাকায় যেসব উদ্ভিদ জন্মায় তাদের মধ্যে গেওয়া, বাইন, গরান ইত্যাদি অন্যতম। এভাবে লবণাক্ততার তারতম্যের কারণে সুন্দরবনের বনভূমি সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
154
উত্তরঃ

'উদ্দীপকে 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত অঞ্চলের বনভূমিন্বয় হলো যথাক্রমে কান্তীয় চিরহরিৎ ও পতনশীল পত্রমুক্ত বৃক্ষের বনভূমি এবং স্রোতজ বনভূমি। নিচে এ দুই ধরনের বনভূমিতে উদ্ভিদের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরা হলো।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকের পাহাড়িয়া এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলব্যাপী ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি অবস্থিত। চিরহরিৎ বৃক্ষের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর, ময়না প্রভৃতি প্রধান। পতনশীল পত্রযুক্ত (বা পর্ণমোচী) বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার, কড়ই, সেগুন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এ বনভূমির বৃক্ষসমূহ অর্থনৈতিকভাবেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কাগজ শিল্পের প্রধান কাঁচামাল এ বন থেকে পাওয়া যায়, গর্জন ও জাবুল রেলওয়ের স্লিপার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এ বন থেকে সংগ্রহীত বেত দিয়ে চেয়ার টেবিল, শীতল পাটি, চাটাই মাদুর প্রভৃতি তৈরি হয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে সমুদ্র উপকূলের লবণাক্ত ও জোয়ার ভাটাপূর্ণ জৈবনিকভাবে শুষ্ক নিবাসের উদ্ভিজ্জকে গরান বা স্রোতজ বনভূমি বলা হয়। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান স্রোতজ বৃক্ষের বনভূমি। এ অঞ্চল উদ্ভিদকুলে সমৃদ্ধ এবং সুন্দরি, গরান ও ভেন্না প্রধান বৃক্ষ। তাছাড়া গেওয়া, ধুন্দল, পসুর, কেওড়া, ওড়া, আমুর ও গোলপাতা প্রভৃতি বৃক্ষও প্রচুর জন্মে। সমুদ্র তীরের অতি নিকটে এ বনে গেওয়া, সুন্দরি এবং গরান বৃক্ষসহ বিভিন্ন গাছ জন্মে। পেন্সিল তৈরিতে ধূন্দন ব্যবহৃত হয়। গোলপাতা ঘরের চালের ছাউনির কাজে ব্যবহৃত হয়, সুন্দরী বৃক্ষ বৈদ্যুতিক খুটি গৃহ নির্মাণ, নৌকা নির্মাণ প্রভৃতি কাজে ব্যবহৃত হয়। গেওয়া কাঠ নিউজপিন্ট কাগজ ও দিয়াশলাই তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' চিহ্নিত বনভূমির মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
133
উত্তরঃ

উদ্ভিদ, প্রাণিজগৎ, মাটি ও জলবায়ুর সাথে পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে যে বাস্ততান্ত্রিক একক গড়ে উঠে তাকে বায়োম বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
167
উত্তরঃ

কোনো স্থানের উদ্ভিদ, প্রাণী এবং এদের জড় পরিবেশ নিজেদের মধ্যে এবং পরস্পরের মধ্যে ক্রিয়া-বিক্রিয়া করে অবস্থান করার কারণে এদের গঠন ও কার্যের বিভিন্ন পরিবর্তন সাধিত হয়ে থাকে। এভাবে কোনো স্থানে জীব ও এদের জড় পরিবেশ নিজেদের মধ্যে এবং পরস্পরের মধ্যে ক্রিয়া-বিক্রিয়ার গতিময় পদ্ধতিই হলো ইকোসিস্টেম বা পরিবেশতন্ত্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
123
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews