সুমন সাহেব একটি গার্মেন্টস শিল্পের মালিক। তার তিন ছেলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপন ও পরিচালনা করছে। এসব কারখানায় বহু লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু দেশে অবকাঠামোগত সুবিধা কম থাকায় অনেকে ইচ্ছা থাকলেও এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারছে না।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মৎস্য খাত ২টি ভাগে বিভক্ত।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর হওয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের দরুন প্রায়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই এ অর্থনীতি স্থিতিশীল নয়।

উৎপাদনের দ্বারা বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেকটা প্রভাবিত হয়। কিন্তু এখানকার কৃষি প্রকৃতির ওপর অনেকটা নির্ভরশীল। এদেশে প্রায়ই বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের দরুন কৃষির উৎপাদন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কৃষকের উৎপাদন কখনও স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকে আবার কখনও খুব কমে যায়। এজন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি অস্থিতিশীল।

উত্তরঃ

সুমন সাহেব দেশের অর্থনীতির শিল্প খাতে অবদান রাখেন। নিচে এই খাতের অবদান উল্লেখ করা হলো-

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব ও অবদান ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশজ উৎপাদনে বৃহৎ খাতসমূহের মধ্যে শিল্প খাতের অবদান ছিল ৩৫.১৪ শতাংশ। সার্বিক শিল্প খাতের মধ্যে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ, যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রাক্কালন করা হয়েছে ২৪.২১ শতাংশ। এছাড়াও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্প, খনিজ ও খনন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ এবং নির্মাণ এ খাতগুলোর সমন্বয়ে শিল্প খাত গড়ে উঠেছে।

আমাদের দেশের দেশজ উৎপাদনে গত তিন দশকে কৃষি খাতের অবদান ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়েছে এবং শিল্প খাতের অবদান বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সুমন সাহেবের মতো উদ্যোক্তাদের কারণেই সম্ভব হয়েছে। এভাবে সুমন সাহেবের মতো উদ্যোগী ব্যক্তিরা তাদের কাজের মাধ্যমে দেশের শিল্প খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু শিল্প খাতের প্রকৃতি যথেষ্ট অনুকূল না থাকায় এখাতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ করা যাচ্ছে না। নিচে এর পক্ষে যুক্তি দেওয়া হলো-

বাংলাদেশের শিল্প উন্নয়নের গতি ধীর। তাই এ দেশের শিল্পায়নের গতিকে বাড়াতে আধুনিক শিল্পনীতি ২০১৬ ঘোষণা করা হয়েছে। মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্প খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান হলেও মৌলিক ও ভারী শিল্পের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। এ দেশের প্রধান প্রধান শিল্পগুলো হলো- সার কারখানা, চিনি ও খাদ্যশিল্প, বস্ত্র শিল্প, পাট শিল্প, চামড়া শিল্প, তৈরি পোশাক শিল্প ইত্যাদি।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্য দ্রুত শিল্পায়ন প্রয়োজন। এ জন্য ভারী বা মৌলিক শিল্প যেমন- লৌহ বা ইস্পাত শিল্প, অবকাঠামোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি শিল্প ইত্যাদি অপরিহার্য। এসব শিল্প দেশে বিদ্যমান থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।
তাছাড়া শিল্পায়নের জন্য উন্নত কারিগরি জ্ঞানের অধিকারী দক্ষ জনশক্তি, পর্যাপ্ত মূলধন, সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের ঋণ সরবরাহের নিশ্চয়তা, যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসম্পন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করাও মূলধনী দ্রব্যের আমদানি প্রয়োজন।

আর এসবের মাধ্যমে শিল্প খাতে দ্রুত বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় আয় ও মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি পরনির্ভরশীলতা হ্রাস করা সম্ভব। যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করে।

129

জনাব রতন একজন ধর্মী কৃষক। গত কয়েক বছর ধরে তাঁর জমিতে আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি অনুসরণ করার অধিক ফসল উৎপাদিত হয়। পারিবারিক ব্যয় বহন করার পর উদ্বৃত্ত অতিরিক্ত অর্থ জনাব রতন সংসার করেন। গত বছর তিনি একটি ছোট তৈরি পোশাক কারখানা স্থাপন করেন, যা তাঁর স্ত্রী জয়ন্তী পরিচালনা করেন। সেখানে তাঁর গ্রামের নারী শ্রমিকেরা কাজ করে। তাঁরা তাদের একমাত্র ছেলে রুনীকে একটি ভালো স্কুলে ভর্তি করেন। রনী অসুস্থ হলে তাকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের পরামর্শমতো চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপরিউক্ত আলোচনায় বাংলাদেশের অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের একটি চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, যেমন : কৃষি, শিল্প এবং সেবা।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ বা প্রাথমিক দ্রব্যকে কারখানাভিত্তিক প্রস্তুত প্রণালির মাধ্যমে মাধ্যমিক বা চূড়ান্ত দ্রব্যে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে শিল্প বলে

249
উত্তরঃ

আমাদের দেশের বেশিরভাগ জনগণের আয় খুব কম হওয়ায় তাদের সঞ্চয়ের ক্ষমতাও কম, ফলে উচ্চহারে পুঁজি গঠন করা সম্ভব হয় না

আয় ও ভোগ ব্যয়ের পার্থক্য থেকে সঞ্চয় সৃষ্টি হয়। কিন্তু নিম্ন আয়ের মানুষের সম্পূর্ণ বা বেশির ভাগ অর্থই ভোগ্য পণ্য ক্রয়ে ব্যয় করতে হয়। ফলে তারা পর্যাপ্ত পরিমাণে সঞ্চয় করে পুঁজি তথা মূলধন গঠন করতে পারে না। তাছাড়া সঞ্চয় সংগ্রহের অসুবিধা, বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা, দক্ষ উদ্যোক্তার অভাব, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, কারিগরি জ্ঞানের অভাব ইত্যাদি কারণেও এদেশে মূলধন গঠনের হার কম।

368
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' খাত বলতে কৃষি খাতকে নির্দেশ করা হয়েছে। এদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কৃষি খাতের উন্নয়নের ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে বোঝায় কোনো দেশের জাতীয় আয়ের ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়া। বাংলাদেশের জিডিপিতে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ আসে কৃষি খাত থেকে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বর্তমানে (২০১৮-১৯ অর্থবছরে) দেশের GDP-তে কৃষি খাত (ফসল, বন, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য) এর অবদান ১৩.৬০ শতাংশ। আবার এদেশের বর্ধিত জনগোষ্ঠীর খাদ্যের

চাহিদা পূরণেও কৃষি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদন হবে ৪১৫.৭৪ লক্ষ মেট্রিক টন (লক্ষ্যমাত্রা), যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ছিল ৪১৩.২৫ লক্ষ মেট্রিক টন। কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের মাধ্যমে এর পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব। তাহলে অচিরেই আমাদের দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত অংশ রপ্তানি করতে সমর্থ হবে। যা দেশে বৈদেশিক মুদ্রার যোগানে সহায়তা করবে। তাছাড়া কৃষি খাত উন্নত হলে অন্যান্য খাত যেমন- শিল্প, সেবা ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এর ধনাত্মক প্রভাব পড়বে। কারণ বাংলাদেশের অধিকাংশ শিল্পের কাঁচামাল আসে কৃষি খাত থেকে। আবার এ যাত বহুলোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে বেকার সমস্যা কিছুটা হলেও কমিয়ে আনে। [তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
কাজেই আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন কৃষি ৩. খাতের উন্নয়নের সাথে ওতপ্রোতোভাবে জড়িত।

211
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' খাত কৃষি খাত এবং 'B' খাত হলো শিল্প খাত।
কৃষি ও শিল্প খাত পরস্পর নির্ভরশীল। কৃষি খাতের উন্নতি ও আধুনিকায়নের জন্য বিভিন্ন কৃষি সরঞ্জাম ও সারের যোগান দেয় শিল্প খাত। তেমনি শিল্পের প্রসারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও শিল্পজাত দ্রব্যের বাজার সৃষ্টিতে সহায়তা করে কৃষি খাত

কৃষি ও শিল্প খাতের পারস্পরিক নির্ভরশীলতার অনেক কারণ রয়েছে। আমাদের দেশের অধিকাংশ শিল্প কৃষিভিত্তিক। এদেশের উল্লেখযোগ্য শিল্প যেমন- পাট, চিনি, সার, কাগজ, বস্ত্র প্রভৃতি শিল্পের প্রধান কাঁচামালের জন্য কৃষির ওপর নির্ভর করতে হয়। আবার বিভিন্ন শিল্পের প্রসারের ফলে কাঁচামালের বর্ধিত চাহিদার কারণে কৃষি উৎপাদন বাড়ে এবং কৃষক উৎপাদিত পণ্যের জন্য ন্যায্য দাম পায়, ফলে কৃষকদের আয় বাড়ে এবং জীবনযাত্রার মানও উন্নত হয়। তাছাড়া কৃষি শিল্পজাত দ্রব্যের বাজার বিস্তৃত করে শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কৃষকদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প খাতের অন্যান্য দ্রব্যের চাহিদাও বৃদ্ধি পায়, যা শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের জন্য দুটি খাতের
একই সঙ্গে উন্নতি একান্তভাবে কাম্য। উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, কৃষি ও শিল্পের উন্নয়ন পরস্পর নির্ভরশীল এবং একে অপরের পরিপূরক।

171
উত্তরঃ

প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদ কাঁচামালকে কারখানাভিত্তিক প্রস্তুতপ্রণালির মাধ্যমে মাধ্যমিক বা চূড়ান্ত দ্রব্যে রূপান্তর করাকে শিল্প বলে।

173
উত্তরঃ

এদেশের সিংহভাগ গ্রামীণ জনগণের প্রধান পেশা কৃষি। তাই কৃষির অগ্রগতির সাথে গ্রামীণ অর্থনীতি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠেছে কৃষিকে কেন্দ্র করে। এদেশের বেশির ভাগ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং তারা কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। এ বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন, জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ইত্যাদি কৃষির অগ্রগতির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।

210
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews