সুমন স্যার শ্রেণিকক্ষে ক্যারেক্টার-বাই-ক্যারেক্টার আকারে ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিলেন। তার ক্লাসে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক মণ্ডলীকে অবগত করানোর জন্য তিনি ই-মেইল পাঠাতে IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড বিশিষ্ট একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করলেন।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

WAN (Wide Area Network) হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা একটি বিশাল ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকে, যেমন— শহর, দেশ বা মহাদেশ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

ডেটা-আদান-প্রদান একই সাথে সম্ভব, এটি ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-duplex) ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এই মোডে ডেটা প্রেরক ও প্রাপক একই সময়ে উভয় দিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে। এটি সর্বাধিক কার্যকর ডেটা আদান-প্রদান পদ্ধতি।

ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যোগাযোগের চ্যানেলটি ডেটা আদান-প্রদানের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত থাকে, ফলে এক প্রান্তে ডেটা প্রেরণের সময় অন্য প্রান্তে ডেটা গ্রহণ করা বা ডেটা প্রেরণ করা সম্ভব হয়। এর একটি সাধারণ উদাহরণ হলো টেলিফোন যোগাযোগ, যেখানে দুইজন ব্যক্তি একই সাথে কথা বলতে ও শুনতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সুমন স্যার শ্রেণিকক্ষে ডেটা ট্রান্সমিশনের যে পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন, যেখানে ডেটা ক্যারেক্টার-বাই-ক্যারেক্টার আকারে স্থানান্তরিত হয়, তা হলো অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)। এই পদ্ধতিতে প্রেরক এবং প্রাপকের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান অনিয়মিতভাবে বা বিচ্ছিন্নভাবে হয়ে থাকে।

অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট (Start Bit) এবং শেষে এক বা একাধিক স্টপ বিট (Stop Bit) যুক্ত করা হয়। স্টার্ট বিট প্রাপককে ডেটা আসার সংকেত দেয় এবং স্টপ বিট ক্যারেক্টারের সমাপ্তি নির্দেশ করে। এর ফলে প্রেরক এবং প্রাপকের মধ্যে সুনির্দিষ্ট কোনো ক্লক পালস (Clock Pulse) সিঙ্ক্রোনাইজেশনের (Synchronization) প্রয়োজন হয় না।

এই পদ্ধতিটি সাধারণত ধীরগতির ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যেখানে ডেটা প্রবাহের গতি অনিয়মিত এবং ক্যারেক্টারগুলো বিচ্ছিন্নভাবে তৈরি হয়, যেমন কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা ইনপুট। সুমন স্যার শিক্ষার্থীদের ক্যারেক্টার-বাই-ক্যারেক্টার ডেটা ট্রান্সমিশনের যে ধারণা দিয়েছেন, তা অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের মৌলিক বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরে, যেখানে ডেটা প্যাকেট আকারে নয় বরং একক ক্যারেক্টার হিসেবে পাঠানো হয় এবং প্রতিটি ক্যারেক্টারের মাঝখানে বিরতি থাকতে পারে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের প্রযুক্তিটি হলো WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access)। এটি একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করতে পারে। এই প্রযুক্তি মাইক্রোওয়েভ সিগনালের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে এবং সাধারণত একটি মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে বিস্তৃত কভারেজ দিতে সক্ষম।

সুমন স্যার তার অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবক মণ্ডলীকে ই-মেইল পাঠানোর জন্য এই WiMAX প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। ই-মেইল পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য হলো দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে তথ্য আদান-প্রদান করা। WiMAX প্রযুক্তির সাহায্যে শিক্ষক একটি বিস্তৃত এলাকার সকল অভিভাবকের কাছে ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সহজেই ই-মেইল প্রেরণ করতে পারবেন, যা ক্লাসে অনুপস্থিতির তথ্য দ্রুত অভিভাবকদের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।

WiMAX ব্যবহারের যৌক্তিকতা একাধিক দিক থেকে বিশ্লেষণ করা যায়। প্রথমত, এটি একটি ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস প্রযুক্তি হওয়ায় তারযুক্ত ইন্টারনেটের (wired internet) তুলনায় স্থাপনা খরচ কম হতে পারে এবং দ্রুত স্থাপন করা যায়। দ্বিতীয়ত, এর বিস্তৃত কভারেজ (wide coverage) থাকায় শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বা এমনকি আধা-শহুরে বা গ্রামীণ এলাকাতেও যেখানে তারযুক্ত ইন্টারনেট অবকাঠামো পৌঁছায়নি, সেখানেও অভিভাবকরা ই-মেইল গ্রহণ করতে পারবেন। তৃতীয়ত, উচ্চ ডেটা ট্রান্সফার রেটের (high data transfer rate) কারণে দ্রুত বিপুল সংখ্যক ই-মেইল পাঠানো সম্ভব, যা শিক্ষকের সময় বাঁচাবে এবং তথ্য প্রেরণে দক্ষতা আনবে। এটি কেবল তার নিজের ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য নয়, বরং অভিভাবকরা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ই-মেইল গ্রহণ নিশ্চিত করে।

উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যায়, সুমন স্যারের পক্ষে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য পাঠানোর জন্য IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের WiMAX প্রযুক্তি ব্যবহার অত্যন্ত যৌক্তিক। এর বিস্তৃত কভারেজ, উচ্চ ডেটা ট্রান্সফার গতি এবং ওয়্যারলেস সুবিধা নিশ্চিত করে যে, যোগাযোগ প্রক্রিয়াটি কার্যকর ও দক্ষ হবে, যা শিক্ষা কার্যক্রমে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে সাহায্য করবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
570

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কম্পিউটার সিমুলেশন এর সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহার কারীদের কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয় একে সিমুলেশনের পরিবেশ ও বলা হয় কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কোন করণ বিধায় প্রয়োগ কৃত্রিম পরিবেশকে এমন ভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয় যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য বাস্তব বলে মনে হয়।

Md Ashadul Haque
Md Ashadul Haque
3 years ago
7.5k
উত্তরঃ

রোবোটিক্স (Robotics) হল বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যেখানে রোবট তৈরির নকশা, নির্মাণ, কার্যক্ষমতা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করা হয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রযুক্তি।

রোবোটিক্সের প্রধান অংশ

১. যান্ত্রিক নকশা (Mechanical Design) – রোবটের শরীর বা কাঠামো গঠনের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করা হয়।

২. ইলেকট্রনিক্স (Electronics) – সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদানের সাহায্যে রোবটকে কার্যক্ষম করা হয়।

৩. প্রোগ্রামিং (Programming) – সফটওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোবটের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রোবোটিক্সের ব্যবহার

শিল্প কারখানা: স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হয়।

স্বাস্থ্যসেবা: সার্জারি রোবট ও চিকিৎসা সহায়তা রোবট ব্যবহার করা হয়।

গবেষণা ও মহাকাশ: মহাকাশ অনুসন্ধানে রোবটিক যান (যেমন, NASA-র মার্স রোভার) ব্যবহৃত হয়।

সেনাবাহিনী: সামরিক ড্রোন ও যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।

রোবোটিক্স দ্রুত উন্নতি করছে এবং ভবিষ্যতে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।

mohua pervin
mohua pervin
1 year ago
4.3k
উত্তরঃ

বিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ারিং উপযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে বিষয়টি উপর রোবটের  ধারণা নকশা উৎপাদন কার্যক্রম কিংবা সাধারণ বাস্তবায়ন করতে পারে তাই হচ্ছে রোবোটিক্স।

Md Ashadul Haque
Md Ashadul Haque
3 years ago
5.4k
উত্তরঃ

ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে বোঝায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির মূল বিষয় হলো সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য মোচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

MAGIC HERE
MAGIC HERE
2 years ago
9.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews