সুরভি তার সদ্যজাত সন্তানকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় এসেছে। সে তার সন্তানের যত্নের ব্যাপারে খুবই সচেতন। এ ব্যাপারে সে ডাক্তারের কাছ থেকে তার করণীয় সম্পর্কে জেনেছে। এছাড়াও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও তাকে নানা বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

ওপিভি টিকা পোলিওমাইলাইটিস রোগের জন্য দেয়া হয়।

উত্তরঃ

নবজাতকের শ্বাসকার্য ঠিকমতো না চললে, ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ ও মস্তিষ্কে আঘাত পেলে নীল হয়ে যায়। নীল হয়ে যাওয়া নবজাতকের জন্য জটিল ও মারাত্মক অবস্থা। এতে মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়। শিশুর প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকসময় শিশুর মৃত্যুও হতে পারে।

উত্তরঃ

জন্মের পর থেকে প্রথম দু'সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কে নবজাতককাল বলে। সুরভির শিশুটি যেহেতু সদ্যজাত, তাই তাকে আমরা নবজাতক বলতে পারি। নবজাতক শিশুর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-

নবজাতকের মাথা তার দেহের অংশ হয়। নাক চ্যাপ্টা, থুতনি খুব 8 ছোট ও চোয়াল ফোলা হয়। মুখের প্রায় অর্ধেক অংশ থাকে কপাল। মাথার উপরিভাগের মধ্যের অংশ নরম থাকে। গায়ের বর্ণ থাকে লালচে বা রক্তাক্ত। ওজন হয় সাধারণত ২.৫ থেকে ৩.৫ কেজি, উচ্চতা ১৯-২১ ইঞ্চি। নবজাতক শিশু ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা ঘুমায়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এদের শ্বাস-প্রশ্বাস, পরিপাক, শোষণ ও রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া আরম্ভ হয়। জন্মের পর নবজাতকের প্রথম স্বরই হচ্ছে কান্না। জন্মগ্রহণের পর ১ম সপ্তাহে নবজাতকের ওজন কিছুটা হ্রাস পায়। ২য় সপ্তাহে আবার বাড়তে থাকে।

উত্তরঃ

নবজাতক শিশুর পরিচর্যা সম্পর্কে সুরভিকে বিশেষ যত্নবান হতে হবে। জন্মের পর নবজাতকের বিশেষ পরিচর্যা ও যত্নের প্রয়োজন রয়েছে। নবজাতক অবস্থায় শিশু মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি। পরিচর্যার মাধ্যমেই নবজাতককে দৈহিক ও মানসিক দিক থেকে সুস্থভাবে গড়ে তোলা সম্ভব।

জন্মের পরপরই সুরভির শিশুর শরীর একটি পাতলা নরম সুতি কাপড় দিয়ে ভালোভাবে মুছে আরেকটি শুকনা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে রাখতে হবে। এরপর শিশুকে শালদুধ দিতে হবে। জন্মের কমপক্ষে তিন দিন পর নবজাতককে গোসল করানো উচিত। হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে। অলিভ অয়েল, বেবি অয়েল ও বেবি সোপ দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করতে হবে। জন্মের পরপরই নবজাতক না কাঁদলে বুঝতে হবে অক্সিজেন পাচ্ছে না। তখন কৃত্রিমভাবে শ্বাস নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। নাভি না শুকানো পর্যন্ত তার বিশেষ যত্ন নিতে হবে। মলমূত্র ত্যাগের পর দ্রুত তা পরিষ্কার করতে হবে। শিশুটি যেন আরামদায়ক ও নিরিবিলি পরিবেশে ঘুমাতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়াও মুক্ত আলো-বাতাসপূর্ণ ঘরে তার শিশুকে রাখতে হবে। শরীরে তেল মালিশ করে সকালের নরম রোদে রাখতে হবে। এতে ভিটামিন ডি সঞ্চিত হবে এবং হাড় শক্ত হবে। নাভি পড়ার পর নবজাতককে পেশির ব্যায়াম করাতে হবে। অসুস্থ হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।

156

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন, বয়স, পজিশন এবং অ্যামনিউটিক ফ্লুইডের পরিমাণ পরীক্ষা করার পদ্ধতি হলো আলট্রাসনোগ্রাম।

308
উত্তরঃ

২০ বছরের নিচে গর্ভধারণকারী মা-কে ঝুঁকিপূর্ণ মা বলার কারণ হলো এদের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না।

অপরিণত বয়সে যেসব মেয়ে মা হয়, তারা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভোগে। এছাড়াও এ বয়সে একটি মেয়ের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া ও পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে সে নিজে ও তার গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

281
উত্তরঃ

রহিমা ৩ মাসের গর্ভবর্তী। গর্ভবতীর ১ম তিন মাস হলো গর্ভসঞ্চারের পর থেকে ১২ সপ্তাহ।

গর্ভাবস্থায় ভূণের বৃদ্ধি-সামান্য হয় বলে পুষ্টির চাহিদা খুব একটা বৃদ্ধি পায় না। তাই রহিমার দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, দেহের প্রয়োজনীয় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো-

১. মূত্র পরীক্ষা: গর্ভসঞ্চার নির্ধারণের জন্য করা হয়।

২. রক্তের নিয়মিত পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, হিমোগ্লোবিন, হেপাটাইটিস ভাইরাস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা।

৩. আলট্রাসনোগ্রাম: ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন ইত্যাদি নির্ণয় করা।

254
উত্তরঃ

রহিমার মানসিক বিপর্যয় তার গর্ভের শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

রহিমার আশেপাশের পরিবেশে ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে। ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

রহিমা গর্ভবতী, এই অবস্থায় শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কারণ শরীর ও মন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে, যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণ শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। রহিমার পারিবারিক ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই রহিমার উচিত গর্ভাবস্থায় পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখা। সবসময় ইতিবাচক পরিবেশে অবস্থান করা। রহিমা যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন, সেদিকে সকলের সচেষ্ট থাকা উচিত।

250
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

292
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews