সুশাসন বলতে অংশীদারিত্বমূলক, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, দক্ষতা, ন্যায়পরায়ণতা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রশাসনকে বোঝায়।
সুশাসন একটি গতিশীল ও চলমান ধারণা। এটি শাসনব্যবস্থার রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে। মূলত বলিষ্ঠ ও ন্যায়ানুগ উন্নয়নকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার জন্য একটি সুষ্ঠু নীতিমালার মাধ্যমে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা এবং তা বজায় রাখাই হলো সুশাসন।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View All১৯৪২ সালের বিভারিজ রিপোর্টের ভিত্তিতে সমাজকর্মের সূচনা হয়।
উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যাটির সমাধান কার্যক্রম অর্থাৎ কিশোর অপরাধ সংশোধন কার্যক্রম সমাজকর্মের আওতাভুক্ত।.
আধুনিক সমাজকর্ম যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করে সংশোধনমূলক কার্যক্রম সেগুলোর অন্যতম। এক্ষেত্রে সমাজকর্ম মূলত সামাজিক শৃঙ্খলা ও শান্তি বিনষ্টকারী অপরাধী এবং কিশোর অপরাধীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ ধরনের কার্যক্রমের মধ্যে কিশোর অপরাধ সংশোধন, কিশোর আদালত, প্রবেশন, প্যারোল, মুক্ত কয়েদি পুনর্বাসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। এতে অপরাধীরা স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে আসার সুযোগ পায়।
উদ্দীপকে বর্ণিত কিশোর আলিফের বন্ধুরা ঈগল গ্যাংয়ের সদস্য। তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করে। একদিন ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের সাথে অন্য গ্যাংয়ের মারামারি হলে একজন কিশোর খুন হয়। এক্ষেত্রে দুই গ্যাংয়ের সদস্যরাই কিশোর এবং এরা সবাই কিশোর অপরাধী। এসব কিশোর অপরাধমূলক সমস্যা সমাধানে সমাজকর্ম কাজ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যা সমাধান কার্যক্রম সমাজকর্মের অন্তর্ভুক্ত।
আলিফের চাচার পেশা তথা আইন পেশার সাথে উক্ত বিষয় অর্থাৎ সমাজকর্মের গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান।
আইন পেশা একটি সেবা প্রদানকারী পেশা। এ পেশার প্রধান দিক হলো আইনজীবীরা সাহায্যার্থীর সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তাদের স্বার্থ ও অধিকার সংরক্ষণে কাজ করেন। বর্তমানে সমাজকর্ম পেশায় সমাজকর্মীদের মানুষের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় আইনবিষয়ক জ্ঞান অর্জন করতে হয়। অনেক সময় সমাজকর্মীরা মানুষের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় সরাসরি আইন পেশার সাহায্য নেন। তবে বৃহত্তর পরিসরে আইন পেশা সমাজকর্মের একটি অংশ। তাই অনেক সময় ব্যক্তি একাধারে সমাজকর্মী ও আইনজীবী উভয় পেশাই গ্রহণ করতে পারেন। এখানে সমাজকর্মের লক্ষ্য পূরণে তিনি আইন পেশাকে সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করেন। আধুনিক সমাজকর্ম অপরাধ ও কিশোর অপরাধ নিরসনে শাস্তির পরিবর্তে সংশোধনমূলক ব্যবস্থাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সংশোধনমূলক কার্যক্রম যেমন- প্রবেশন, প্যাারোল, কিশোর আদালত প্রভৃতিতে সমাজকর্মীদের পাশাপাশি আইনজীবীরা বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এতে দেখা যায়, আইন পেশা ও সমাজকর্ম ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
উদ্দীপকে কিশোর আলিফের বন্ধুরা ঈগল গ্যাংয়ের সদস্য। তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করে। ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে অন্য গ্যাংয়ের সাথে মারামারি হলে একজন কিশোর মারা যায়। এরপর পুলিশ এসে আলিফ ও তার বন্ধুদের থানায় নিয়ে যায়। আলিফের আইনজীবী চাচা আলিফকে সহায়তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করেন। এক্ষেত্রে আলিফের মতো কিশোরদের সংশোধন ও মুক্তির জন্য সমাজকর্মী এবং আইনজীবী একসাথে কাজ করবে।
উপরের আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, আলিফের চাচার পেশা অর্থাৎ আইন পেশার সাথে সমাজকর্মের খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
১৯৫৭ সালে সুইজারল্যান্ডে 'Study Group' সমাজকর্মীদের জন্যে পেশাগত নীতিমালা নির্ধারণ করে।
ইংল্যান্ডে সামাজিক বিমা পদ্ধতি মূলত সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত।
সামাজিক বিমা কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণ কিছু সুবিধা ও সেবা পায়। এই সেবার মধ্যে রয়েছে সাধারণত অবসরভোগীদের জন্য পেনশন ব্যবস্থা, অক্ষমতা বিমা, বেঁচে থাকার সুযোগ-সুবিধা, সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল এবং বেকারত্ব বিমা। এ বিমায় সমহারে চাঁদার পরিবর্তে আয়ভিত্তিক চাঁদা ও সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়।
রাজন সাহেব সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত।
সমাজকর্ম মানবকল্যাণকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। এটি একটি সাহায্যকারী পেশা। আধুনিক সমাজকর্ম সমাজের সামগ্রিক ও সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী। এ লক্ষ্যে সমাজকর্ম জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সামাজিক, অর্থনৈতিক, দৈহিক, মানসিক সকল প্রকার সমস্যার স্থায়ী ও বাস্তবধর্মী সমাধানের মাধ্যমে একটি সুখী, সুন্দর সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালায়। রাজন সাহেবের কাজেও এ ধরনের তৎপরতা লক্ষণীয়।
রাজন সাহেব শিশুদের কল্যাণে কাজ করছেন। জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তার এ কাজ সমাজকর্মের পরিধিভুক্ত। সমাজকর্ম মূলত বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও দক্ষতার ওপর প্রতিষ্ঠিত সমাজসেবা। পেশাদার সমাজকর্মেরমাধ্যমে সমাজস্থ ব্যক্তি, দল ও সমষ্টির বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধান দেওয়া হয়। এছাড়া সমাজকর্ম পেশার অন্যতম মৌলিক দিক হলো জনগণের আত্মনির্ভরতা অর্জন এবং শিশুদের স্বার্থ সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান। তাই বলা যায়, রাজন সাহেব সমাজকর্ম পেশার সাথে জড়িত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!