সৃষ্টিশীল ও পরিশ্রমী সুদান ব্যবসায়িক লক্ষ্যকে সামনে রেখে ব্যাংক থেকে ঋণ ও সরকারের কাছ থেকে একখণ্ড জমি লিজ নিয়ে সেখানে চুক্তিভিত্তিক ও দিনভিত্তিক কিছু কর্মচারী ও শ্রমিক নিয়োগের মাধ্যমে একটি শিল্প-কারখানা স্থাপন করে। পরবর্তীতে সুদানের বুদ্ধিমত্তা ও দূরদর্শিতা এবং কর্মের দৃঢ়তার কারণে পাঁচ বছরের মাথায় শিল্প প্রতিষ্ঠানটির সুনাম সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

যে কারবারে একজন মালিক থাকে এবং মালিক নিজেই ব্যবসার উপকরণ সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে, তাকে এক মালিকানা কারবার বলে।

উত্তরঃ

সাধারণত গণতান্ত্রিক মনোভাব ও দায়িত্বের সুস্পষ্ট নিয়ম-নীতির অভাবে অংশীদারি কারবারে বিশ্বাস ও আস্থার অভাব দেখা দেয়।

মূলত অংশীদারি কারবার অংশীদারদের মধ্য পারস্পরিক বিশ্বাসও আস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যার অংশীদারদের মধ্যে কেউ একজন অদক্ষ হলে সবাইকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আবার, কার দায়িত্ব কতটুকু তার সুস্পষ্ট নিয়ম-নীতি থাকে না। এতে কেউ বেশি পরিশ্রম করেও কম সুবিধা ভোগ করতে পারে। এসব বিষয়ে নিজেদের মধ্যে প্রায়ই মনোমালিন্য দেখা দেয়। এর ফলশ্রুতিতে বিশ্বাস ও আস্থার অভাব দেখা দেয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত সুদানের কার্যক্রমে উৎপাদনের উপাদান 'সংগঠন এর কার্যক্রম ফুটে উঠেছে।
উৎপাদনের উদ্দেশ্যে তুমি, শ্রম ও মূলধনের আনুপাতিক সংগ্রাহ, সংযোজন ও নিয়োগ করার উদ্যোগ বা প্রচেষ্টাকে সংগঠন বলে। তাই সংগঠনের কার্যক্রমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে- কারবারে পরিকল্পনা গ্রহণ, নীতি নির্ধারণ ও সিন্ধান্ত গ্রহণ, সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং ঝুঁকি বহন ইত্যাদি।।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, সুদান ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে উৎপাদনের বিভিন্ন উপকরণ যেমন- ব্যাংক থেকে ঋণ তথা মূলধন সংগ্রহ, সরকারের কাছ থেকে এক খণ্ড জমি তথা ভূমি লিজ নেয় এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগ তথা শ্রম নিয়োগ দেয়। অর্থাৎ, সুদানের কার্যক্রমে উৎপাদনের অন্যান্য উপাদান ভূমি, মূলধন ও শ্রমের সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তাই স্পষ্টতই বলা যায়, সুদানের কার্যক্রমে সংগঠনের কার্যক্রম ফুটে উঠেছে।

উত্তরঃ

কোনো প্রতিষ্ঠানের সফলতা মূলত সংগঠনের ভূমিকার ওপর নির্ভরশীল'- কথাটি সতা।
একজন সফল সংগঠক বা একটি সফল সংগঠন উৎপাদনের অন্যান্য উপাদান যেমন- ভূমি, শ্রম ও মূলধন প্রভৃতির মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে উৎপাদন পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে সংগঠক তার মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা সর্বাধিক মুনাফা অর্জনে সচেষ্ট থাকেন। এভাবে যে প্রতিষ্ঠান যত বেশি মুনাফা অর্জন করতে পারে, ঐ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার সম্ভাবনা ততটা প্রবল হয়।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়, সৃষ্টিশীল ও পরিশ্রমী সুদান তার বুদ্ধিমরা ও দূরদর্শিতা এবং কর্মের দৃঢ়তার দ্বারা তার শিল্পপ্রতিষ্ঠানটির ক্রমোন্নতি অর্জন করতে সক্ষম হয়। অর্থাৎ, তার কারখানাটি সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়। ফলশ্রুতিতে উক্ত প্রতিষ্ঠানটির সুনাম সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সুদান যদি পরিশ্রমী ও দূরদর্শি গুণসম্পন্ন না হতো, তাহলে ভূমি, শ্রম • মূলধনের সুষ্ঠু সমন্বয়ের অভাবে উৎপাদন ব্যহত হতো। এর ফলে পর্যাপ্ত মুনাফা অর্জনে ব্যর্থতার দরুন উক্ত প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যেত।
কাজেই উপরের পর্যালোচনা থেকে স্পষ্টই বলা যায়, 'কোনো প্রতিষ্ঠানের সফলাতা মূলত সংগঠনের ওপর নির্ভর করে'।

161
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের কাজকে সংগঠন বলে।

209
উত্তরঃ

উৎপাদনের উপকরণগুলোকে সংগঠনের মাধ্যমে সমন্বয় করে উৎপাদন কাজটি সঠিকভাবে পরিচালনা করেন একজন সফল উদ্যোক্তা।
সংগঠন হলো এক কর্মনৈপুণ্য; বস্তুগত নয়। উদ্যোক্তাকেই এ কর্মনৈপুণ্য কাজে লাগানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। এছাড়া তিনি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো সংগ্রহ, তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন, মূলধন সংগ্রহ ও উৎপাদনক্ষেত্রে শ্রমবিভাগের মাত্রা নির্ধারণ করেন। আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে বড় ও জটিল হয়ে পড়ায় সেখানে জনবল ও প্রযুক্তির ব্যবহার, বিনিয়োগ সমস্যার সমাধান এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয়ে ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্বতন্ত্র ও অপরিহার্য উপাদান হিসেবে উদ্যোক্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এজন্যই আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় উদ্যোক্তাকেই সংগঠনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

393
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ হওয়ায় ব্যক্তি পর্যায়ে মূলধন স্বল্পতার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি খাতের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো-
বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগও পরিলক্ষিত হয়। তবে বেসরকারি খাতের পরিসর খুবই সীমিত। বেসরকারি উদ্যোগে ভারী শিল্প স্থাপন এখনও এদেশে ব্যাপক প্রসার ঘটেনি। কিন্তু মূলধন নিবিড় শিল্প বা ভারী শিল্প স্থাপন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এ ধরনের শিল্প স্থাপনে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। আবার, বেসরকারি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মুনাফা অর্জন। এজন্য দেশে ধনী-গরিবের বৈষম্য দেখা দেয়। এছাড়া তাদের উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন হওয়ায় যে মুদ্রাস্ফীতির সৃষ্টি হয় তা নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, বাংলাদেশে NGO-গুলোর কার্যক্রম খুবই সীমিত। এদের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম দ্বারা মুনাফা অর্জন করা। কিন্তু একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শুধু ক্ষুদ্র পরিসরে চিন্তা করলে চলবে না। আবার, সমবায়সহ অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়ম ও উচ্চ মুনাফা আকাঙ্ক্ষার কারণে কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বার্থ অর্জিত হলেও জাতীয় স্বার্থ বিঘ্নিত হয়। তাই বাংলাদেশে খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা প্রভৃতিসহ অর্থনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণে সরকারকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হয়।

659
উত্তরঃ

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগে কীভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এগিয়ে যেতে পারে, তা নিচে উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো:
একটি দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি উদ্যোগ সীমিত হলেও দেশের (বিশেষত গ্রামীণ) অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশে এনজিওগুলো দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞান দান, বিভিন্ন পেশার জন্য কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা, আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম ইত্যাদি। এছাড়াও এনজিওগুলো গ্রামের বেকার যুবক-যুবতীদেরকে মাছ চাষ, ফল ও ফুলের বাগান তৈরি, হাঁস-মুরগি পালন ও তার প্রশিক্ষণ, স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে কুটিরশিল্প স্থাপন, পানের বরজ তৈরি, মৌমাছি চাষ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাতে-কলমে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। অন্যদিকে, সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি স্বার্থের পরিবর্তে সমষ্টিগত স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে বৃহদায়তনে উৎপাদন পরিচালনা করতে পারে। এতে দেশীয় সম্পদের সুষম বণ্টন হবে, মধ্যস্থ ব্যবসায়ীর দৌরাত্ম্য হ্রাস পাবে এবং সর্বোপরি সামাজিক উন্নয়ন দ্বারা দেশ এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি। উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি হ্রাস করতে পারলে সরকারি খাতের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে।
এভাবে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

218
উত্তরঃ

একজন সংগঠক উৎপাদনের সকল উপাদানকে সংগ্রহ ও সমন্বিত করে উৎপাদনকে সফল করে।
উৎপাদন ক্ষেত্রে কোনো কিছু উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ, সমন্বয়-সাধন, পরিকল্পনা প্রণয়ন, মৌলিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো একজন সংগঠককে পরিচালনা করতে হয়। আর এগুলো দক্ষতার সাথে না করতে পারলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাই বলা হয়, সংগঠকের দক্ষতার ওপর একটি সংগঠনের সাফল্য নির্ভর করে।

353
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews