আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক বলিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
শুধার জীবনাচরণ ও চলাফেরার কোনো সময়-অসময় নেই বলে আর কাছে আলো-আধার সরটি সমান।
বাবা-মা, ভাই-বোনদের হারিয়ে বুধা এ পৃথিবীতে বড় একা সে মাগাড়, উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন করে ঘুরতে ঘুরতে যে কোথায় যা সেই হিসাব রাখে না। ওর কাছে উত্তর-এজিন পূর্ব-পশ্চিম সব সমান মনে করে যেদিক সু চোখ যায় সেদিকেই ওর জন্য পরা এল হার্টে মানে ঘুরে বেড়ায়। এবতে না-ওখয়ে দিন কাটায় রাত পোহালেই দিনের আলো, সূর্য ডুবলেই আধার এ জন্য বুঝার
সারকণা সুধার জীবনাচরণ ও চলাফেরা দিন-রাতের হিসাবে চলে না বলে তার কাছে আলো-আবার সরট বামন
উর্দীপকের স্মৃতিসৌধ 'কাকরাড়া' উপন্যাসে বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধ ও শহিদদের স্মৃতি স্মরণ করিতে দো
মুক্তিযুদ্ধ বাংলার ইতিহাসের এক গৌরবমন্ডিত অধ্যায় বাংলার মুক্তিপাগল মানুষেরা পড়লাসের বল্ল উজ্জীবিত গ্যাজিল নিজেদের জীক উৎসর্গ করে তারা দেশকে শত্রমুক্ত করেনে
উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের মুক্তিযুন্দ এবং যুক্তিয়েন্দাদের আত্মত্যাগের প্রতীক। এটি বাংলাদেশের মুক্তিনগ্রামের সুদীর্গগ ইতিহাসে মনে করিয়ে দেয় কাকতাড়ুয়া উপন্যাসে মুক্তিযুদ্ধের বর্ণনা পাওয়া যারা রাজাকার আর পতি কমিটির চেয়ারম্যানের যত পুড়িয়ে দেয়া মাইন দিতে মিলিটারি ক্যাম্প উড়িয়ে দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের অংশ আর বুধ এসবের কোনোটা করেন দিয়েন বৃদ্ধিতে আর কোনোটা করো মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার পারাবৃদ্দিনের নেতৃত্বে আবত গ্রামের অন্যেরট পলিন হয়েছেন পাকিস্তানি অনাদার বাহিনীর অক্রমণে তাঁদেলা এমন করে চলেছে উদ্দীপকের স্মৃতিসীব
উদ্দীপকের অতিসৌধ' ও 'কাকরারা উপন্যাস উতরাই মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য দলিল- মন্তব্যটি যথার্থ
বাঙালি বরাবরই স্বাধীনতাকামী পত্তর অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারকে তারা মাথা পেতে বরণ করে না কখনো আর তাই ১৯৮৩১। পাকিস্তানি সেনাদের এাংস করার প্রতিজ্ঞা করে আরা যুদ্ধে নামে নিজেদের প্রাগের বিনিময়ে তারা দেশ স্বাধীন করে
উদ্দীপকের দেওয়াজ মায়ের সঙ্গে সাভারে দিয়ে স্মৃতিসৌধ দেখে অবাক হয় স্মৃতিসৌধ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তার মা বাল্য মুক্তিযুদের শহিদদের স্মরণে এই স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয়েছে স্মৃতিসৌধ অরুণ প্রজাতর কাছে প্রামাণ্য দলিল হয়ে দাঁড়িয়া আমে অন্যদিকে 'কাকতাড়ুয়া উপন্যাস গ্রামে মিলিটারি আসার পর থেকে আদের কর্মকান্ড, আহাদ। মুন্সি ও রাজাকারদের তৎপরতা, গ্রামবাস মৃত্যু, রাসেলীলা, গণকবর, প্রানকাল, বুধদের প্রতিশোদ গ্রহণ সবই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বারণ করে
কাকতাড়ুল্লরা উপন্যাসে যুক্ত্যিপ চলাকালীন প্রেক্ষাপট বর্ণিত হয়েছে আর সাভারের স্মৃতিসৌধ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে করল এ ইতিহাস বহন করেছে। উভয় ক্ষেত্রেই যুক্তিৎপ্যাক গুরত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ ও কাকরারা উপন্যাস উভয়ই মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য সলিল।
পারগুলা উপিরের স্মৃতিসৌধ এবং কাকতাড়ুরা উপন্যাস উল্লাই বাশার অনুহের সাহাবীর আয়নারীপত্র বাংলার।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!