সেজান সাহেব একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার নিয়মগুলো তাঁকে ভাবিয়ে তোলে। কারণ কাজের ক্ষেত্রে কর্মচারীদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। কর্তৃপক্ষই সব ক্ষমতার দাবিদার এবং তাঁর আদেশই আইন। অপরদিকে মিজান সাহেব একটি সেবামূলক সংস্থার প্রধান শাখায় কাজ করেন। সংস্থার আরো কয়েকটি শাখা থাকলেও প্রধান শাখাই পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। অন্যান্য শাখা কেন্দ্রবিন্দুর এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে রাজিব সাহেব বহুমুখী সমবায় সংস্থার সদস্য। কাজের সুবিধার জন্য একাধিক শাখায় নীতিগতভাবে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়। এ কারণে সংস্থাটি গঠনগত ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্র হলো জনগণের অংশগ্রহণে, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের কল্যাণার্থে পরিচালিত একটি শাসনব্যবস্থা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে রাষ্ট্র জনগণের দৈনন্দিন ন্যূনতম চাহিদা পূরণের জন্য কল্যাণমূলক কাজ করে, তাকেই কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বলা হয়।
কল্যাণমূলক রাষ্ট্র সমাজের মঙ্গলের জন্য সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে। এ ধরনের রাষ্ট্র জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করার জন্য কর্মের সুযোগ সৃষ্টি করে, বেকার ভাতা প্রদান করে, বিনা খরচে শিক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। কানাডা, যুক্তরাজ্য, সুইডেন, নরওয়ে ইত্যাদি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের উদাহরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সেজান সাহেবের প্রতিষ্ঠানের সাথে একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মিল রয়েছে।
একনায়কতন্ত্র এক ধরনের স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থা। এতে রাষ্ট্রের শাসন ক্ষমতা জনগণের হাতে ন্যস্ত না থেকে একজন স্বেচ্ছাচারী শাসক বা দল বা শ্রেণির হাতে ন্যস্ত থাকে। এতে নেতাই দলের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তাকে বলা হয় একনায়ক বা ডিকটেটর। একনায়কতান্ত্রিক শাসককে সহায়তা করার জন্য মন্ত্রী বা উপদেষ্টা পরিষদ থাকে। কিন্তু তারা শাসকের আদেশ ও নির্দেশ মেনে চলে। শাসকের আদেশই আইন। এ ব্যবস্থায় শাসককে কারও কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি অন্য সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো পরিচালনা করেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সেজান সাহেব একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার নিয়মগুলো তাঁকে ভাবিয়ে তোলে। কারণ কাজের ক্ষেত্রে কর্মচারীদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। কর্তৃপক্ষই সব ক্ষমতার দাবিদার এবং তাঁর আদেশই আইন। তাঁর প্রতিষ্ঠানের এ সব বৈশিষ্ট্য একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ একনায়কতন্ত্রে জনগণ বা সরকারের কোনো বিভাগের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। যেমনটি উদ্দীপকের সেজান সাহেবের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রাজিব সাহেব এবং মিজান সাহেবের সংস্থার কাজের প্রকৃতি অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারব্যবস্থা থেকে এককেন্দ্রিক সরকারব্যবস্থার কাজের প্রকৃতি ভিন্ন।
যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় একাধিক রাষ্ট্র ও প্রদেশ মিলিত হয়ে একটি রাষ্ট্র গঠন করে, তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলে। এ ব্যবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের শাসনকার্যের সুবিধার জন্য সংবিধানের মাধ্যমে কেন্দ্র ও প্রদেশ বা অঞ্চলের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত কতগুলো ক্ষুদ্র অঞ্চল বা প্রদেশ একত্রিত হয়ে একটি বড় রাষ্ট্র গঠন করে বলে রাষ্ট্রটি শক্তিশালী হয়। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকার সম্পদ আহরণ করে একটি বৃহৎ অর্থনীতি গঠনপূর্বক রাষ্ট্রকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাই বিশ্বের সকল যুক্তরাষ্ট্রই কর্ম-বেশি উন্নত। যেমনটি আমরা উদ্দীপকের রাজীব সাহেবের সংস্থার ক্ষেত্রে দেখতে পাই।
অন্যদিকে মিজান সাহেবের সংস্থার কাজের প্রকৃতি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র বা সরকারব্যবস্থার কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রে সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত করা হয়। ফলে কেন্দ্র থেকে দেশ পরিচালনা করা হয়। শাসনকাজের সুবিধার জন্য দেশকে বিভিন্ন প্রদেশে বা অঞ্চলে ভাগ করে কিছু ক্ষমতা তাদের হাতে অর্পণ করা হয়। তবে প্রয়োজনবোধে কেন্দ্রীয় সরকার সে ক্ষমতা ফিরিয়ে নিতে পারে। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারগুলো কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে থেকে কেন্দ্রের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, রাজিব সাহেব এবং মিজান সাহেবের সংস্থার তথা যুক্তরাষ্ট্রীয় ও এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র বা সরকারব্যবস্থার কাজের প্রকৃতি ভিন্ন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
152

রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান । আর সরকার রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম প্রধান উপাদান। সরকার মূলত রাষ্ট্রের মুখপাত্র হিসেবে দেশ পরিচালনা করে। রাষ্ট্র ও সরকার বিভিন্ন রকম হতে পারে। রাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক চাহিদার বিভিন্নতার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন ধরনের সরকারব্যবস্থা গড়ে উঠেছে । এ অধ্যায়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারপদ্ধতি সম্পর্কে জানব ।
এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা -
• বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারব্যবস্থা বর্ণনা করতে পারব
• বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নাগরিকের অবস্থান ও সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
• গণতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্রের পার্থক্য নির্ণয় করতে পারব • গণতান্ত্রিক আচরণ শিখব ও তা প্রয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় সম্পত্তির ওপর নাগরিকদের ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকার করা হয় তাই পুঁজিবাদী রাষ্ট্র।
পুঁজিবাদী রাষ্ট্রে উৎপাদনের উপাদানসমূহ ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকে। এর ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এখানে অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উৎপাদনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। এ ধরনের রাষ্ট্রে নাগরিকগণ সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে সম্পদ ভোগ ও এর মালিকানা লাভ করে থাকে। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রই পুঁজিবাদী। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ভারত প্রভৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
4.5k
উত্তরঃ

'ক' রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান।
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার বলতে সেই সরকারকে বোঝায় যেখানে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না। রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ আইনসভার সদস্য নন। মন্ত্রীগণ তাদের কাজের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দায়ী থাকেন। রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টির ওপর মন্ত্রীদের কার্যকাল নির্ভর করে। 'ক' রাষ্ট্রের সরকারব্যবস্থায়ও এমন বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের শাসক আইনসভার নিকট দায়ী নন। এ ধরনের সরকারব্যবস্থায় জাতীয় স্বার্থ বেশি গুরুত্ব পায়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারেরও এ ধরনের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এ ধরনের সরকারে রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তিনিই প্রকৃত শাসক ও সরকার প্রধান। তিনি কোনো কাজে মন্ত্রীদের পরামর্শ গ্রহণ করতেও পারেন আবার নাও পারেন। ছকের 'ক' রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থাটিও পাঠ্যবইয়ের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.8k
উত্তরঃ

ছকে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী 'খ' রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জনমতের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়।
সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করে। দলের আস্থাভাজন ব্যক্তি হন প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর দল আইনসভায় বিভিন্ন দল-মতের প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন আইন পাস করে।
সংসদীয় সরকারের আইনসভা সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকে। আইনসভার আস্থা হারালে মন্ত্রিসভার পতন ঘটে। সংসদীয় সরকারের সদস্যগণ বিশেষ করে বিরোধী দলের সদস্যগণ সংসদে বসে সরকারের কাজের সমালোচনা করার সুযোগ পায়। তাছাড়া সংসদীয় সরকার জনমতের দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় জনমতকে অনুকূলে রাখার জন্য সরকারি ও বিরোধী দল সবসময় তৎপর থাকে।
উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জনমতের প্রাধান্য লক্ষ করা যায়- উক্তিটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে গঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় শাসনক্ষমতা বংশ পরম্পরা অনুযায়ী হয়ে থাকে।
বিশ্বের কোনো কোনো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানগণ উত্তরাধিকারসূত্রে শাসনক্ষমতা লাভ করেন। এ ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে রাজতন্ত্র বলা হয়। এ ব্যবস্থায় রাজার ছেলে বা মেয়ে উত্তরাধিকার সূত্রে রাষ্ট্রের রাজা বা রানি হয়ে থাকেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews