সেতু শিশু জন্মের পর তাকে বুকের দুধ খাওয়ায়নি। সে স্থানীয় ধাত্রী দ্বারা সন্তান প্রসব করায়। বর্তমানে শিশুটি বোতলে দুধ খায়। শিশুটি প্রায়ই অসুস্থ থাকে, পেট ব্যথা ও পাতলা পায়খানা লেগেই থাকে। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মায়ের বুকের দুধ না খাওয়ানোর জন্য তিরস্কার করেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নবজাতকের মুখের প্রায় অর্ধেক অংশ কপাল থাকে।

উত্তরঃ

যজন্মের পর প্রথম দুই সপ্তাহকাল বা ১৫ দিন পর্যন্ত অথবা কারো মতে ২৮ দিন বা ১ মাস সময়কে নবজাতক বলা হয়। 

নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। জীবনের অন্যান্য সময়ের মত এ সময়ের গুরুত্বও অপরিসীম।

উত্তরঃ

জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে শিশুকে মায়ের শালদুধ খাওয়ানো শিশু জীবনের শ্রেষ্ঠ সূচনা। শালদুধে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও নবজাতকের দেহে রোগ প্রতিরোধকারী প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি থাকে। তাই শালদুধ শিশুকে খাওয়ানো উচিত।

সেতু তার শিশুকে জন্মের পর বুকের দুধ না দিয়ে বোতলের দুধ খাওয়ায়। তাই প্রায়ই তার নানাবিধ অসুখ যেমন- পেট ব্যথা ও পাতলা পায়খানা লেগেই থাকে। এ ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণ বোতলের দুধ পান করানো। মায়ের প্রথম দুধ হতে শিশু যে অ্যান্টিবডি ও ইমিউনোগ্লোবিন পেয়ে থাকে তা হতে সেতুর শিশুটি বঞ্চিত হয়েছে। ফলে তার মধ্যে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডির অভাব দেখা দিয়েছে। এছাড়া শালদুধ শিশুকে নানা রোগ হতে রক্ষা করে। যেহেতু বোতলের দুধ মাতৃদুগ্ধের মতো টাটকা হয় না, তাই নানা ধরনের সংক্রমণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। যেমন- ডায়রিয়া, পেটের অসুখ, এলার্জি ইত্যাদি।

তাই বোতলের দুধ পান করানোর ফলেই সেতুর শিশুটির এ ধরনের স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলো দেখা দিয়েছে।

উত্তরঃ

একটি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত সকল উপাদান মায়ের দুধে বর্তমান।

মায়ের প্রথম দুধ শিশুর জীবনে টিকা হিসেবে কাজ করে। তাই ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধই শিশুর জন্য সুষম খাদ্য।

উদ্দীপকের সেতু তার বাচ্চাকে জন্মের পর বুকের দুধ খাওয়ায় নি। বোতলের দুধ শিশুটি এখনও পান করছে। ফলে প্রায়ই শিশুটির পেট ব্যথা, পাতলা-পায়খানা, অসুস্থতা লেগেই থাকে। এমতাবস্থায় সেতু ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে ড়াক্তার তাকে বুকের দুধ পান না করানোর জন্য তিরস্কার করেন। মায়ের দুধ শিশুর শরীরে সহজেই হজম হয়। এতে ল্যাকটোজের পরিমাণ বেশি থাকে। অসম্পৃক্ত স্নেহ এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। সবচেয়ে বড় উপকারীতা হলো এটি-যে অ্যান্টিবডি এবং ইমিউনোগ্লোবিন থাকে যা শিশুকে নানা রোগ হতে প্রতিরক্ষা দান করে। এটি বিশুদ্ধ ও টাটকা হয়। সর্বোপরি, মা ও শিশুর মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক বন্ধন তৈরি করে শিশুকে সুস্থ রাখে।

সেতু তার শিশুটিকে এ সকল বিষয় হতে বঞ্চিত করেছেন। সে তার সন্তানকে বুকের দুধ পান করায় নি। তাই ডাক্তার তাকে তিরস্কার করেন।

116
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন, বয়স, পজিশন এবং অ্যামনিউটিক ফ্লুইডের পরিমাণ পরীক্ষা করার পদ্ধতি হলো আলট্রাসনোগ্রাম।

255
উত্তরঃ

২০ বছরের নিচে গর্ভধারণকারী মা-কে ঝুঁকিপূর্ণ মা বলার কারণ হলো এদের মা হওয়ার মতো মানসিক পরিপক্কতা ও শারীরিক পূর্ণতা থাকে না।

অপরিণত বয়সে যেসব মেয়ে মা হয়, তারা নানা রকম শারীরিক ও মানসিক জটিলতায় ভোগে। এছাড়াও এ বয়সে একটি মেয়ের সন্তান ধারণ করা, জন্ম দেওয়া ও পালন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকে না। ফলে সে নিজে ও তার গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

229
উত্তরঃ

রহিমা ৩ মাসের গর্ভবর্তী। গর্ভবতীর ১ম তিন মাস হলো গর্ভসঞ্চারের পর থেকে ১২ সপ্তাহ।

গর্ভাবস্থায় ভূণের বৃদ্ধি-সামান্য হয় বলে পুষ্টির চাহিদা খুব একটা বৃদ্ধি পায় না। তাই রহিমার দেহকে সুস্থ রাখার জন্য, দেহের প্রয়োজনীয় গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সুষম খাদ্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়গুলো প্রাধান্য দিতে হবে। এ সময় তার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো-

১. মূত্র পরীক্ষা: গর্ভসঞ্চার নির্ধারণের জন্য করা হয়।

২. রক্তের নিয়মিত পরীক্ষা: রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, হিমোগ্লোবিন, হেপাটাইটিস ভাইরাস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রান্ত পরীক্ষা এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষা।

৩. আলট্রাসনোগ্রাম: ফিটাসের সুস্থতা, সংখ্যা, ওজন ইত্যাদি নির্ণয় করা।

215
উত্তরঃ

রহিমার মানসিক বিপর্যয় তার গর্ভের শিশুর উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

রহিমার আশেপাশের পরিবেশে ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কলহ ও অশান্তি লেগেই রয়েছে। ফলে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

রহিমা গর্ভবতী, এই অবস্থায় শারীরিক যত্নের সাথে সাথে মানসিক যত্ন নেওয়া আবশ্যক। কারণ শরীর ও মন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। জন্মের পূর্বে মায়ের অনুভূতি, আবেগ, ক্রোধের সাথে ভ্রূণ শিশুর কোনো রকম যোগাযোগ থাকে না। তবুও মায়ের মনের তীব্র ক্ষোভ, উত্তেজনা, মায়ের দেহে রাসায়নিক পরিবর্তন সৃষ্টি করে, যার প্রভাবে ভ্রূণ শিশুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মায়ের হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়াসহ দেহের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। এতে ভ্রূণ শিশুর অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়। রহিমার পারিবারিক ক্লেশ, ক্লান্তি ও অতিরিক্ত উদ্বেগ ভূণের গঠনে অস্বাভাবিকতা আনতে পারে এবং গর্ভাবস্থার শেষের দিকে এ ধরনের মানসিক ক্লান্তি ও ক্লেশ শিশুর মধ্যে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে। মায়ের মনের মানসিক অশান্তির কারণে সন্তানেরা পরিবেশের সাথে সহজে খাপ খাওয়াতে পারে না।

তাই রহিমার উচিত গর্ভাবস্থায় পরিবারের সকলের সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখা। সবসময় ইতিবাচক পরিবেশে অবস্থান করা। রহিমা যাতে আনন্দ ও প্রফুল্লচিত্তে থাকেন, সেদিকে সকলের সচেষ্ট থাকা উচিত।

214
উত্তরঃ

গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ দেখা যায়। গর্ভাবস্থায় রুবেলা (German measels), সিফিলিস, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকার প্রভৃতি রোগ হতে পারে। এ জাতীয় রোগ ভূণের ক্ষতিসাধন করে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

252
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews