জিটিআই (GTI) বা গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে কর্মমুখী করার লক্ষ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণের প্রতিষ্ঠান।
বিশ্বের অফুরন্ত জ্ঞান ভান্ডারের সঞ্চয় আমানত হলো ইন্টারনেট। গবেষণামূলক কাজের জন্য বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত, পরিসংখ্যান ইত্যাদি সর্বপ্রকার তথ্যই ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। তাছাড়া একজন গবেষক তাঁর গবেষণার কাজে সাহায্যের জন্য বিভিন্ন পুস্তক ব্যবহার করেন। এসব পুস্তক পৃথিবীর যে প্রান্তের লাইব্রেরিতেই থাকুক না কেন, তা খুব সহজেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাউনলোড করে পড়া যায়। এসব কারণেই গবেষণামূলক কাজে ইন্টারনেট প্রয়োজন।
সোবহান সাহেব ছাত্রদের নিয়ে যে খামার প্রদর্শন করতে গিয়েছিলেন তা একটি গবাদিপশুর খামার।
উক্ত খামার কৃষিকাজে ও খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখে। এছাড়া এই খামার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও স্থানীয় অর্থ সাশ্রয়ে সাহায্য করে। আবার পশুজাত পণ্যের বিপণন ব্যবস্থা বাণিজ্যিকীকরণে অনেক খামার গড়ে উঠেছে, ফলে এটি শিল্পায়নে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা যায়। যেমন- গবাদিপশু লতাপাতা, কলার ছাল, তরকারির পাতা ও অবশিষ্টাংশ, ধান ও গমের খড় ইত্যাদি খেয়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখে। এগুলো ছাড়াও গবাদিপশু যোগাযোগ ব্যবস্থা, সার উৎপাদন, জ্বালানি সরবরাহ ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখে।
এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, বাংলাদেশের কৃষিজ কার্যক্রম ও উন্নয়নে গবাদিপশুর খামারের গুরুত্ব অপরিসীম।
সোবহান সাহেবের প্রদর্শিত খামারটি ছিল গবাদিপশুর খামার। উক্ত খামার বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যেমন- কৃষিকাজে ও খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখে। গবাদিপশু কৃষিকাজের বিভিন্ন ধাপ যেমন- জমি চাষ, ফসল মাড়াই ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে। ফলে চাষ খরচ কমে যায়। আবার গবাদিপশু থেকে উৎপাদিত পণ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন খামার গড়ে উঠেছে। যেমন- ডেইরি খামার, মাংস ও মাংসজাত শিল্প, হাড় প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে ট্যানারি শিল্প, চামড়া দ্বারা তৈরি ব্যাগ, স্যুটকেস, কোট তৈরির ফ্যাক্টরি ইত্যাদি। এগুলো কৃষি শিল্পে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে।
শুধু দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য বিভিন্ন ডেইরি ফার্ম এবং গরু মোটাতাজাকরণ ও ছাগল খামার শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। আবার মাঠ থেকে ফসল বয়ে আনার জন্য, হাট-বাজারে বিভিন্ন পণ্য পরিবহন ইত্যাদি কাজে গবাদিপশু ব্যবহৃত হয়, যা পরিবহন খরচ কমিয়ে দেয়। গবাদিপশুর গোবর পুকুরে বা বদ্ধ জলাশয়ে মাছের খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করলে খাদ্য খরচ কমে যায়।
অতএব বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সোবহান সাহেবের প্রদর্শিত খামারের গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allবঙ্গোপসাগরে ও উপকূলীয় এলাকায় অর্থাৎ লোনা পানিতে যেসব মাছ বাস করে সেগুলোকে লোনা পানির মাছ বলে।
মাটির গুণগতমান উন্নয়নের জন্য গাছে ফুল আসার পূর্বে লিগিউম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ দিয়ে মাটিতে মিশিয়ে যে সার তৈরি করা হয় তাকে সবুজ সার বলে।
ধৈঞ্চা ও শনপাট জমিতে প্রচুর পরিমাণে জৈব পদার্থ যোগ করে। ধৈঞ্চা গাছের শিকড়ে নডিউল সৃষ্টি হয় যা মিথোজীবী প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে ফসলের গ্রহণোপযোগী করে তোলে। তাই জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য ধৈঞ্চা ও শনপাটকে জমিতে সবুজ সার হিসেবে উৎপাদন করা হয়।
উদ্দীপকের 'ক' চিহ্নিত ফসল হলো মাঠ ফসল। যে সকল ফসল সাধারণত উন্মুক্ত মাঠে বেড়াবিহীন অবস্থায় তুলনামূলক কম পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপাদন করা হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে। মাঠ ফসলের বৈশিষ্ট্য হলো-
i. সাধারণত বড় জমিতে চাষ করা হয়।
ii. মাঠের সমস্ত ফসলকে একত্রে বা সমষ্টিগতভাবে যত্ন নেওয়া হয়।
iii. তুলনামূলকভাবে কম যত্নের প্রয়োজন হয়।
iv. মাঠের সমস্ত ফসল একত্রে পরিপক্ক হয় বলে একত্রে সংগ্রহ করতে হয় (ব্যতিক্রম- তুলা)।
v. বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না (ব্যতিক্রম- রাস্তার পাশের জমি)।
vi. মৌসুমের শুরুতে দাম কম থাকে।
vii. সেচ না দিয়েও অনেক ফসল চাষ করা যায়।
viii. একবর্ষজীবী ফসল (ব্যতিক্রম- চা)।
ix. নিচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে চাষ করা হয়।
Χ. ফসলের উৎপাদন খরচ ও ঝুঁকি বেশি।
xi. ফসল শুকিয়ে মাড়াই করে ব্যবহার করা হয় (ব্যতিক্রম- পাট, আখ ইত্যাদি)।
xii. আকারে খাটো ও ছোট হয় (ব্যতিক্রম- আখ, পাট, ভুট্টা ইত্যাদি)।
অর্থাৎ মাঠ ফসলের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যাবলি লক্ষ করা যায়।
উদ্দীপকে কৃষি শিক্ষকের বর্ণিত বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে রয়েছে মাঠ ফসল, উদ্যান ফসল, গবাদিপশু, পোল্ট্রি, সামাজিক বনায়ন ও মৎস্য।
বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষের জীবন ও জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে সম্পর্কিত। কৃষি মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প কারখানার প্রসার ঘটিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম করে। নিচে বাংলাদেশের মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রায় উপরে বর্ণিত উপাদানসমূহের গুরুত্ব বর্ণনা করা হলো-
i. খাদ্যের সিংহভাগ আসে কৃষি হতে। যেমন- চাল, ডাল, গম, শাকসবজি, মাছ ইত্যাদি।
ii. কৃষি হলো বস্ত্র তৈরির প্রধান কাঁচামালের উপাদান যেমন- পাট, তুলা, রেশম ইত্যাদির উৎস।
iii. গৃহ নির্মাণে ব্যবহৃত উপকরণ যেমন- কাঠ, বাঁশ, খড়, শন, গোলপাতা প্রভৃতির উৎস হলো কৃষি। আসবাব তৈরির মূল উপকরণ আসে বন হতে।
iv. বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক, মরফিন, কোকেন এবং রাসায়নিক দ্রব্য উদ্ভিদ হতে প্রস্তুত করা হয়।
V. শিক্ষার উপকরণ যেমন- কাগজ, পেন্সিল ইত্যাদি আসে কৃষির উপাদান হতে।
vi. জ্বালানি হিসেবে বাঁশ, খড়, নাড়া, গবাদিপশুর বিষ্ঠা ইত্যাদি গৃহস্থালির কাজে ও ইটের ভাটায় ব্যবহৃত হয়, যা কৃষি হতে আসে।
vii. এ দেশের মোট শ্রমশক্তির শতকরা ৪০.৬ ভাগ কৃষি হতে আসে।
viii. বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার ১১% কৃষিজ পণ্য রপ্তানির ফলে আসে।
ix. মাছের চর্বি, কাঁটা, হাড় ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবৃহত হয়।
x. মাছের কাঁটা, আঁইশ, বিষাক্ত মাছ ইত্যাদি শুকিয়ে গুঁড়া করে সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করলে ফসফরাসের অভাব দূর করা যায়।
অতএব, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রায় উদ্দীপকের উপাদানসমূহের গুরুত্ব অনেক।
ই-বুক হলো এক ধরনের ইন্টারএকটিভ ডিজিটাল বই যাতে কোনো বিষয়ে টেক্সট কনটেন্টের সাথে অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ইত্যাদিও সমন্বিত আকারে থাকে।
স্বল্প পরিসরে প্রতিটি উদ্ভিদের আলাদা যত্ন করার মাধ্যমে বাগানে যে ফসলের চাষ করা হয় তাকে উদ্যান ফসল বলে। ফুল, ফল, শাকসবজি ও মসলাজাতীয় ফসল উদ্যান ফসলের অন্তর্ভূক্ত। সাধারণত বসতবাড়ি সংলগ্ন উঁচু জমিতে উদ্যান ফসলের আবাদ করা হয়। আমাদের দেশে উৎপাদিত মোট ফসলের প্রায় ৩০ শতাংশই আসে উদ্যান ফসল থেকে। উদ্যান ফসল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে, পুষ্টির চাহিদা পূরণে ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!