যেকোনো স্থানে বসতি স্থাপনের ক্ষেত্রে ভূপ্রকৃতি, মাটি, পানি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব উপাদানের কোনো একটি অপ্রতুল থাকলে সেখানে মানব বসতি গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। উদ্দীপকে সৌরভ যা দেখেছিল-
যেমন সমতল ভূমিতে কৃষিকাজ সহজে করা যায়, কিন্তু পাহাড়ি এলাকায় ভূমি অসমতল হওয়ায় কৃষিকাজ করা তেমন সম্ভব হয় না। জীবন ধারণের জন্য মানুষের প্রথম ও প্রধান চাহিদা হলো বিশুদ্ধ পানীয় জল। তাই পানীয় জলের অপ্রতুলতা থাকলে সেখানে বসতি গড়ে ওঠে না।
মাটির উর্বরা শক্তির উপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়। উর্বর মাটিতে পুঞ্জিভূত জনবসতি গড়ে ওঠে, কিন্তু মাটি অনুর্বর হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। আবার প্রাচীনকাল থেকে যাতায়াত ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করেও বসতি গড়ে উঠেছে। কোথাও যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত হলে সেই স্থানে বসতি তেমন গড়ে ওঠে না।
সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, ভূমির বন্ধুরতা, মাটির অনুর্বরতা, পানীয় জলের অপ্রতুল্যতা এবং অনুনন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা বসতি স্থাপনের অন্তরায়
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!