শিক্ষকদের কাছে প্রমোশনের জন্য অনুরোধ জানিয়ে ব্যর্থ হলে আদুভাই তার প্রতিবাদে স্কুলগেটে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করছিলেন।
'আদুভাই' গল্পে আদুভাইয়ের ছেলে ক্লাস সেভেন প্রমোশন পেলে আদুভাইকেও সেভেন থেকে উত্তীর্ণের জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়তে হয়। নিজের আপত্তি না থাকলেও স্ত্রীর হুমকিতেই তিনি শিক্ষকদের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছিলেন। পরীক্ষার খাতায় তাঁর মনগড়া উত্তরের জন্য শিক্ষকরা প্রমোশন আটকে দিলে তিনি বিশেষ বিবেচনার দ্বারস্থ হন। তাতেও প্রমোশন না মিললে ক্ষোভে স্কুলগেটে দাঁড়িয়ে বক্তৃতার মাধ্যমে তার প্রতিবাদ জানান।
আদুভাইয়ের অসহায় মুহূর্তে প্রমোশনের জন্য সুপারিশ না করায় তিনি শিক্ষকদের বিবেচনাবোধের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলগেটে বক্তৃতা করেন।
Related Question
View Allপরীক্ষার খাতায় মনগড়া উত্তর লেখায় আদুভাই পাশ নম্বর পেতেন না। পাশ নম্বর না পেয়ে কখনো প্রমোশনের জন্য আবেদনও করতেন না। এভাবেই তিনি ক্লাস সেভেনে আটকে থাকতেন।
'আদুভাই' গল্পে আদুভাই ক্লাস সেভেনে আটকে পড়া একজন শিক্ষার্থী। তিনি কখন থেকে ক্লাস সেভেনে পড়েন তা কেউ জানে না। তাঁর সহপাঠীরা অনেকে একই স্কুলে শিক্ষকতাও করেন। তাতে তাঁর কোনো ভাবান্তর হয় না। তিনি নিয়মিত স্কুলে আসতেন, প্রথম বেঞ্চে বসতেন, মন দিয়ে ক্লাস করতেন, নোট করতেন। কিন্তু পরীক্ষার খাতায় উত্তর দিতেন মনগড়া। প্রশ্নের সঙ্গে সাযুজ্য না রেখে উত্তর লেখায় শিক্ষকরা তাঁকে নম্বর দিতেন না। তাঁর প্রমোশন আটকে যেত। তাঁর বন্ধুরা তাঁকে প্রমোশনের জন্য নানাবিধ পদ্ধতি অনুসরণ করার কথা বললে তিনি ক্ষেপে যেতেন। জ্ঞানলাভের জন্য পড়াশোনা, প্রমোশনের জন্য নয়, এমন বক্তব্য দিয়ে তিনি পালটা যুক্তি দিতেন। যথাসময়ের পূর্বে প্রমোশন নেওয়া তাঁর পছন্দ ছিল না। সব সাবজেক্টে পাকা হয়েই তিনি প্রমোশনের পক্ষপাতী ছিলেন। কিন্তু তাঁর পাকা হওয়া আর হয়ে উঠত না। এভাবেই প্রমোশন না পেয়ে এবং তাঁর জন্য অতিরিক্ত কোনো প্রচেষ্টা না চালিয়ে যুগ যুগ ধরে তিনি ক্লাস সেভেনের স্থায়ী শিক্ষার্থী হয়ে উঠেছিলেন।
আদুভাই সব সাবজেক্টে পাকা হয়েই প্রমোশনে বিশ্বাস করতেন। কিন্তু তাঁর পরীক্ষার খাতায় দেখা যেত ভিন্ন চিত্রের প্রতিফলন। পরীক্ষার খাতায় তাঁর মনগড়া উত্তর দেখে শিক্ষকরা তাঁকে নম্বর দিতে পারতেন না। তাই আদুভাই ক্লাস সেভেনে আটকে যান।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!