কলেজপাড়া, নীলফামারী
১৫ জানুয়ারি ২০২৫
প্রিয় মাহির
শীতের এ সকালে একরাশ শুভেচ্ছা তোমার জন্য। তোমার চিঠি পেয়েছি অনেক দিন হলো। ব্যস্ততার জন্য সময়মতো উত্তর দিতে পারিনি।
গতকাল আমাদের স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো। বন্ধুদের চাপে পড়ে বস্তাদৌড়ে নাম দিয়েছিলাম আমি। প্রতিযোগিতার আগের দিন ছিল বাছাই পর্ব। প্রতি ইভেন্টে ১০ জন করে বাছাই করা হলো। কিন্তু বস্তাদৌড়ে নাম জমা পড়েছিল মাত্র সাত জনের। তাই বাছাই দৌড় হয়নি।
গতকাল ছিল প্রতিযোগিতা। এ উপলক্ষ্যে স্কুলের মাঠটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছিল। শিক্ষক, অভিভাবক ও অতিথিদের জন্য ছিল একটি এবং ছাত্রদের জন্য ছিল আলাদা একটি প্যাভিলিয়ন। সকাল ৯টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হলো। ক্রীড়াবিদ ও স্কাউটদের উদ্যোগে পরিবেশিত হয় কুচকাওয়াজ। গত বছরের চ্যাম্পিয়ন দৌড়বিদ হিমেল ভাইয়া মশাল হাতে একবার পুরো মাঠ ঘুরে এসে শিখা অনির্বাণ প্রজ্বালন করেন। এরপর প্রধান অতিথি জনশিক্ষা পরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এরপর শুরু হয় প্রতিযোগিতা। দৌড়, লাফ, বর্ষা নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, যেমন খুশি তেমন সাজো, রশি টানাটানি ইত্যাদি দর্শকদের প্রচুর আনন্দ দিয়েছে। স্কুলের শিক্ষকদের জন্যও আলাদা দৌড় প্রতিযোগিতা ছিল। আমাদের বস্তাদৌড় ছিল ভারি মজার। বস্তার মধ্যে পা ঢুকিয়ে দৌড়াতে গিয়ে প্রত্যেকেই হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। ছোটো মামা কয়েক দিন ধরে বাসায় ট্রেনিং দেওয়ায় আমি দৌড়ের কায়দাটা বেশ রপ্ত করেছিলাম। তবু প্রথম হতে পারিনি; দ্বিতীয় হয়েছি। অষ্টম শ্রেণির মর্তুজা ভাইয়া প্রথম হয়েছেন।
বিকেলে ছিল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। আমি পুরস্কার হিসেবে একটা অভিধান পেয়েছি।
তোমাদের স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কবে হবে জানিয়ো।
ভালো থেকো।
ইতি
তোমার বন্ধু
শুভ্র
[এখানে প্রাপক ও প্রেরকের ঠিকানা সংবলিত খাম আঁকতে হবে।]
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!