সময়ের সাথে বেগের বৃদ্ধিকে ত্বরণ বলে।
দ্রুতি ও বেগের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো-
দুতি | বেগ |
১. একক সময়ে 'অতিক্রান্ত ১. দূরত্বকে দ্রুতি বলে। | ১.নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্বকে বেগ বলে। |
২. দ্রুতি দ্বারা অবস্থানের পরিবর্তনের হার কোনদিকে ঘটেছে তা জানা যায় না। | ২. বেগ দ্বারা বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তনের হার কোনদিকে ঘটেছে তা জানা যায়। |
সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে।
অর্থাৎ, ত্বরণ =বেগের মোট বৃদ্ধি/মোট সময়
আবার, বেগের মোট বৃদ্ধি শেষ অবস্থার বেগ স্থির অবস্থার বেগ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ অবস্থার বেগ = ১২ মিটার/সেকেন্ড
স্থির অবস্থার বেগ = ০
মোট সময় = ১০ সেকেন্ড
বেগের মোট বৃদ্ধি =(১২০) মিটার/সেকেন্ড
= ১২ মিটার/সেকেন্ড
ত্বরণ = ১২ মিটার/সেকেন্ড/১০ সেকেন্ড = ১.২ মিটার/সেকেন্ড
করিমের ত্বরণ ১.২ মিটার/সেকেন্ড'।
করিম সমবেগে দৌড়ালে তার ত্বরণ থাকবে না।
যুক্তিসহকারে বিশ্লেষণ: আমরা জানি, সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে। ত্বরণ হতে হলে চলমান কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর বেগ বৃদ্ধি করতে হবে। কোনো চলমান ব্যক্তি বা বস্তু যদি সমবেগে চলে অর্থাৎ এর বেগ বৃদ্ধি না পায় তখন এর ত্বরণ থাকবে না। করিমের ক্ষেত্রেও এ ঘটনা ঘটেছে। সময়ের সাথে যদি করিমের বেগ আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেত তাহলে তার, ত্বরণ থাকত। কিন্তু প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী করিমের বেগ বৃদ্ধি পায়নি। তাই তার ত্বরণ থাকবে না। সুতরাং সমবেগে দৌড়ালে করিমের ত্বরণের কোনো পরিবর্তন হবে না।
Related Question
View Allকোনো গতিশীল বস্তু যদি একই দিক থেকে একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
দেয়াল ঘড়ির দোলকের গতি দোলন বা স্পন্দন গতি।
ব্যাখ্যা: আমরা জানি, যখন কোনো গতিশীল বস্তু একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর বিপরীতমুখী হয় তখন তার গতিকে দোলনগতি বলে। অন্যভাবে আমরা বলতে পারি যে, পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন কোনো বস্তুর গতি যদি এমন হয় যে, পর্যায়কালের অর্ধেক সময় কোনো একদিকে এবং বাকি অর্ধেক সময় পূর্ব গতির বিপরীত দিকে চলে, তবে ঐ বস্তুর গতিকে দোলন গতি বলে। দেয়াল ঘড়ির দোলকটির ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, নির্দিষ্ট সময় পরপর দোলকটি এদিক-ওদিক চলে, যা দোলনগতির উদাহরণ। অতএব, দেয়াল ঘড়ির দোলকের 'গতি দোলন বা স্পন্দন গতি।
খুশবুর বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব ১৫০০ মিটার। খুশবুর স্কুলে পৌছাতে সময় লাগে ১৫ মিনিট।
আমরা জানি, দ্রুতি = অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়
=১৫০০ মিটার =১০০ মিটার/মিনিট
১৫ মিনিট
খুশবুর দ্রুতি ১০০ মিটার/মিনিট।
হৃদিতার বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব, ১৮০০ মিটার এবং হৃদিতার স্কুলে পৌঁছতে সময় লাগে'২০ মিনিট।
আমরা জানি, দ্রুতি = অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়
= ১৮০০ মিটার/২০ মিনিট/= ৯০ মিটার/মিনিট
হৃদিতার দ্রুতি ৯০ মিটার/মিনিট।
আবার, সদিচ্ছার বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব ২১০০ মিটার। সদিচ্ছার স্কুলে পৌঁছাতে সময় লাগে ৩০ মিনিট।
দ্রুতি =২১০০ মিটার/৩০ মিনিট/= ৭০ মিটার/মিনিট
সদিচ্ছার দ্রুতি ৭০ মিটার/মিনিট।
অতএব, গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা পাই যে, হৃদিতার দ্রুতি বেশি।
সময়ের সাথে পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে কোনো বস্তুর অবস্থানের পরিবর্তন না হলে ঐ অবস্থাকে স্থিতি বলে।
যে পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে গতি বা স্থিতি পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় প্রসঙ্গ কাঠামো। সুতরাং, প্রসঙ্গ কাঠামো হলো এমন কোনো সুনির্দিষ্ট বস্তু বা বিন্দু যার সাপেক্ষে বস্তুর স্থিতি বা গতি নির্ণয় করা হয়। প্রসঙ্গ কাঠামো হতে পারে যেকোনো ব্যক্তি, যেকোনো বস্তু, যেকোনো স্থান। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই এদের সুনির্দিষ্ট হতে হবে। আমরা যদি বাড়ি - থেকে স্কুলের দূরত্ব মাপতে চাই, সেক্ষেত্রে বাড়ি হবে প্রসঙ্গ কাঠামো। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব জানতে চাইলে পৃথিবী হবে প্রসঙ্গ কাঠামো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!