রবিনের স্কুলের সামনে যে দোকানটি আছে সেখানে এমন সব খাবার বিক্রি করা হয় যেগুলোর উপকরণ আগে থেকেই তৈরি থাকে। খাওয়ার সময় এগুলো দ্রুত পরিবেশন করা হয়। এগুলোকে ফাস্টফুড বলে। এ ধরনের দোকানে ভাজার জন্য একই তেল বার বার ব্যবহার করে। আর ব্যবহৃত কাঁচামাল বিশুদ্ধ ও পুষ্টিকর থাকে না। বেঁচে যাওয়া পচা, বাসি উপকরণ ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। খাদ্য প্রস্তুতের স্থান, প্রস্তুতকারীর পরিচ্ছন্নতা ও সরঞ্জামাদি ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত থাকে না। তাই তৈরিকৃত খাদ্যে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে। এসব জীবাণুযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে দেহ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে স্কুল কর্তৃপক্ষ দোকানটি বন্ধ করে দেয়। তাই আমি মনে করি, স্কুল কর্তৃপক্ষের নেওয়া পদক্ষেপটি যথার্থ।
Related Question
View Allঅসাধু ব্যবসায়ীরা অপরিণত ফল পাকাতে কার্বাইড ব্যবহার করে
খাদ্য নয় এমন সব দ্রব্যাদি মিশ্রিত খাদ্যকে ভেজাল খাদ্য বলা হয়। ভাসৎ উদ্দেশ্য ও ব্যক্তিগত লাভের আশায় বিক্রেতারা খাদ্যে ভেজাল মিশ্রিত করে।
দীপকের ডায়রিয়ায় ভোগার কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ। শরীরকে সুস্থ, কর্মক্ষম ও নীরোগ রাখার জন্য পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।
দীপক প্রতিদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে ফেরিওয়ালার কাছ থেকে আচার, চাটনি, কেক, আইসক্রিম, হাওয়াই মিঠাই কিনে খায়। এগুলোতে বিভিন্ন ক্ষতিকর রং মিশ্রিত থাকে। আবার এতে ব্যবহৃত কাঁচামাল বিশুদ্ধ ও' পুষ্টিকর হয় না। এছাড়া বেঁচে যাওয়া পচা, বাসি উপকরণ বারবার ব্যবহার করা হয়। খাদ্য প্রস্তুতকারী ও প্রস্তুতের স্থানও অপরিচ্ছন্ন থাকে। পরিবেশনের সরঞ্জামাদিও জীবাণুমুক্ত থাকে না। ফলে এগুলো খেলে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় (ডায়রিয়া, আমাশয়, আলসার, ক্যান্সার ইত্যাদি)। উল্লিখিত অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণের ফলেই দীপক ডায়রিয়ায় ভোগে।
দীপক য়ে ধরনের খাবার খেয়ে থাকে তাতে ব্যবহৃত পদার্থ দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করে।
খাদ্যকে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় করার জন্য তাতে টেক্সটাইল ডাই বা লেদার ডাই ব্যবহার করা হয়। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। দীপক ফেরিওয়ালার কাছ থেকে আচার, চাটনি, কেক, হাওয়াই মিঠাই, আইসক্রিম এ কিনে খায়। নিয়মিত এ ধরনের ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে রোগ প্রতিরোধ কৃ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শরীর রোগাক্রান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে অ ডায়রিয়া, পেটের সমস্যা, হেপাটাইটিস, আমাশয়, টাইফয়েড, কিডনির সমস্যা, চর্মরোগ প্রভৃতি রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সুতরাং, দীপক যে ধরনের খাবার খেয়ে থাকে তাতে ব্যবহৃত পদার্থ দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি ক্ররে থাকে।
পরিশ্রমের কাজ করলে বেশি শক্তি খরচ হয়।
আমরা ক্ষুধা নিবারণের জন্য খাবার খাই। যখন অবস্থাভেদে প্রচলিত-তখাবার গ্রহণ না করে আমরা অন্য খাবার খাই তাকে ব্রিকল্প খাদ্য বলে।
যেমন: ভ্রমণকালীন সময়ে ভাতের পরিবর্তে শুকনা খাবার।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!