স্কুল মাঠে একদল শিশু আপন মনে খেলায় ব্যস্ত। মাঠের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন পাড়ার সকলের বেলুমামা। তিনি শিশুদের ডেকে বললেন, 'তোমরা এমন দৌড়ঝাঁপ করতে গিয়ে হাত-পা ভাঙবে, ব্যথা পাবে। তার চেয়ে এসো সবাই বসে পড়ালেখা করি- জান বাড়বে, বিদ্যাবুদ্ধি বাড়বে।' একটি শিশু বলল, 'মজাটা কমবে।' সাথে সাথে সব শিশুরা হেসে উঠল। একে একে সবাই ছুটে পালাল খেলার মাঠে- মনের আনন্দে শুরু করল খেলা।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

ব্রাহ্মণশূদ্রের প্রভেদ নেই খেলার মাঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

আনন্দবিহীন উপরি পাওনার লোভে যে খেলা হয় তাকে জুয়াখেলার সাথে তুলনা করা যায়।
সাহিত্য হবে নিছক আনন্দের জন্য আর আনন্দময় সাহিত্যই হলো প্রকৃত সাহিত্য। প্রমথ চৌধুরী তাঁর এমন বক্তব্যের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন যে, সাহিত্য কেবলমাত্র সাহিত্যিকের হৃদয় নিঃসৃত আনন্দের ঝরনাধারা দিয়েই প্রবাহিত হবে। কেননা, উদ্দেশ্য-প্রধান সাহিত্য রচনা করলে বা অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য রচনা করলে তা হবে অত্যন্ত নিম্নমানের সাহিত্য, যা অনেকটা জুয়াখেলার মতোই। কেননা, এতে উপরি পাওনার আশা থাকে। আর প্রকৃত সাহিত্যে থাকে উদ্দেশ্যবিহীন স্বতঃপ্রণোদিত খেলার মতোই নির্মল আনন্দ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বেলুমামা কেবল শিক্ষাদানকেই মুখ্য মনে করায় তিনি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের শিক্ষক চরিত্রের সঙ্গে তুলনীয়।..
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বলা হয়েছে, কাব্য পড়ার ও বোঝার জিনিস কিন্তু শিক্ষকের কাজ হলো বই পড়ানো ও বোঝানো। ফলে কবি-সাহিত্যিকদের সাথে পাঠকের মনের মিলন ঘটে না। শিক্ষকরা সাহিত্যের রূপ দেখান না শুধু তার গুণ শোনান। শিক্ষকদের সাহায্যে শিক্ষার্থীরা কাব্য সম্বন্দ্বে নিগূঢ় তত্ত্ব সম্পর্কে জানতে পারে ঠিকই কিন্তু রস আস্বাদন করতে পারে না। কারণ শিক্ষকরা শুধু জ্ঞান অর্জনকেই মুখ্য বলে মনে করেন। উদ্দীপকে দেখা যায়, একদল শিশু আপন মনের আনন্দে মাঠে খেলায় ব্যস্ত। বেলুমামা সে মাঠের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় শিশুদের আঘাত পাওয়ার ভয় দেখিয়ে খেলতে নিষেধ করেন। তিনি শিশুদের জ্ঞান বাড়াতে বিদ্যাবুদ্ধি বাড়াতে পড়ালেখা করতে বলেন। ফলে আনন্দের বিপরীতে জ্ঞানলাভকে মুখ্য হিসেবে দেখার জন্য উদ্দীপকের বেলুমামা আলোচ্য প্রবন্ধের স্কুলমাস্টার চরিত্রের সঙ্গে তুলনীয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যের উদ্দেশ্য এবং উদ্দীপকের শিশুদের খেলার উদ্দেশ্য অভিন্ন আর তা হলো আনন্দলাভ।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী বলেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হলো সকলকে আনন্দদান করা। শিক্ষাদান করা নয়। মানুষ স্বেচ্ছায় ও আনন্দে সাহিত্যের রসাস্বাদন করবে। তিনি সাহিত্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন খেলাধুলার। তাঁর মতে, খেলাধুলায় যেমন নিছক আনন্দই প্রধান, সাহিত্যেও তাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, একদল শিশু আপন মনে স্কুল মাঠে খেলায় ব্যস্ত। বেলুমামা তাদের খেলা ছেড়ে পড়ালেখা করতে বলেন। কিন্তু শিশুরা একসাথে সবাই ছুটে পালায়। কারণ তারা জানে খেলায় আনন্দ বেশি। তারা তাই সবাই মনের আনন্দে মাঠে খেলা শুরু করে।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেছেন, খেলাধুলায় যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই, সাহিত্যের উদ্দেশ্যও তেমনি একমাত্র আনন্দদান করা। মানুষের মনে সাড়া জাগানো। বিষয়টি উদ্দীপকের শিশুদের খেলার উদ্দেশ্যের মতো। কারণ তারা জানে খেলা বাদ দিয়ে শুধু পড়াশোনা করলে মজা কমবে। খেলাধুলার মধ্যেই রয়েছে আনন্দ। এ কারণে বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
95

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে 'অতি সস্তা খেলনা' বলতে সেই সাহিত্যকে বোঝানো হয়েছে, যা অতি সহজেই পাঠকের মনোরঞ্জন করে।
লেখকের মতে, সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, কারো মনোরঞ্জন করা নয়। সাহিত্য যখন কারো মনোরঞ্জন করে তখন তার মধ্যে আর কোনো আদর্শ থাকে না। তা পরিণত হয় একটি সস্তা খেলনায়। প্রকৃত সাহিত্যিকদের কাছ থেকে এ রকম 'সস্তা খেলনা' জাতীয় সৃষ্টিকর্ম প্রাবন্ধিক প্রত্যাশা করেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
197
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মনোরঞ্জনের মাধ্যমে সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, খেলাধুলার যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকে না, সাহিত্যেরও পিছনে তেমনই আনন্দদান ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকা উচিত নয়। লেখকের ব্যক্তি-মননের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ ঘটবে সাহিত্যে। প্রাবন্ধিকের মতে, সাহিত্যে যখন তত্ত্ব-উপদেশ প্রকাশ পায় বা সাহিত্য যখন জনসাধারণের মনোরঞ্জনের জন্য রচিত হয় তখন তা স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, জ্ঞানের কথা আমাদের মনে কোনো আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। যেমন, সূর্য পূর্বাকাশে ওঠে- এ তথ্য আমাদের মন টানে না। কিন্তু সূর্যোদয়ের যে সৌন্দর্য তা আমাদের মনে আনন্দের জন্ম দেয়। এই আনন্দ সৃষ্টি করা অর্থাৎ সৌন্দর্যলোকের সন্ধান দেওয়াই সাহিত্যের কাজ। সাহিত্যে নির্মিত সৌন্দর্য-অনুভূতি যদি লোকহিত সাধন করে, তাতে সাহিত্যের কুললক্ষণ নষ্ট হয় না। শুধু লোকহিতার্থে ও সন্তুষ্টির জন্য প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। উল্লিখিত অনুচ্ছেদে এ বিষয়ই উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্যের স্বধর্মচ্যুত হওয়ার বিষয়টি অনুচ্ছেদটিতে যথাযথভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
126
উত্তরঃ

উপরের অনুচ্ছেদে শিক্ষা ও সাহিত্যের পার্থক্য স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হওয়ায় 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের 'শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী' বক্তব্যটি উপরের অনুচ্ছেদে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে।

সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুযায়ী সাহিত্যের কাজ মানুষের মনকে জাগানো। সেখানে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। অন্যদিকে, শিক্ষা হলো সেই জিনিস যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানুষ গলাধঃকরণ করতে বাধ্য হয়। সেখানে আনন্দ থাকে না, থাকে বাস্তবতার কৌশল। সাহিত্যে থাকে রসের আবেগ ও ব্যক্তি-মনের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ। লেখকের এ বক্তব্য প্রমাণ করে, শিক্ষা ও সাহিত্য এক জিনিস নয়। উভয়ের উদ্দেশ্যও ভিন্ন।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটিতে শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্যকে স্বতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করার প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকের মর্মার্থ হচ্ছে, শিক্ষণীয়। বিষয় অর্থাৎ জ্ঞানের কথা একবার জানা হয়ে গেলে তা আর জানতে ইচ্ছা করে না বা তা জেনে মনে আনন্দও জন্মে না। কিন্তু-সাহিত্য সৃষ্টিকাল থেকে আজও পাঠক-হৃদয়ে সৌন্দর্য ও আনন্দানুভূতি জাগিয়ে রেখেছে।
আলোচ্য প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের বক্তব্য থেকে উপলব্ধি করা যায়, শিক্ষা মানুষকে একটি নির্দিষ্ট গণ্ডিতে বেঁধে রাখে এবং তা একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকেই বাস্তবায়ন করে। কিন্তু সাহিত্য মানুষের মনের প্রসার ঘটায় ও পাঠককে নির্মল আনন্দদান করে। শুধু লোকহিতার্থে বা পাঠকের সন্তুষ্টির জন্য সাহিত্য রচনার প্রচেষ্টা সাহিত্যকে কুলত্যাগী করে। সাহিত্যিক তখন শিক্ষকে রূপান্তরিত হন। বস্তুত, মানুষের বিবেক ও বিবেকতাড়িত বিষয়ের সমষ্টিগত দৃষ্টিভঙ্গি সাহিত্যের মাধ্যমে প্রকাশ ছাড়া আর কোনো মাধ্যম দিয়ে সম্ভব নয়। এ বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বলা যায়, শিক্ষা ও সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে ভিন্নধর্মী তা উল্লিখিত অনুচ্ছেদে যথার্থভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
124
উত্তরঃ

রোদ্যার একটি শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্যের নাম হলো 'নরকের দুয়ার'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
399
উত্তরঃ

মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ, কেননা-তা উদ্দেশ্যহীন বা নিষ্কাম কর্ম।
প্রাবন্ধিকের মতে, সাধারণত মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কোনোকিছুর আকাঙ্ক্ষা রাখে না। নিষ্কাম আনন্দই তার একমাত্র প্রত্যাশা। মানুষ খেলা করে শুধু সেসময়ের কাঙ্ক্ষিত আনন্দের জন্য, অন্য কোনোকিছু পাওয়ার ইচ্ছা তার থাকে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক মনে করেন, এ কথাটির পিছনে ব্যক্তির কামনা-বাসনা বা অভিসন্ধির মতো কোনো হীন প্রবৃত্তি কাজ করে না। ক্রীড়াকে তাই তিনি শ্রেষ্ঠ কর্ম হিসেবে বিবেচনা করেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
126
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews