মৌখিক বার্তা টেলিফোন ঠিকানায় গ্রহণ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থাকে ভয়েস মেইল বলে।
যে বৃহদায়তন খুচরা ব্যবসায়ে স্ব-সেবার ভিত্তিতে প্রধানত খাদ্য ও গৃহস্থালি সামগ্রী বিক্রয় করা হয়, তাকে সুপার মার্কেট বলে।
সাধারণত সুপার মার্কেটে খাদ্য, লন্ড্রি এবং গৃহস্থালিসহ বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী প্যাকেট করে ভিন্ন ভিন্ন র্যাকে সাজিয়ে রাখা হয়। পণ্যের প্যাকেটের উপর ওজনের পরিমাণ, গুণাগুণ, মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ইত্যাদি লেখা থাকে। এটি একটি স্ব-সেবা খুচরা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এখানে কোনো বিক্রয়কর্মী থাকে না। তাই ক্রেতাকে নিজেই পছন্দ করে এবং সমমানের আরেকটি পণ্যের সাথে তুলনা করে ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সুপার মার্কেটে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকে বলে ক্রেতারা গাড়ি পার্কিং, রেস্টরুম, চেক এবং ক্রেডিট কার্ডে বিল পরিশোধ ইত্যাদি সুবিধা পেয়ে থাকেন।
উদ্দীপকে 'স্টাইলস এন্ড ফেব্রিক্স'-এর ব্যবস্থাপক মি. সোলায়মান পণ্য বিপণনে অনলাইন বিপণন পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
কম্পিউটার মডেম বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ব্যবহার করে ক্রেতা ও বিক্রেতা যোগাযোগ করে পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সম্পাদন করা হলে তাকে অনলাইন বিপণন বলে। অনলাইন বিপণন হলো আধুনিক বিশ্বে বিপণনের একটি অন্যতম কৌশল। এ কৌশল প্রয়োগ করে অতি সহজেই ক্রেতার নিকট পণ্য ও সেবার পরিচয় ঘটানো সম্ভব হয়।
উদ্দীপকে স্টাইলস এন্ড ফেব্রিক্স লি, বিভিন্ন ধরনের ফ্যাশনেবল পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। মি. সোলায়মান পণ্য বিপণনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের চিন্তা করেছেন। এই লক্ষ্যে তিনি ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটির নামে একটি পেজ খুলেন। ফলে ক্রেতারা এই পেজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পণ্যের তথ্য ও বৈশিষ্ট্য জেনে পণ্য ক্রয়ে আগ্রহী হয়ে বেশকিছু অর্ডার দেয়। এরূপ ব্যবস্থায় ক্রেতার কম্পিউটার বা মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগ থাকা আবশ্যক।
পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এরূপ বিপণন ব্যবস্থা হলো গ্রিন মার্কেটিং।
যে মার্কেটিং মতবাদে বর্তমান মার্কেটিং চিন্তা-চেতনা এবং কার্যক্রমে পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে, পণ্য মোড়কীকরণে এবং পণ্য বণ্টনে পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না এমন নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, তাকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।
উদ্দীপকে স্টাইল এন্ড ফেব্রিক্স লি. প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যৎ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের উৎপাদিত পণ্যসামগ্রী বিক্রয় করে। সম্প্রতি তারা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এমন গ্রিন মার্কেটিং ব্যবস্থার ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গ্রিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়। অধিক কার্বন নির্গমনকারী পণ্য বা সিএফসি গ্যাস নির্গমনকারী পণ্য বা যেকোনোভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে এরূপ পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহারের প্রতি বর্তমানে সারা বিশ্ব সচেতন হয়ে উঠেছে।
সুতরাং বলা যায়, গ্রিন মার্কেটিং এর ওপর যেহেতু উদ্দীপকের কোম্পানি অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে তাই প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এরূপ বিপণন ব্যবস্থা চালু করতে সক্ষম হবে।
Related Question
View Allআন্তঃক্রিয়াশীল অনলাইন কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় তাকে অনলাইন মার্কেটিং বলে।
যে বিপণন মতবাদে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় তাকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।
গ্রিন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব পণ্য বিপণনকে উৎসাহিত করে। এটি এমন একটি ধারণা বা মতবাদ যেখানে পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে পরিবেশের নিরাপত্তার বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। এই মতবাদে পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াটি এমন হতে হবে যেন তা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। আবার পণ্যের মোড়কীকরণ এমন হবে যেন তা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না করে। অন্যদিকে পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয় এ দিকটিকে লক্ষ রেখে পণ্যের বণ্টনকার্য পরিচালনা করতে হয় বলে বলা যায় গ্রিন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব বিপণনকে উৎসাহিত করে।
উদ্দীপকের 'জিপান' একটি চেইন স্টোর।
একই মালিকানা ও পরিচালনায় দেশের বা শহরের বিভিন্ন স্থানে শাখা খুলে উৎপাদনকারীর উৎপাদিত পণ্য ভোক্তাদের নিকট বিক্রয়কারী
প্রতিষ্ঠানকে চেইন স্টোর বা বিপণিমালা বলে। যেমন- স্বপ্ন, আগোরা, মীনা বাজার ইত্যাদি।
উদ্দীপকের মি. জিতু বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর বাণিজ্যিক কেন্দ্রে 'জিপান' নামে ২৫টি বিপণি প্রতিষ্ঠা করেন; যার পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান তিনি নিজেই করেন। তিনি 'জিপান' বিপণিতে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের উন্নতমানের পণ্যসামগ্রী একই নীতি অনুসরণ করে বিক্রয় করেন। অর্থাৎ 'জিপান' বিপণির সকল কর্মকান্তই চেইন স্টোরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই 'জিপান' বিপণি একটি চেইন স্টোর।
উদ্দীপকের মি. জিতুর বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত সঠিক ও বাস্তবসম্মত।
একই দালানে অবস্থিত ও একই মালিকানায় পরিচালিত বিভিন্ন পণ্য পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে কোনো বৃহদায়তন খুচরা বিপণির মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হলে তাকে বিভাগীয় বিপণি বলে। যেমন- বাংলাদেশের আড়ং একটি বিভাগীয় বিপণি।
উদ্দীপকের মি. জিতু জাপান থেকে এসে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে 'জিপান' নামে ২৫টি চেইন স্টোর প্রতিষ্ঠা করেন। তার দক্ষ পরিচালনার ফলে 'জিপান' অল্পদিনের মধ্যেই বেশ লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। পরবর্তীতে তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের চিন্তা করেন এবং ঢাকা শহরে নতুন একটি বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে পৃথক পৃথক বিভাগের মাধ্যমে পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অর্থাৎ তিনি চেইন স্টোরের মাধ্যমে সফলতা অর্জনের পর একটি আধুনিক বিভাগীয় বিপণি প্রতিষ্ঠা করে ব্যবসায়কে আরও সম্প্রসারণ ও লাভজনক করতে চাচ্ছেন। এক্ষেত্রে যেহেতু 'জিপান' বিপণির ব্যাপক - সুনাম রয়েছে, তাই নতুন বিভাগীয় বিপণিটিও ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করতে পারবে এবং ব্যবসায়িকভাবেও সফল হবে বলে আশা করা যায়।
সুতরাং, সার্বিক বিষয়াদি বিবেচনায় মি. জিতুর ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্তটি সঠিক ও বাস্তবসম্মত হয়েছে।
যে মার্কেটিং মতবাদে বর্তমান মার্কেটিং চিন্তা-চেতনা এবং কার্যক্রমে, পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে, পণ্য মোড়কীকরণে এবং পণ্য বইনে পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না এমন নিশ্চয়তা দেওয়া হয়, তাকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।
কোনো প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহকৃত ক্যাটালগ দেখে ক্রেতারা পণ্য নির্বাচন করে মেইলের মাধ্যমে অথবা টেলিফোনে পণ্য সরবরাহের অর্ডার প্রদান করলে, তাকে ক্যাটালগ মার্কেটিং বলা হয়।
ক্যাটালগ মার্কেটিং পদ্ধতিটি সর্বপ্রথম ১৮৭২ সালের ফ্রান্সের Montgomery Ward এ বসবাসকারী পরিবারের জন্য চালু করা হয়। শুরুতে ক্যাটালগগুলো ছাপানো অবস্থায় সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে তা ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে প্রচার করা হয়। ক্যাটালগ মার্কেটিং-এ বিজ্ঞাপনের সহায়তা গ্রহণ করা হলে তা অধিক কার্যকরী হয়। আমাদের দেশে মেশিনারি পণ্য বিক্রয়, কোচিং সেন্টারের প্রচার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ছাপানো ক্যাটালগ পদ্ধতি ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!