স্তবক-১: "কখনো কখনো কালো আঁধার নেমে আসে জীবন পথে,
                 তবুও এগিয়ে যেতেই হবে স্বপ্ন বিনির্মাণে।”

স্তবক-২: "মরুর বুকে ফুটিয়ে দিলে মানবতার ফুল,
                ক্ষমার বাণী শুনিয়ে দিলে ভেঙে অন্ধকারের কুল।"

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ হজরত মুহম্মদ (স.) তাঁর অসাধারণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, ক্ষমা ও ভালোবাসার বাণী দ্বারা মানুষের মন আকর্ষণ করেছিলেন।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উক্তিটিতে মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ ও সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে বোঝানো হয়েছে। এখানে 'অপরূপ রূপ' বলতে তাঁর শারীরিক সৌন্দর্য নয়, বরং তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য, আদর্শ জীবনযাপন এবং মানবতার কল্যাণে নিবেদিত কর্মকে নির্দেশ করা হয়েছে।

মরুভূমির মতো শুষ্ক ও অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজে তিনি ক্ষমার বাণী ও মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে অজ্ঞতা ও জুলুমের অবসান ঘটিয়েছিলেন। তাঁর অনুপম আদর্শের মাধ্যমেই সমাজে প্রেম, শান্তি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল, যা ছিল এক অতুলনীয় চারিত্রিক সৌন্দর্য।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকে 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে বর্ণিত প্রিয়নবী হযরত মুহম্মদ (স.)-এর অবিচল ধৈর্য, অদম্য সাহস এবং প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় দৃঢ় সংকল্পের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এই স্তবকটি জীবনের ঘোর অন্ধকারের মাঝেও স্বপ্ন পূরণের জন্য অবিরাম সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে মহানবী (স.)-কে একজন মানবীয় গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাঁর জীবন ছিল নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও পরীক্ষায় পরিপূর্ণ। মক্কার অবিশ্বাসীদের অত্যাচার, প্রিয়জনদের হারানো, তায়েফে প্রস্তর নিক্ষেপ এবং সামাজিক বয়কটের মতো অসংখ্য "কালো আঁধার" তাঁর জীবন পথে নেমে এসেছিল। তবুও তিনি তাঁর মহান লক্ষ্য – মানবজাতির মুক্তি ও সত্যের বাণী প্রচার – থেকে এক বিন্দুও বিচ্যুত হননি।

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকের "কখনো কখনো কালো আঁধার নেমে আসে জীবন পথে, তবুও এগিয়ে যেতেই হবে স্বপ্ন বিনির্মাণে” – এই বাক্যটি প্রিয়নবী (স.)-এর সেই সংগ্রামী ও দৃঢ়চেতা জীবনকেই সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে। জীবনের সকল প্রতিকূলতা ও বাধাকে জয় করে, অদম্য ইচ্ছাশক্তি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার যে দৃঢ় প্রত্যয়, তা 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের কেন্দ্রীয় ভাবনার সাথে সংগতিপূর্ণ এবং স্তবক-১ এ তারই প্রতিফলন ঘটেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধটি বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবতাবাদী ও সর্বজনীন আদর্শকে তুলে ধরে। প্রবন্ধটিতে তিনি মানবজাতির জন্য যে অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, ক্ষমা ও ভালোবাসার মাধ্যমে এক নতুন সমাজ বিনির্মাণ করেছেন, তারই চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ বিশ্বজুড়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে।

উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকে বলা হয়েছে, "মরুর বুকে ফুটিয়ে দিলে মানবতার ফুল, ক্ষমার বাণী শুনিয়ে দিলে ভেঙে অন্ধকারের কুল।" এই পঙ্‌ক্তিগুলোতে বিশ্বনবী (স.)-এর দুটি প্রধান গুণের কথা বলা হয়েছে – মানবতার প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষমাশীলতা। প্রবন্ধেও দেখা যায়, জাহেলিয়াতের যুগে যখন অন্ধকার ও বর্বরতা ছেয়ে ছিল, তখন তিনি এসে প্রেম, প্রীতি ও ক্ষমার মাধ্যমে সত্য ও সুন্দরের আলো জ্বেলেছিলেন। তাঁর আগমনেই মানুষের জীবনে মানবতার জয়গান শুরু হয় এবং তিনি ক্ষমা ও উদারতার শ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর সম্পূর্ণ মানবতাবাদী রূপ, তাঁর আদর্শ, সাহসিকতা, সরলতা, সাম্যবাদ ও দৃঢ়তার মতো অনেক মহৎ গুণাবলীর বর্ণনা রয়েছে। দ্বিতীয় স্তবকের মূলভাব শুধুমাত্র তাঁর ক্ষমাশীলতা ও মানবতাবাদের দুটি দিককে তুলে ধরে। প্রবন্ধটি তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক, যেমন – মক্কার কাফেরদের অত্যাচার সহ্য করা, তায়েফে নিগৃহীত হয়েও তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, মক্কা বিজয়ের দিন সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা এবং সর্বক্ষেত্রে সাম্য ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা করার বিস্তৃত বর্ণনা করে। তাই উদ্দীপকের দ্বিতীয় স্তবকটি প্রবন্ধের মূলভাবের একটি ছোট অংশ বা খণ্ডাংশমাত্র, যেখানে তাঁর কিছু মহৎ গুণের প্রকাশ ঘটেছে।

পরিশেষে বলা যায়, দ্বিতীয় স্তবকটি মহানবী (স.)-এর অনুপম চরিত্র ও শিক্ষার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরলেও, তাঁর সামগ্রিক ব্যক্তিত্ব ও আদর্শের তুলনায় তা একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি। প্রবন্ধের বিশাল পটভূমিতে তাঁর বহুবিধ গুণের যে বর্ণনা রয়েছে, সেখানে এই স্তবকটি শুধুমাত্র একটি খণ্ডাংশের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "স্তবক-২ এর মূলভাব 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের খণ্ডাংশ মাত্র" মন্তব্যটি যথার্থ ও বিশ্লেষণমূলক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
37

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5.9k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.1k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews