ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোনো বিন্দুর বিপরীত বিন্দুই সেই বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান।
পারস্পরিক দূরত্ব বিবেচনায় শুক্র হলো পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। এ গ্রহটি জীব বসবাসের অনুপযোগী। কারণ এর বায়ুমণ্ডলে কোনো অক্সিজেন নেই এবং এর বায়ুমন্ডলে C*O_{2} শতকরা ৯৬ ভাগ। C*o_{2} এর ঘন মেঘের কারণে এখানে এসিড বৃষ্টি হয়। এছাড়া শুক্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ পৃথিবীর তুলনায় ৯০ গুণ বেশি। অধিকন্তু ধীর আবর্তন গতির কারণে শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্তগামী হয়।
উদ্দীপকের ক ও খ স্থান দুটির দ্রাঘিমার পার্থক্য (৬৫০ - ৫১০) = ১৪০
আমরা জানি, ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমা রেখার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট। সুতরাং ১৪০ দ্রাঘিমা রেখার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় (১৪ ৪) = ৫৬ মিনিট।
দেওয়া আছে, ক স্থানের সময় দুপুর ২টা।
আবার, উভয় স্থানের সময়ের পার্থক্য ৫৬ মিনিট।
যেহেতু ক স্থান হতে খ স্থান পূর্বদিকে অবস্থিত, সেহেতু খ স্থানের স্থানীয় সময় হবে দুপুর ২টা + ৫৬ মিনিট = দুপুর ২টা ৫৬ মিনিট
সুতরাং উদ্দীপকের খ স্থানের সময় দুপুর ২টা ৫৬ মিনিট।
একই সময়ে উদ্দীপকের ক ও খ স্থানের ঋতু এক হবে না। উদ্দীপকের ছকচিত্রের আলোকে কম্পাস চিত্র অঙ্কন করে ক ও খ স্থান দুটি চিহ্নিত করা হলো।
কম্পাস চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ক স্থানটি উত্তর গোলার্ধে এবং খ স্থানটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। প্রকৃতিগতভাবে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের ঋতু সবসময় বিপরীত হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল, দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল। আবার ভূপৃষ্ঠের কোনো স্থান ০০ নিরক্ষরেখা থেকে যত দূরে যাবে সূর্যকিরণ ঐ স্থানের ওপর তত তির্যকভাবে পতিত হবে। ফলে তাপমাত্রা কম থাকবে। বিপরীতভাবে নিরক্ষরেখার যত কাছাকাছি স্থান হবে সূর্য ঐ স্থানের উপর তত লম্বভাবে কিরণ দেবে। অর্থাৎ তাপমাত্রা বেশি হবে। সাধারণত ০ থেকে ৩০০ অক্ষরেখায় সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়। ফলে তাপমাত্রা বেশি থাকবে। যেহেতু ক স্থানটি উত্তর গোলার্ধ এবং খ স্থানটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। তাই একই সময়ে দুই স্থানের ঋতু এক হবে না। 'ক' স্থানটি যেহেতু ০° নিরক্ষরেখা থেকে কম দূরে। ফলে এটি মূলত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল। আবার খ স্থানটি যেহেতু ০০ নিরক্ষরেখা থেকে বেশি দূরে, সেহেতু এটি তুলনামূলক শীতপ্রধান অঞ্চল।
সুতরাং বলা যায়, ক ও খ স্থান দুটি যেহেতু বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত, সেহেতু একই সময়ে উভয় স্থানের ঋতু এক হবে না।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allপৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে মেরুরেখা বলে।
সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক। ৫৫% হাইড্রোজেন, ৪৪% হিলিয়াম এবং ১% অন্যান্য গ্যাসের সমন্বয়ে সূর্য গঠিত। আর এ সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।
দেওয়া আছে
A' চিহ্নিত স্থানটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা A' চিহ্নিত স্থানের পূর্বে B' স্থানটি অবস্থিত হওয়ায় 'B' স্থানের স্থানীয় সময় ' A' চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় থেকে বেশি হবে।
অর্থাৎ, ৭টা + ৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট = ১০টা ১৬ মিনিট
সুতরাং 'B' স্থানটির স্থানীয় সময় হবে ১০: ১৬ মিনিট
না, উক্ত তারিখে অর্থাৎ ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবারাত্রির দৈর্ঘ্য একইরূপ হবে না।
ছকে 'A' ও 'B' স্থান দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থিত। 'A' স্থানটি ৩০০ উত্তর অক্ষরেখা বরাবর এবং 'B' স্থানটি ৫০° দক্ষিণ অক্ষরেখায় অবস্থিত। দুটি স্থান দুই গোলার্ধে হওয়ায় ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য ভিন্ন রকম হবে। অর্থাৎ 'A' স্থানে দিন বড় এবং রাত ছোট হবে। পক্ষান্তরে, 'B' স্থানে দিন ছোট ও রাত বড় হবে। ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়নের শেষ দিন। এদিন সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। লম্বরশ্মি অধিক তাপ দেয়। তাছাড়া সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক স্থান জুড়ে এবং অধিক সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে ঐ দিনের পূর্বেকার দেড় মাস এবং পরবর্তী দেড় মাস মোট তিন মাস সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক তাপ ও আলো দেয় বলে ঐ সময়কালে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়। এ কারণে ২২ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। পক্ষান্তরে, ২২ জুনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অল্প সময় এবং অল্প স্থানব্যাপী আলো দেয়। এর ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে তাপ ও আলো কম পায়। এ কারণে ২২ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'A' ও 'B' দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থানের কারণে দিবা-রাত্রির মধ্যে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। উত্তর গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট। পক্ষান্তরে, দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়।
নিজ অক্ষের ওপর পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনকে সৌরদিন বলে।
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। এভাবে দেখা যায়, প্রতি ৪ বছর পর পর একটি বাড়তি দিন থাকছে। এই বাড়তি দিন প্রতি ৪র্থ বছরে যোগ হয়ে ৩৬৬ দিন হয়। সেই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে হয়। এরূপ বছরকে অধিবর্ষ বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!