স্বপন একজন ক্ষুদ্র চাষি। তার মাত্র চার খন্ড চাষের জমি আছে। তিনি বহুদিন যাবৎ উক্ত জমিতে ধান ও পাটের চাষ করে আসছেন। তার ঐ সব জমিতে এখন আর আগের মতো ফসল হয় না। তিনি চিন্তিত হয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি তাকে শুধুমাত্র ধান-পাট চাষ না করে ২-৪ বছর ব্যাপী বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষের পরামর্শ দিলেন। এক্ষেত্রে ফসল চাষে তিনি গভীর ও অগভীরমূলী ফসল বিবেচনাসহ জমিকে বিশ্রাম দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার পরামর্শ দিলেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

কৃষিকাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সীমিত সংখ্যক কৃষক একমত হয়ে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট আইনের আওতায় যে সমবায় গড়ে তোলে তাই কৃষি সমবায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

শস্যের জীবনকাল, উৎপাদন মৌসুম ও কৌশল ইত্যাদি তথ্যাবলি সারণি/হুক/রেখাচিত্র বা কেবল চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকে শস্য পঞ্জিকা বুলে। শস্য পঞ্জিকা থেকে বিভিন্ন ফসলের রোপণকাল ও কাটার সময় জানা যায়। এর মাধ্যমে সঠিক সময়ে ফসলের পরিচর্যার জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ ও শ্রমের সুষ্ঠু ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া ফসলের সম্ভাব্য ফলন, উৎপাদন ব্যয় ও আয় নির্ণয় করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

কৃষিকর্মকর্তা স্বপনের জমিতে শস্য পর্যায় অবলম্বন করার জন্য গভীর ও অগভীরমূলী ফসল বিবেচনায় আনতে বললেন। নিচে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো জমিতে প্রতি বছর একই ফসলের চাষ না করে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত কিছু ফসল ধারাবাহিকভাবে চাষ করাকে শস্য পর্যায় বলে। শস্য পর্যায়কে লাভজনক করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা অনুসরণ করতে হয়। তার মধ্যে একটি হলো গভীরমূলী ফসল (যেমন: তুলা, ভুট্টা) চাষের পর অগভীরমূলী ফসল (যেমন: ধান, গম) চাষ করতে হবে। গভীরমূলী ফসলের শিকড় বা মূল মাটির অনেক গভীর থেকে পুষ্টি উপাদান আহরণ করতে পারে, ফলে উপরের স্তরের পুষ্টি উপাদান সংরক্ষিত থাকে। আবার অগভীরমূলী ফসল উপরের স্তর থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে বলে নিচের স্তরের পুষ্টি উপাদান সংরক্ষিত থাকে। অর্থাৎ গভীরমূলী ফসলের পর অগভীরমূলী ফসল চাষ করলে মাটির উর্বরতা ও উৎপাদন ক্ষমতা সংরক্ষণ করা যায় বলে কৃষি কর্মকর্তা এ বিষয়টি বিবেচনায় আনতে' বলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

স্বপন তার জমিতে বহুদিন যাবত ধান ও পাটের চাষ করে আসছেন। তার জমিতে আগের মতো ফসল না হওয়ার কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

একই জমিতে একই ফসল বার বার চাষের ফলে মাটিতে জৈব পদার্থের অভাব দেখা দেয়। মাটিতে জৈব পদার্থের অভাব হলে মাটির গুণাগুণ ব্যাহত হয়। একই জমিতে বছরের পর বছর একই ফসল চাষ করা হলে নির্দিষ্ট ধরনের আগাছা, রোগ ও পোকার উপদ্রব বৃদ্ধি পায়। যার ফলে জমিতে ফসলের উৎপাদন কমে যায়। আবার নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী ফসল চাষ করা না হলেও নাইট্রোজেনের অভাব দেখা দেয়। মাটিতে নাইট্রোজেনের অভাব দেখা দিলে কাঙ্ক্ষিত মানের ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয় না।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকের স্বপন মিয়া একই জমিতে বার বার একই ফসল চাষ করায় তার জমিতে উপরিউক্ত সমস্যাগুলো দেখা দেয়। যার ফলে তার জমিতে আগের মতো ফসল উৎপাদিত হয় না।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
190

Related Question

View All
উত্তরঃ

একটি জমিতে এক বছরে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফসল চাষের পরিকল্পনাই হলো ফসল বিন্যাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
760
উত্তরঃ

শস্য-পর্যায় হলো কোনো জমিতে প্রতি বছর একই ফসল চাষ না করে বছর ভিত্তিক নির্দিষ্ট কিছু ফসল ধারাবাহিকভাবে চাষ করা। একই জমিতে বার বার একই ফসলের চাষ করলে মাটিতে জৈব পদার্থের অভাব পরিলক্ষিত হয়। এতে মাটি অনুর্বর হয়ে যায়। শস্য- পর্যায় অবলম্বন করলে জমির পুষ্টি উপাদান পরিশোধণে সামঞ্জস্য থাকে। মাটিতে বায়বীয় নাইট্রোজেন যোগ হয়ে এর উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।

মাটির পানি ধারণক্ষমতা বাড়ে ও ভূমিক্ষয়ের পরিমাণ কমে যায়। তাছাড়া পোকা-মাকড়ের আক্রমণ হ্রাস পেয়ে ফসলের মান ও ফলন বৃদ্ধি পায়। তাই ফসলের জমিতে শস্য পর্যায় অবলম্বন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
346
উত্তরঃ

উদ্দীপকে কৃষকদের সমবায়ের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে কৃষি ঋণ নিয়ে ফসল চাষের কথা বলা হয়েছে।

ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে কৃষি কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করার জন্যে যে সকল ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান থেকে কৃষক মূলধন সংগ্রহ করে থাকে সেগুলোই কৃষি ঋণের উৎস। কৃষি ঋণের উৎস দুই ধরনের। যেমন- প্রাতিষ্ঠানিক উৎস ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস। প্রাতিষ্ঠানিক উৎসের মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, ভূমি বন্ধকী ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিলে কৃষকের প্রতারিত হবার সম্ভাবনা কম থাকে। কৃষক তার চাহিদা মাফিক ঋণ পেতে পারে। অনেক সময় কোনো বন্ধকীও দেওয়া লাগে না। দুর্যোগকালীন সময়ে বিশেষ সুবিধা বা কম সুদে ঋণ পাওয়া যায়। তবে কিছু সমস্যাও রয়েছে। যেমন- অনেক কৃষকের বন্ধকী দেওয়ার মতো জমি বা অন্যান্য স্থায়ী সম্পদও থাকে না। এ উৎসের ঋণ নেবার ক্ষেত্রে দালালদের দ্বারা প্রতারিত হবার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি দালালেরাও সংস্থা দ্বারা অনেক' সময় প্রতারিত হতে পারে। এই ঋণ নিতে প্রচুর আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। যার কারনে অনেক সময় ঋণ পেতে দেরি হয়। কৃষি ঋণের অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎসের মধ্যে রয়েছে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব, দালাল ও ব্যাপারী, গ্রাম্য মহাজন, গ্রাম্য ব্যবসায়ী ও দোকানদার, ধনী কৃষক ইত্যাদি। এই ঋণ পেতে জামানত লাগে না এবং অতি দ্রুত টাকা হাতে পাওয়া যায়। প্রাতিষ্ঠানিক উৎসের তুলনায় এই ঋণে সুদের হার কম থাকে বলে বর্তমানে এর চাহিদা বেশি। এই ধরনের ঋণেরও বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে। যেমন- সুদের হার বেশি, স্বল্পমেয়াদি এবং ঋণ পরিশোধে কিস্তি সুবিধা কম। ঋণগ্রহীতা অনেক সময় তার সর্বস্ব হারায়। উল্লিখিত প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উভয় উৎস থেকে কৃষক ঋণ নিতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
4k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সংগঠনটি হলো কৃষি সমবায়। কৃষি উন্নয়নে কৃষি সমবায়ের ভূমিকা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি তথা কৃষি কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুরূপে পরিচালনার জন্য যে সমবায় সমিতি করা হয় তাকে কৃষি সমবায় বলে। আমাদের দেশের কৃষকরা খুব দরিদ্র। কৃষিপণ্য উৎপাদনের জন্য বীজ, সার, সেচের পানি, জ্বালানী, শ্রমিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা খরচ হয়। এছাড়া কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও প্রক্রিয়াজাত খাতেও প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। আবার উৎপাদিত কৃষি পণ্যের দাম কম হলে কৃষকরা মূলধন ফিরে পায় না। পরবর্তী কৃষিপণ্য উৎপাদনের সময় কৃষকদের আর্থিক সংকট থাকে চরমে, ফলে কৃষিপণ্য ক্রয়সহ উৎপাদন কর্মকাণ্ড, পরিচালনা বাধাগ্রস্ত হয়।

এসকল কৃষকের একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। কিন্তু সমবায় গঠনের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। সমবায়ের সদস্যদের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে বড় আকারের পুঁজি গঠন করে উপকরণ সংগ্রহ এবং উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃষিতে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার ও কারিগরি ক্ষেত্রে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন সম্ভব হয়। সমবায়ের মাধ্যমে খন্ড খন্ড জমিগুলোকে একত্রিত করে যৌথভাবে উৎপাদন করার মাধ্যমে ফলন বৃদ্ধি করা যায়। সমবায়ের মাধ্যমেই একমাত্র গ্রামীণ যোগাযোগ, উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্য ও বিদ্যুৎ সুবিধা সৃষ্টি করা সম্ভব। তাছাড়া, রেজিস্ট্রিকৃত কৃষি সমবায় হলে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঋণ দিতে আগ্রহী হয়। অতএব বলা যায়, কৃষকরা কৃষি সমবায় সমিতির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে সহজেই কৃষিঋণ লাভ করে, যা বিভিন্ন উপকরণ ক্রয়, ভূমিতে স্থায়ী উন্নতি সাধন, পণ্যের সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন ইত্যাদি কাজে সহায়তা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
659
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে উৎপাদিত কৃষি পণ্য কৃষক বা উৎপাদকের কাছ থেকে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছায় তাকেই বলে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

পল্লির ভূমিহীন, স্বল্পবিত্ত বা দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে উৎপাদন ধারায় আনতে জামানতবিহীন অল্প পরিমাণ যে ঋণ দেওয়া হয় তাকে ক্ষুদ্রঋণ বলা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে এনজিও থেকে সহজে ক্ষুদ্রঋণ পাওয়া যায়। যেমন- গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা প্রভৃতি। ক্ষুদ্রঋণ অনেকগুলো কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য। এনজিওগুলো প্রথমে গ্রুপ/সংগঠন তৈরি করে এবং পরবর্তীতে গ্রুপের সদস্যদের চাহিদার ভিত্তিতে ঋণ প্রদান করে থাকে। গ্রুপ বা দল ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে। ক্ষুদ্রঋণ ব্যবহার করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে সক্ষম হচ্ছে। কাজেই, জামানতবিহীন, সহজলভ্য ও স্বল্প সময়ে পাওয়া যায় এবং ঋণের সদ্ব্যবহার ও আদায় নিশ্চিত করা হয় বলে ক্ষুদ্রঋণ জনপ্রিয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
462
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews