স্বাধীনতা লাভের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের সম্পর্ক গড়ে উঠল্ভে বৈদেশিক বাণিজ্যভুক্ত দেশে বাংলাদেশের বাণিজ্যের বিভিন্ন ধরনের সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে। তবে বাংলাদেশের জনশক্তি আমদানিকারক দেশগুলো বিভিন্ন ধরনের বিবেচ্য বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এ দেশ হতে জনশক্তি আমদানি করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ জনশক্তির চাহিদা রয়েছে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

যখন এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করা হয়, তখন তাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বা বৈদেশিক বাণিজ্য বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বাণিজ্যের মধ্যে দেশীয় বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে যে ধরনের ব্যবসায়-বাণিজ্য হয় তা অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য। যেমন, বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য দেশের ভেতরে বিভিন্ন এলাকায় ক্রয়-বিক্রয়। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দেশের বাইরে হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে কিছু পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় এবং কিছু পণ্য এদেশ থেকে রপ্তানি করতে হয়। যেমন- এদেশ থেকে তৈরি পোশাক, চা, তামাক, পাট, চিংড়ি, ওষুধ প্রভৃতি রপ্তানি করা হয় এবং পোশাক শিল্পের কাঁচামাল, কলকব্জা, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস এবং খাদ্যশস্য আমদানি করতে হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বৈদেশিক বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ বিভিন্ন কারণে বাণিজ্যভুক্ত দেশগুলো থেকে বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে থাকে। এ সুবিধাগুলো নিচে আলোচনা করা হলো-

উদ্দীপকে মি. নাসির বিদেশে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রপ্তানি করে থাকেন। এর ফলে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে; যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্যসামগ্রী বিদেশে রপ্তানি করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে তৈরি পোশাক, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, চিংড়ি, ওষুধ, বিভিন্ন ধরনের অর্থকরী ফসল প্রভৃতি। এসব পণ্যসামগ্রী বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা হয়। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সহজ হয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যা অধিক বলে এসব দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বল্পমূল্যে কাজে লাগানোর মাধ্যমে শিল্পে উৎপাদিত পণ্যসামগ্রীর উৎপাদনমূল্য কম হয় বলে বিদেশে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কমমূল্যে রপ্তানি করা যায়।

সুতরাং উল্লিখিত বিষয়ের আলোকে বলা যায়, মি. নাসির বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী রপ্তানি করে। ঐসব পণ্যসামগ্রীর চাহিদা বেশি থাকায় বেশি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। এর ফলে উক্ত অর্থ এদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতির অন্যতম চাবিকাঠি জনশক্তি রপ্তানি। বাংলাদেশের জনশক্তি আমদানিকারক দেশ এদেশের জনশক্তি আমদানি করতে কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য বিচার-বিবেচনা করে থাকে।
কাজের মজুরি, পদোন্নতির সম্ভাবনা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা, বিমা প্রভৃতি সুবিধার কারণে বাংলাদেশি জনশক্তি বহির্বিশ্বে কাজ করতে আগ্রহী। এ আগ্রহের কারণে জনশক্তি আমদানিকারক দেশসমূহ বাংলাদেশের জনশক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি আমদানিকারক দেশসমূহ যথার্থ মজুরিতে কাঙ্ক্ষিত শ্রমিক বা জনশক্তি পেয়ে থাকে, যা অন্যকোনো দেশ থেকে সম্ভব হয় না। আমদানিকারক দেশসমূহ জনশক্তির গুণগত মান, দক্ষতা, বিচক্ষণতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রভৃতি বিষয়কে বিবেচনা করে। আর প্রতিটি বিষয়ই বাংলাদেশি জনগণের মধ্যে থাকায় বাইরের দেশে এদেশের জনশক্তির চাহিদা বেশি।
সুতরাং উল্লিখিত বিষয়ের আলোকে বলা যায়, বাংলাদেশের জনগণের বাইরের দেশে কাজ করার মনমানসিকতা থাকায় তারা সৎ ও দক্ষ - হতে চেষ্টা করে। যার কারণে বহির্বিশ্বের আমদানিকারক দেশগুলো এদেশের জনশক্তি বেশি আমদানি করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
108
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শিল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক।
যেকোনো দেশের শিল্প স্থাপিত হলে সেখানে প্রচুর জনবল নিয়োগ হয়। একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে প্রচুর শ্রমিক কাজ করে। বিভিন্ন বিভাগে বিভিন্ন যোগ্যতার জনবল শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকে। অর্থাৎ যে অঞ্চলে শিল্পপ্রতিষ্ঠান বেশি সে অঞ্চলে কাজের সুযোগও বেশি থাকে।
তাই বলা যায় শিল্প কর্মসংস্থানের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
98
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' দেশটি হলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে রপ্তানি দ্রব্যের মধ্যে বেশিরভাগই কৃষিজদ্রব্য, পাট, চা, চিংড়ি, তামাক প্রভৃতি। তবে বর্তমানে তৈরি পোশাক, কাগজ, রেয়ন প্রভৃতি দ্রব্যের মতো শিল্পজাত পণ্যও রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যের ৭৫ ভাগই শিল্প পণ্য, খনিজ তেল, ঘড়ি, ফ্রিজ, ক্যালকুলেটর প্রভৃতি। এদেশের রপ্তানির চেয়ে আমদানি পণ্যের আধিক্যই বেশি। তাই বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য সর্বদাই প্রতিকূল অবস্থায় থাকে। এদেশের নিজস্ব বিমান ব্যবস্থা ও জাহাজ কম থাকায় বৈদেশিক বিমান কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নির্ভরশীল হতে হয়।

বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশী দেশ বিশেষ করে চীন, মায়ানমার, ভারত, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি হিসেবে বাংলাদেশে রপ্তানি বৃদ্ধির প্রতি নজর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জনশক্তি রপ্তানি, বাণিজ্যের গতি, বাণিজ্য এলাকার বিস্তৃতি প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে ফুটে ওঠে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
116
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' দেশটি হলো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক বাণিজ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। বাংলাদেশের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের সংখ্যা যেমন কম তেমনি উৎপাদনও আশানুরূপ নয়। বাংলাদেশের অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক আন্তর্জাতিক বাজারে খ্যাতি লাভ করেছে। তৈরি পোশাকের আইটেমের সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন নতুন ডিজাইনের সংযোজন ঘটিয়ে এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করে এর রপ্তানি আরও বৃদ্ধি করা সম্ভব। চিংড়ি বাংলাদেশের আরেকটি রপ্তানি পণ্য। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, মধ্যপ্রাচ্য, থাইল্যান্ড, হংকং প্রভৃতি দেশে বাংলাদেশের চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। নিবিড় চাষ পদ্ধতি ও সঠিক ভূমিনীতি প্রণয়নের মাধ্যমে এদেশে চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি বহুলাংশে বৃদ্ধি করা সম্ভব। মধ্যপ্রাচ্যের কতিপয় দেশ, ভারত ও অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের কাঁচা শাকসবজি, ফলমূল, পান, গোল আলু প্রভৃতি দ্রব্য রপ্তানি করা হয়। উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে এসব দ্রব্যের রপ্তানি কাড়ানো সম্ভব। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের হস্তশিল্পজাত পণ্যদ্রব্য ক্রমশ সুনাম অর্জন করে চলছে এবং এগুলোর বাজার প্রসারিত হচ্ছে। বাঁশ, বেত, রশি, পাট, বিভিন্ন প্রকার ধাতব পদার্থ, কাঠ প্রভৃতি দ্বারা তৈরি নানা প্রকার শৌখিন হস্তশিল্পজাত দ্রব্যের ব্যাপক চাহিদা বিশ্বের অনেক দেশে রয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, বিগত প্রায় দুই দশক যাবৎ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গঠন ও বিন্যাসের ক্ষেত্রে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। অপ্রচলিত পণ্যদ্রব্যের প্রাধান্য ও রপ্তানি সম্ভাবনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৈদেশিক বাজার ও দেশের অভ্যন্তরে বিদ্যমান পরিস্থিতিকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগিয়ে এসব রপ্তানি পণ্যদ্রব্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করে রপ্তানি বহুলাংশে বাড়ানো সম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
99
উত্তরঃ

দুইটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের সীমানায় অবস্থিত অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
150
উত্তরঃ

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবহন ব্যয়বহুল।
পার্বত্য এলাকা ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর। আর এ ধরনের ভূ-প্রকৃতিতে যেকোনো ধরনের পরিবহন পথ নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয় বহুল। বাংলাদেশে স্থল পরিবহনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রেলপথ ও সড়কপথ। আর এ দুই ধরনের পথের জন্য সমতল ভূমি উপযোগী। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা উঁচু-নিচু ও পর্বতময় হওয়ায় সেখানে পরিবহন ব্যয়বহুল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
118
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews