স্মৃতি ইরানি ভারতের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী, তাতে কী? অন্যান্য অভিভাবকদের মতো সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করতে তাঁকেও সাক্ষাৎকার দিতে হয়েছে নয়াদিল্লির একটি স্কুলে। তিনি মনে করেন দেশের প্রতিটি নাগরিক যে আইন মেনে চলে, মন্ত্রী হয়ে তিনি সেটা অমান্য করতে পারেন না। তিনি নিয়মিত অভিভাবক-শিক্ষক সভায় যান। এ সময় তাঁর সঙ্গে পুলিশ প্রহরাও থাকে না। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন ব্যবস্থা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

সাধারণত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে আইন ও নির্বাহি বিভাগের হস্তক্ষেপ মুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে বিচার ও অন্যান্য কাজ করার স্বাধীনতাকে বোঝায়। আরও ব্যাপক অর্থে আইনের ব্যাখ্যা, ন্যায়বিচার ও কর্তব্য পালনে যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ মুক্ত হয়ে, নিরপেক্ষভাবে কাজ করার ক্ষমতাকে বোঝায়। বিচারপতি হ্যামিলটন এ সম্পর্কে বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হলো অন্যান্য বিভাগের হস্তক্ষেপ মুক্ত হয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে বিচারের রায় ঘোষণা করা। অর্থাৎ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে স্বাধীন, নিরপেক্ষ, প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগকে নির্দেশ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের আইনের শাসন ধারণার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
সাধারণত আইনের শাসন/ বলতে সমাজজীবনের তিনটি মৌল সূত্রকে
বোঝায়। যথা-

১. সমাজে আইনের প্রাধান্য, ব্যক্তি বা ব্যক্তি সমষ্টির প্রাধান্য নয়।
২. আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিক সমান
৩. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত হয়।

তাই কোনো সমাজে জনগণের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হলে। আইনের শাসন অপরিহার্য। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে কেউ আইন। অমান্য করে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে সাহসী হবে না। এমনকি সরকারের কোনো প্রভাবশালী নেতারাও কারও অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তাছাড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিগণ যে অধিকার ভোগ করবে, দ্বীনহীনও সে অধিকার ভোগ করবে। এ বিষয়টিরই প্রতিফলন আমরা উদ্দীপকে দেখতে পাই। স্মৃতি ইরানি ভারতের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী হওয়া। সত্ত্বেও তাকে আইন মেনে নিজের সন্তানকে স্কুলে ভর্তি করাতে। হয়েছে। শুধু আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়াতে এটা সম্ভবপর হয়েছে। অন্যথায় এমন একজন প্রভাবশালী মানুষ তাঁর প্রভাব খাটিয়ে ঘরে বসেই কাজটি সমাধান করতে পারতেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

গণতন্ত্রকে সফল করতে আইনের শাসন একান্ত অপরিহার্য। যথার্থ আইনের শাসনের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং জনগণ জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির নিশ্চয়তা লাভ করে। যথার্থ আইনের শাসনকে গণতান্ত্রিক সরকারের ভিত্তি বলা যায়। ব্যাপক অর্থে আইনের শাসন বলতে চারটি বিষয়কে বোঝায়-

১. কতকগুলো সুনির্দিষ্ট এবং সহজে নির্ধারণযোগ্য ব্যবহার সম্পর্কিত নিয়মকে সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করা না হলে কোনো ব্যক্তিকে শাস্তি দেওয়া যাবে না।
২. কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হলে তাকে পূর্বে সে ব্যবস্থা গ্রহণের কারণ জানাতে হবে, যাতে করে সে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারে।
৩. অভিযোগকারী স্বয়ং বিচারক হিসেবে কাজ করতে পারবে না।

৪. অভিযোগ উত্থাপন এবং বিচারকার্য পরিচালনা যথাযোগ্য পদ্ধতি অনুসারে সম্পাদিত হবে, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাসকগোষ্ঠীর খামখেয়ালিপনার শিকারে পরিণত না হতে হয়।
অর্থাৎ গণতন্ত্র তথা জনগণের শাসন নিশ্চিত করতে সবার জন্য আইনকে সমান করতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পেলে জনগণ সরকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে তাদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগ্রত হবে। ফলে প্রতিটি জনগণ দেশের কল্যাণে যেমন উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করবে তেমনি দেশের উচ্চ পর্যায় থেকে নিম্নশ্রেণি পর্যন্ত কেউ জনগণের অধিকারকে খর্ব করে কোনো কাজ করতে সাহস পাবে না। তাই বলা যায়, গণতান্ত্রিক ধারাকে সুসংহত করার জন্য একটি রাষ্ট্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
111
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন।

আইনের শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
204
উত্তরঃ

আইনের শাসন গণতন্ত্রের ভিত্তি। মমতাজ সাহেব গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় লেখনী ধারণ করেন।

তিনি আইনের শাসনকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় মূল্যবোধের বিকাশের মূল হিসেবে দেখেছেন। যথাযথ আইনের শাসনের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। জনগণের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির নিশ্চয়তা লাভ করে। আইনের শাসনের মাধ্যমে 'সকল নাগরিক সমান' এ নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগে সমান সুযোগের ভিত্তিতে সবাই বিচার লাভ করবে। দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে সবাই নিরাপত্তা লাভ করবে। আইনের শাসনের এ বিষয়গুলো মূলত গণতন্ত্রের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রধানত সংখ্যাগুরুর মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত শাসনব্যবস্থা। এতে সংখ্যালঘুরাও সমান সুযোগ পাবে, মত প্রকাশের সমান অধিকার থাকবে। আইনের শাসন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে, গণতন্ত্র চর্চাকে পরিশীলিত করে এবং সুশাসন নিশ্চিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
178
উত্তরঃ

প্রচলিত সাধারণ অর্থানুসারে আইন হলো কতকগুলো বিবিবিধান যা মানুষ সামাজিক প্রাণী হিসেবে মানতে বাধ্য থাকে। অন্যদিকে, স্বাধীনতা বলতে যা খুশি তাই করার ক্ষমতাকে বোঝায়। আপাতদৃষ্টিতে আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর বিরোধী দুটি বিষয়। কিন্তু মমতাজ সাহেবের উত্থাপিত বিষয়টি আমাদেরকে বলতে চাচ্ছে যে, আইন স্বাধীনতার সহায়ক।

বস্তুত আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। আইন স্বাধীনতার রক্ষক ও অভিভাবক। আইন না থাকলে স্বাধীনতা থাকতে পারে না। আইন আছে বলেই স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করা যায়। আইন স্বাধীনতাকে সম্প্রসারিত করে। উইলোবি এজন্যই বলেছেন যে, "আইন আছে বলেই স্বাধীনতা রক্ষা পায়।" অন্যদিকে, স্বাধীনতা না থাকলে আইন অর্থহীন হয়ে যায়। কেননা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকলে আইনের প্রয়োগ সম্ভব হয় না। আইন আছে বলেই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আইনের বলেই স্বাধীন বাংলার মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। আইন না থাকলে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার অর্থহীন হয়ে যায়। আইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অধিকার দ্বারাই জনগণ সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে স্বাধীনতা লাভ করে। আইন না থাকলে দুর্বলের স্বাধীনতা রক্ষা করা কতটা সম্ভব হতো তা প্রশ্ন সাপেক্ষ ব্যাপার। এজন্যই বলা যায়, সাংবাদিক মমতাজ সাহেবের উত্থাপিত বিষয়টি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
223
উত্তরঃ

আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
216
উত্তরঃ

মূল্যবোধ বলতে তুলনামূলক অর্থমূল্য বা অন্তর্নিহিত গুণাবলিকে বোঝানো হয়। আর সমাজে প্রচলিত মূল্যবোধ বলতে বোঝানো হয় এমন রীতিনীতি, আদর্শ ও লক্ষ্য যা সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং সমর্থিত। সমাজের বৃহত্তর অংশ দ্বারা মূল্যবোধ সমর্থিত হতে হবে। এটি কোনো স্থির বিষয় নয়। সমাজ-স্থান-কাল-পাত্রভেদে মূল্যবোধ পরিবর্তনশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
204
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews