হরিদাসের সমাজকর্ম পেশা পছন্দের যৌক্তিকতা হলো সমাজ উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করা।
সমাজের সার্বিক কল্যাণ সাধনই সমাজকর্মের মূল লক্ষ্য। আর এ লক্ষ্য অর্জনে সমাজকর্ম উদ্দেশ্যভিত্তিক বিভিন্ন জনকল্যাণ ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। সমাজকর্মের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো সমাজে পরিকল্পিত ও গঠনমূলক পরিবর্তন আনা। সমাজে বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে সমাজকর্ম উদ্দেশ্যভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। পাশাপাশি পশ্চাৎপদ ও অসুবিধাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বিভিন্ন সমাজকল্যাণ কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে। এছাড়া আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মানব সম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে সমাজকর্ম। একটি দেশের সমাজকল্যাণমূলক সেবা কার্যক্রমে সামাজিক নীতির বিকাশ ও উন্নয়নে সমাজকর্ম কাজ করে থাকে। মানুষের সুপ্ত ক্ষমতার বিকাশ সাধন করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সমাজকর্ম বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে। আধুনিক জটিল সমাজে জনগণকে সকল পরিবর্তিত অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য বিধানে সহায়তা করা সমাজকর্মের অন্যতম লক্ষ্য। উদ্দীপকে উল্লিখিত হরিদাস সমাজের উন্নয়ন করতে চান। তার এ কাজে সমাজকর্মের জ্ঞান তাকে বিশেষভাবে সহায়তা করবে। কারণ সমাজকর্মও সমাজের উন্নয়নে কাজ করে। এ কারণে হরিদাস সমাজকর্মকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
Related Question
View Allবাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো- অদক্ষ জনশক্তি।
দানশীলতা বলতে শর্তহীনভাবে স্বার্থ ত্যাগ করে অন্যের কল্যাণে কোনো কিছু দান করার রীতিকে বোঝায়।
দানশীলতা মানবপ্রেম থেকে সৃষ্ট একটি কল্যাণমূলক ব্যবস্থা। এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাপ্রণোদিত। তবে প্রত্যেক ধর্মই দুস্থ ও অসহায়দের কল্যাণে ধনী বা সম্পদশালীদের দান করার জন্য উৎসাহিত করে। সুতরাং দানশীলতা হলো মানবপ্রেম থেকে সৃষ্ট একটি মহৎ গুণ, যা দুস্থদের কল্যাণকে ত্বরান্বিত করে।
উদ্দীপকে সমাজকর্মের সাথে সমাজসেবার যৌথ সমন্বয় ঘটেছে।
সমাজসেবা ও সমাজকর্মের মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধানে তাকে সহায়তা করাই সমাজসেবার মূল লক্ষ্য। বর্তমানে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম সংগঠিত ও পরিকল্পিত উপায়ে পরিচালিত হয়। সমাজের সামগ্রিক কল্যাণে এ দুটি বিষয় পরস্পর নির্ভরশীল। সমাজকর্ম ও সমাজসেবা উভয়ই সুসংগঠিতভাবে সমাজের মানুষের সেবা দিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিকল্পনা করে। এ দুটি বিষয়ই ব্যক্তির সামাজিক ভূমিকা পালন ক্ষমতার পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সচেষ্ট এবং কার্যকর মানবীয় সেবা সৃষ্টিতে কাজ করে।
তাই বলা যায়, সমাজকর্মের সাথে সমাজসেবার যৌথ সমন্বয় রয়েছে এবং উভয়ই একে অপরের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল
উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের মাধ্যমে চীনের সমাজকর্ম শিক্ষার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
চীনে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষার সূত্রপাত হয় ১৯২০ সালে। পেশাদার সামাজিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চীনে 'Yanjing University' তে ১৯২২ সালে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম বিভাগ খোলা হয়। পরবর্তীতে ১৯২৫ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত আটটি বিশ্ববিদ্যালয় সমাজসেবা ও সমাজকর্ম সংশ্লিষ্ট কোর্স চালু করে। ১৯৪৯ সাল
থেকে ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে 'Civil Affairs Division' এর মাধ্যমে সরকার নিজেই বিভিন্ন সমাজকর্ম ও সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। কিন্তু সময়ের প্রেক্ষিতে এই Division সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় অকার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে নতুনভাবে সমাজকর্ম পেশার আবশ্যকতা দেখা দেয়। CCP, The State council এবং Central Government এর যৌথ উদ্যোগে সমাজকর্ম পেশাকে সামাজিক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর সার্বিক লক্ষ্য ছিল একটি কাঙ্ক্ষিত সমাজব্যবস্থা গঠন করা।
তাই বলা যায় যে, চীনের সমাজকর্মের শিক্ষাকে সেদেশের দ্রুত উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইংল্যান্ডকে সমাজকর্মের সূতিকাগার বলা হয়।
যেসব দেশ প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বাধিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে সেসব দেশই উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত।
উন্নত দেশগুলোতে সাধারণত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি হয় এবং এসব দেশের মানুষ উন্নত জীবন যাপনে অভ্যস্ত। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের মধ্যে রয়েছে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীন প্রভৃতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!