হাইকমিশনার (High Commissioner) এবং অ্যাম্বাসেডর (Ambassador) মূলত কূটনৈতিক প্রতিনিধি, তবে তাদের মধ্যে - প্রধান পার্থক্য হল তারা যে ধরনের দেশে নিযুক্ত হন তার উপর ভিত্তি করে। কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে নিযুক্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে হাইকমিশনার বলা হয়, যেখানে কমনওয়েলথ বহির্ভূত দেশগুলোতে নিযুক্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে অ্যাম্বাসেডর বা রাষ্ট্রদূত বলা হয়। সহজভাবে, যদি একটি দেশ অন্য একটি কমনওয়েলথ দেশের দূতাবাসে তার প্রতিনিধি পাঠায়, তবে সেই প্রতিনিধিকে "হাইকমিশনার" বলা হবে। যেমন, বাংলাদেশ যদি যুক্তরাজ্যে তার প্রতিনিধি পাঠায়, তবে সেই প্রতিনিধিকে "হাইকমিশনার" বলা হবে। অন্যদিকে, যদি বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে তার প্রতিনিধি পাঠায়, তবে সেই প্রতিনিধিকে "রাষ্ট্রদূত" বা "অ্যাম্বাসেডর" বলা হবে।
Related Question
View Allএকজন ব্যক্তি একই সঙ্গে দুটি দেশের নাগরিকতা অর্জনকে দ্বৈত নাগরিকতা বলে ।
সাধারণত একজন ব্যক্তি একটি রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জনের সুযোগ পায়। তবে জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের দুটি নীতি থাকায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকতা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন: বাংলাদেশ নাগরিকতা নির্ধারণে জন্মনীতি অনুসরণ করে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানীতি ও জন্মস্থান উত্তর নীতি অনুসরণ করে। কাজেই বাংলাদেশের মা-বাবার সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে সেই সস্তান অন্যস্থান নীতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকতা লাভ করবে। আবার জন্মনীতি অনুযারী সে বাংলাদেশের নাগরিকতা অর্জন করবে। এভাবে দ্বৈত নাগরিক হওয়া যায়।
বাংলাদেশের বাইরে ভারতের কোলকাতায় পাকিস্তান দূতাবাসের তৎকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার এম হোসেন আলী কর্তৃক সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ১৮ এপ্রিল ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আব্দুর রব ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায় ২ মার্চ, ১৯৭১
সালে।
বিদেশে কলকাতা মিশনে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
বাংলাদেশের বাইরে বিদেশি মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করে কলকাতা উপ হাইকমিশন ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!