হাইড্রাকে অমর প্রাণী বলা হয় কেন? (অনুধাবন)

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ

হাইড্রাকে অমর প্রাণী বলা হয় এর পুনরুৎপত্তি ক্ষমতার জন্য। এই ক্ষমতার মাধ্যমে কোনো হাইড্রার দেহ বাহ্যিক কারণে দুই বা ততোধিক খণ্ডে বিভক্ত হলে প্রত্যেক খন্ড থেকে নতুন হাইড্রা জন্মায়। বিচ্ছিন্ন অংশের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ বিভাজিত ও রূপান্তরিত হয়ে বিভিন্ন কোষ সৃষ্টি করে দেহ গঠনের মাধ্যমে অপত্য হাইড্রার বিকাশ ঘটে। তাই হাইড্রার স্বাভাবিক মৃত্যু নেই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
29

বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবীতে নানা প্রাণীর বাস। এর মধ্যে হাইড্রা,রুইমাছ ও ঘাসফড়িং এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

Related Question

View All
উত্তরঃ

Hydra-র দেহের কেন্দ্রস্থলে যে লম্বাকার একটি গহ্বর থাকে তাই সিলেন্টেরন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
35
উত্তরঃ

ভিন্ন প্রজাতির দুটি জীব যখন পারস্পরিকভাবে সহাবস্থান করে এবং উভয়ই উভয়ের নিকট থেকে উপকৃত হয় তখন এ ধরনের সহাবস্থানকে মিথোজীবিতা বলা হয়। সহাবস্থানকারী জীবদ্বয়কে বলা হয় মিথোজীবী। যেমন- হাইড্রা ও শৈবাল একসাথে অবস্থানকালে পরস্পর পরস্পরের নিকট থেকে উপকৃত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
53
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A' চিহ্নিত কোষটি হলো নিডোসাইট কোষ। নিচে কোষটির চিহ্নিত চিত্রসহ গঠন বর্ণনা করা হলো-

গঠন: একটি আদর্শ নিডোসাইট কোষ দ্বিস্তরী প্রোটিন-লিপিড আবরণ দ্বারা আবৃত।' স্তর দুটির মাঝখানে দানাদার সাইটোপ্লাজমসহ সকল কোষীয় অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। কোষের অভ্যন্তরস্থ গহ্বর ও সূত্রকযুক্ত থলেটি হলো নেমাটোসিস্ট। গহ্বরটি আমিষ ও ফেনলের সমন্বয়ে গঠিত বিষাক্ত তরল হিপনোটক্সিন দ্বারা পূর্ণ থাকে। লম্বা সরু, ফাঁপা সূত্রকটি থলের সরু সম্মুখ প্রান্তে লাগানো থাকে। সূত্রকের গোড়ায় তিনটি বড় ও অসংখ্য ছোট কাঁটা থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় সূত্রকটি থলের ভেতর ঢুকানো থাকে। স্বাভাবিক অবস্থায় নেমাটোসিস্টের সূত্রক ও থলিটি অপারকুলাম নামক ঢাকনা দিয়ে আবৃত থাকে। উন্মুক্ত অবস্থায় এটি পাশে সরে যায়। নিডোসাইট কোষের মুক্ত প্রান্তের শক্ত, দৃঢ়, সংবেদনশীল কাঁটাটি হলো নিডোসিল। এটি ট্রিগারের মতো কাজ করার ফলে প্যাঁচানো সূত্রকটি বাইরে বেরিয়ে আসে। কোষস্থ সাইটোপ্লাজম ও নেমাটোসিস্টের প্রাচীরে সংকোচনশীল কিছু পেশিতন্তু থাকে। এছাড়াও কোষের নিচের প্রান্তে ল্যাসো নামক একটি প্যাঁচানো সূত্রক থাকে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
28
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'B' চিহ্নিত কোষটি হলো ইন্টারস্টিশিয়াল কোয়। হাইড্রার বংশবৃদ্ধির সাথে উক্ত কোষটি বিশেষভাবে জড়িত। হাইড্রার জীবনচক্রের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষের ভূমিকা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

হাইড্রা অযৌন ও যৌন দু'ভাবেই বংশবিস্তার করে। উভয় প্রক্রিয়াতেই ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ ভূমিকা রাখে। অযৌন জনন মুকুলোদগম ও বিভাজন এ দুটি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। মুকুলোদগম প্রক্রিয়ার শুরুতে দেহের মধ্যাংশ বা নিম্নাংশের কোনো স্থানের এপিডার্মিসের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত হয়ে একটি স্ফীত অংশের সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে এই স্ফীত অংশটি ক্রমশ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়ে নতুন অপত্য হাইড্রা সৃষ্টি করে। আবার, বিভাজন প্রক্রিয়ায় হাইড্রার দেহ দুই বা ততোধিক খণ্ডে বিভক্ত হলে প্রত্যেক খণ্ড থেকে নতুন হাইড্রা জন্মায়। এক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন অংশের ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ অতিদ্রুত বিভক্ত ও রূপান্তরিত হয়ে বিভিন্ন অংশ গঠনের মাধ্যমে অপত্য হাইড্রার বিকাশ ঘটে। অন্যদিকে, যৌন জনন পদ্ধতিতেও ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ ভূমিকা রাখে। হাইড্রার দেহে কোনো স্থায়ী অঙ্গ থাকে না। এপিডার্মিসের কিছু ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ দ্রুত বিভাজিত ও রূপান্তরিত হয়ে জননাঙ্গ ও জননকোষ গঠন করে যা একীভূত হয়ে নিষেক সম্পন্ন করে এবং পরিস্ফুটনের মাধ্যমে নতুন হাইড্রা সৃষ্টি করে।

তাই বলা যায়, ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ Hydra-র বংশবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
25
উত্তরঃ

Cnidaria পর্বের প্রাণীদের এপিডার্মিসের পেশি আবরণী কোয়সমূহের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত বিশেষায়িত কোষগুলোই হলো নিডোসাইট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
30
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো Hydra। এর প্রধান দুইটি চলনের মধ্যে সমারসন্টিং বা ডিগবাজি হচ্ছে দ্রুত চলন প্রক্রিয়া এবং লুপিং বা হামাগুড়ি হচ্ছে মন্থর চলন প্রক্রিয়া। নিচে চলন প্রক্রিয়া দুটি সচিত্র বর্ণনা করা হলো-

সমারসস্টিং বা ডিগবাজি : এ প্রক্রিয়া হাইড্রার সাধারণ ও দ্রুত চলন প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার শুরুতে হাইড্রা দেহকে বাঁকিয়ে কর্ষিকাস্থিত গ্লুটিন্যান্ট জাতীয় নেমাটোসিস্টের সাহায্যে চলনের গতিপথকে স্পর্শ করে। এসময় গন্তব্যস্থলের দিকের পেশি-আবরণী কোষের সংকোচন ও অপর পাশের অনুরূপ কোষের সম্প্রসারণ ঘটে। এ প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।

লুপিং বা হামাগুড়ি: লম্বা দূরত্ব অতিক্রমের জন্য হাইড্রা সাধারণত লুপিং বা হামাগুড়ির সাহায্যেই চলে। এ প্রক্রিয়ার শুরুতে এক পাশে পেশি-আবরণী কোষগুলো সংকুচিত হয় এবং অপর পাশের অনুরূপ কোষগুলো সম্প্রসারিত হয়। ফলে হাইড্রা গতিপথের দিকে দেহকে প্রসারিত ও বাঁকিয়ে মৌখিক তলকে ভিত্তির কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং কর্ষিকার গুটিন্যান্ট নেমাটোসিস্টের সাহায্যে ভিত্তিকে আটকে ধরে। এরপর পদতলকে মুক্ত করে মুখের কাছাকাছি এনে স্থাপন করে এবং কর্ষিকা বিমুক্ত করে সোজা হয়ে দাঁড়ায়। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে হাইড্রা স্থান ত্যাগ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
22
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews