হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রধানত তিন প্রকার:
১. রান-অফ-রিভার প্ল্যান্ট (Run-of-River Plant): এই ধরনের প্ল্যান্টে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ সরাসরি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। বড় জলাধার না থাকায় পানির প্রবাহ কম থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদনও কম হয়।
বৈশিষ্ট্য
- কম খরচে নির্মাণ
- পরিবেশবান্ধব
- পানির প্রবাহের ওপর নির্ভরশীল
২. স্টোরেজ প্ল্যান্ট (Storage Plant): এতে একটি বাঁধ দিয়ে নদীর পানি একটি জলাধারে জমা রাখা হয়। সঞ্চিত পানি প্রয়োজন অনুযায়ী নিচে ফেলে টারবাইন চালিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
বৈশিষ্ট্য
- সারা বছর বিদ্যুৎ সরবরাহে সক্ষম
- জল সংরক্ষণ করে চাহিদামতো ব্যবহার করা যায়
- উচ্চ ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র
৩.পাম্পড স্টোরেজ প্ল্যান্ট (Pumped Storage Plant): এতে দুটি জলাধার (একটি ওপরের ও একটি নিচের) ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ চাহিদা কম থাকলে নিচের জলাধার থেকে ওপরেরটিতে পানি পাম্প করা হয়। চাহিদা বেশি হলে সেই পানি নিচে ফেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
বৈশিষ্ট্য:
- গ্রিড ভারসাম্য রক্ষায় কার্যকর
- বিদ্যুৎ সংরক্ষণের বিকল্প পদ্ধতি
- পিক আওয়ারে অতিরিক্ত চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত
Related Question
View Allরামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি হিসেবে কয়লা ব্যবহৃত হবে।
বাংলাদেশের পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কোথায় স্থাপিত হচ্ছে পাবনা জেলার ঈশ্বরদি থানার পদ্মা নদীর তীরবর্তী রূপপুরে। উল্লেখ্য, ১৯৬১ সালে প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় ৷ দুই ইউনিটের এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদন হবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রাশিয়ার সহযোগিতায় তৈরি করা হচ্ছে ।
‘রূপপুর প্রকল্প’ বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক কেন্দ্র।
বাংলাদেশে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর নামক স্থানে অবস্থিত।
রূপপুর, ঈশ্বদী, পাবনা
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!