হানিফ ও হাসিব রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় খেয়াল করলো একটি শাবক পাখি তার মা পাখিটির ঠোটে নিচে লাল অংশে ঠোকর মারছে। হানিফ ঘটনাটি বুঝতে না পারায় হাসিব ঘটনাটি প্রাণীবিজ্ঞান মোতাবেক বুঝিয়ে দিল।

Updated: 1 week ago
উত্তরঃ

গ্র্যাভিট্যাক্সিস হলো জীবের অভিকর্ষজনিত সাড়াদান।

উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রাণী নিজেদের জীবন বিপন্ন করে হলেও তার দলের অন্য সদস্যদেরকে সহায়তা করে তাকে পরার্থপরতা বা অ্যালটুইজম বলে। এ ধরনের আচরণ প্রাণীরা নিজ দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ মানুষের ক্ষেত্রে ভাই বা বোনের জীবন বাঁচাতে পানিতে/আগুনে ঝাঁপ দেয়া, অঙ্গ প্রদান (চোখ, কিডনি) ইত্যাদি।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের হানিফ ও হাসিবের দেখা ঘটনাটি প্রাণীদের এক ধরনের সহজাত আবেগ বা ইনসটিংক্টস। জন্মগত যে শক্তির সাহায্যে একটি প্রজাতির সকল সদস্য কোনো শিক্ষণ ছাড়া এবং আত্মরক্ষা ও ফলাফল সম্বন্ধে অবহিত না হয়ে বংশ পরম্পরায় একইভাবে কাজ করে থাকে সেটাই ইনসটিংক্ট। প্রতিটি প্রাণীর আচরণ কিছু FAP (Fixed action pattern) নিয়ে গঠিত। আর এগুলো প্রজাতি নির্দিষ্ট।
উদ্দীপকের শাবক ও তার মা পাখির মধ্যে সাড়া প্রদর্শিত হয় তা প্রাণী বিজ্ঞানের আলোকে ব্যাখ্যা করা যায়। ক্ষুদার্ত শারক চাক্ষুষ উদ্দীপনার প্রতি সংবেদনশীল। অন্যদিকে বাসায় ছানার উপস্থিতি মা পাখিটির চাক্ষুস উদ্দীপনা হিসেবে কাজ করে। রিলিজিং উদ্দীপনার মাধমে যে বার্তার সৃষ্টি হয় তা অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কের কেন্দ্রে বাহিত হয়। এ কেন্দ্রেই সুনির্দিষ্ট বার্তার প্রতি নির্দিষ্ট পেশিকে সংকোচন এ প্রসারণের নির্দেশ দেয়। ফলে শাবকের ঠোকর পড়ে মা পাখিটির ঠোঁটে অবস্থিত লাল ফোটার উপর। এটি একটি স্থায়ী অ্যাকশন প্যাটার্ন

উত্তরঃ

উদ্দীপকে হানিফ ও হাসিব খেয়াল করলো একটি শাবক পাখি তার মা পাখিটির ঠোঁটের নিচে লাল অংশে ঠোঁর মারছে। এ ঘটনাটি একটি স্থায়ী অ্যাকশন প্যাটার্ন যা এক ধরনের সহজাত আচরণ।

লরেঞ্জ এর মতে প্রত্যেক প্রাণী প্রাজাতির আচরণ কতগুলো স্থায়ী অ্যাকশন প্যার্টান নিয়ে, গঠিত, এগুলো প্রজাতি নির্দিষ্ট ও জিনগতভাবে নির্ধারিত। এক্ষেত্রে আচরণ সব সময়ই একই হবে। একটি প্রজাতির সকল সদস্যের ক্ষেত্রেই এ আচরণ প্রদর্শিত হবে। একবার সাড়া দেয়া হলে পরিস্থিতির সাপেক্ষে FAP অপরিবর্তিত থাকে এবং তা একটি মাত্র কাজ করলে, উদাহরণস্বরূপ বলা যায় FAP এর ক্ষেত্রে সদ্যজাত হেরিংগাল ও তার মায়ের মধ্যে যে সাড়া প্রদর্শিত হয় তা থেকে ইনসটিংস্টের সুন্দর ব্যাখ্য দেওয়া যায়। ক্ষুধার্ত হেরিংগাল ছানা চাক্ষুষ উদ্দীপনার প্রতি সংবেদনশীল। অন্যদিকে, বাসায় ছানার উপস্থিতি পূর্ণাঙ্গ হেরিংগাল-এ চাক্ষুষ উদ্দীপনা হিসেবে কাজ করে। রিলিজিং উদ্দীপনার মাধ্যমে যে বার্তার সৃষ্টি হয় তা অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কের একটি কেন্দ্রে বাহিত হয়। এ কেন্দ্রই সুনির্দিষ্ট বার্তার প্রতি নির্দিষ্ট সাড়া দেয়। এ প্রক্রিয়াটি সহজাত রিলিজিং পদ্ধতি (Innate Releasing Mechanism, IRM)। IRM নির্দিষ্ট পেশিকে সংকোচন ও প্রসারণের নির্দেশ দেয়। ফলে ছানার ঠোকর পড়ে পূর্ণাঙ্গ হেরিংগাল-এর ঠোঁটে অবস্থিত লাল ফোঁটার
উপর। এটাই হচ্ছে স্থায়ী অ্যাকশন প্যাটার্ন (FAP)-1 তাই বলা যায়, উদ্দীপকে শাবক পাখির তার মা পাখিটির ঠোঁটের নিচে লাল অংশে ঠোকর মারা স্থায়ী অ্যাকশন প্যার্টানের উদাহরণ।

65

ইথোলজিঃ উদ্দীপকের প্রতি সাড়া দেওয়া প্রতিটি জীবের বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাপেক্ষে একটি প্রাণীর সাড়া দেওয়া বা প্রতিক্রিয়াকে প্রাণীর আচরণ বলে। সম্পূর্ণ দেহের সঞ্চালন বা অংশবিশেষের সঞ্চালন, দেহভঙ্গি, মুখের ভঙ্গি, স্বর উৎপাদন ভঙ্গি এমনকি বর্ণের পরিবর্তন, গন্ধ সৃষ্টি প্রভৃতি আচরণের অন্তর্গত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণীর আচরণ

সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে আচরণবিদ্যা বা ইথোলজি (Ethology; একি ethos = আচরণ এবং logos=জ্ঞান) বলে। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রবাহমান পানির প্রতি প্রাণীর সাড়া প্রদানের প্রক্রিয়াই হলো রিওট্যাক্সিস।

12
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রাণী নিজেদের জীবন বিপন্ন করে হলেও তার দলের অন্য সদস্যদেরকে সহায়তা করে তাকে পরার্থপরতা বা অ্যালটুইজম বলে। এ ধরনের আচরণ প্রাণীরা নিজ দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ মানুষের ক্ষেত্রে ভাই বা বোনের জীবন বাঁচাতে পানিতে/আগুনে ঝাঁপ দেওয়া, অঙ্গ প্রদান (চোখ, কিডনি) ইত্যাদি।

9
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো পাখি। পাখির বিশেষ স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি হলো পরিযান। নিচে পরিযান প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা
হলো-

পরিযান বলতে প্রাণীদের একস্থান হতে অন্যস্থানে গমনকে বোঝায়। সাধারণত প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা, খাদ্যপ্রাপ্তি ও প্রজননের জন্য প্রাণীরা পরিযান করে থাকে। পরিযান পাখির একটি সহজাত আচরণ। আবহাওয়ার পরিবর্তন, খাদ্যাভাব, প্রজননগত সমস্যা ইত্যাদি কারণে পাখিরা পরিযানে উদ্দীপিত হয়। পরিযান সাধারণত দু'রকম হয়ে থাকে যথা- অক্ষাংশিক পরিযান ও উলম্বিক পরিযান। উত্তর থেকে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ থেকে উত্তর গোলার্ধে পরিযানকে অক্ষাংশিক পরিযান বলে। যেমন- শীতকালে সাইবেরিয়ায় প্রচণ্ড তুষারপাত ঘটে তাই সেখানকার পাখিরা বাংলাদেশে পরিযান করে। আবার নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পাখিরা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে পাহাড়ের চূড়ায় পরিযান ঘটায় যাকে উলম্বিক পরিযান বলে। সাধারণত পরিযায়ী পাখিরা তাদের দিক নির্দেশক হিসেবে পৃথিবীর চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে থাকে। প্রায় সকল পরিযায়ী পাখি বছরের পর বছর একই পথ অনুসরণ করে। এসব পাখিরা চেনা যায় এমন স্থান, সূর্য, তারকারাজি, চাঁদ ইত্যাদিকে পথ চেনার কাজে লাগায় এবং পূর্বের বাসস্থানে ফিরে যায়।

10
উত্তরঃ

উদ্দীপকের B-তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো তিন কাঁটা স্টিকলব্যাক মাছ। স্টিকলব্যাক মাছের অপত্য লালন নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
সাধারণত তিন-কাঁটা স্টিকলব্যাক ছোট ছোট দলে ঝাঁক বেধে ঘোরে। যৌন পরিপক্কতা এলে পুরুষ মাছ দলহীন হয়ে উপকূলবর্তী অগভীর পানির জলাশয়ে নিজস্ব বিচরণ পরিসীমা নির্ধারণ করে সতর্ক পাহারায় নিযুক্ত থাকে। বিচরণ পরিসীমা প্রতিষ্ঠার পর সেখানে বাসা নির্মাণ শুরু করে। এরপর পুরুষ মাছ জিগ-জ্যাগ নৃত্য প্রদর্শনের মাধ্যমে স্ত্রী মাছকে আকৃষ্ট করে ডিম পাড়তে উদ্বুদ্ধ করে। ডিম পাড়া শেষ হলে পুরুষ মাছ ডিমগুলোকে নিষিক্ত করে এবং ডিমের দেখা শোনা আরম্ভ করে। নীড় ও নীড়ের ভেতর থাকা নিষিক্ত ডিমগুলো থেকে সুস্থ পোনা উৎপাদন, রক্ষা, যত্ন নেওয়া ও সবশেষে নিরাপদে পরিবেশে ফিরে যাওয়া অনুকূলে রাখতে পুরুষ মাছ সদা ব্যস্ত থাকে। এ সময় বাসার কাছে নিজ প্রজাতির সদস্যসহ কোনো মাছ বা ক্ষতিকর প্রাণীর প্রবেশ রোধ করতে মাছ সদা তৎপর থাকে। ডিম ফোটার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্টিকলব্যাক এক অদ্ভুত আচরণ করে। বাসায় প্রবেশ পথের সামনে মাথা নিচু করে তির্যকভাবে অবস্থান নিয়ে বক্ষপাখনা সামনের দিকে সঞ্চালিত করে। এভাবে অক্সিজেন চাহিদা নিশ্চিত, করতে পানিস্রোত অব্যাহত রাখে। এ প্রক্রিয়ার নাম ফ্যানিং। ৭-৮ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে পোনা বের হয়ে আসে। তখন পোনাগুলো পাহারা দেওয়ার জন্য পুরুষ মাছটি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। পোনার দল থেকে কিছু পোনা দলছুট হলে পুরুষ মাছটি দ্রুত সেগুলোকে মুখে তুলে এনে আবার মূল দলে ছেড়ে দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর পোনাগুলো ঝাঁক বেধে চলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে পুরুষ মাছটি তখন নিজ সঙ্গীদের কাছে ফিরে যায়। এভাবে স্টিকলব্যাক মাছ অপত্যের প্রতি যত্ন নেয়।

9
উত্তরঃ

দেহের প্রতিরক্ষা তন্ত্র থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট-অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করে তাই হলো অ্যান্টিবডি।

11
উত্তরঃ

রজঃচক্র হলো বয়োঃপ্রাপ্ত মারীর নির্দিষ্ট সময় পর পর জরায়ু থেকে রক্ত, মিউকাস, এন্ডোমেট্রিয়ামের ভগ্নাংশ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অনিষিক্ত ডিম্বাণুর চক্রীয় নিষ্কাশন। স্ত্রী যৌনচক্রের সময় জরায়ুর প্রাচীরে যেসব ধারাবাহিক ও চক্রাকার পরিবর্তন ঘটে তাকে জরায়ু চক্র বলে। প্রতিবার জরায়ুচক্র শেষে রক্তসহ মিউকাস ও অন্যান্য পদার্থ যোনীপথে বের হয়ে যায়। একে রজঃস্রাব বলে। ২৮ দিন পর পর একটি জরায়ু চক্র শেষে আবার নতুন করে রজঃস্রাব হয়।

9
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews