হাদিসে এসেছে, "দু'আ সকল ইবাদতের মূল।" আমরা অনেক সময় জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতবশত এবং শয়তানের ধোঁকায় পড়ে অসংখ্য পাপ কাজ করে বসি। এজন্য অনুতপ্ত হয়ে আমাদের আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত এবং মুনাজাত করা উচিত। মানুষ হিসেবে হাবিবাও ভুলের উর্ধ্বে নয়। সুতরাং ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক, যেকোনো সময় তার দ্বারা পাপ কাজ সংঘটিত হতে পারে। সুতরাং হাবিবার উচিত স্বীয় কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহর নিকট মুনাজাত করলে তিনি খুশি হন। কেননা আল্লাহ তায়ালা অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তাঁর দয়া অসীম। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, "আল্লাহ তায়ালা দয়াকে এক শ ভাগ করে নিরানব্বই ভাগ নিজের জন্য রেখেছেন। আর একটি মাত্র ভাগ করে সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে বণ্টন করেছেন।" আলোচ্য হাদিস থেকে বোঝা যায়, আল্লাহ পাকের দয়া ও করুণা কত বেশি। আল্লাহ পাক যেমন মানুষের গুনাহ ক্ষমা করার জন্য প্রস্তুত, তেমনি মানুষের যেকোনো অভাব পূরণের জন্যও তিনি সদা প্রস্তুত। তাই আমাদের গুনাহ মাফ এবং অন্য যেকোনো প্রয়োজনে বা সমস্যায় মহান আল্লাহ পাকের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর নিকট একান্তভাবে মুনাজাত করা উচিত।
তাহলে আশা করা যায় যে, তিনি আমাদের মাফ করে দিবেন এবং সকল সমস্যার সঠিক সমাধান দিবেন। এদিক থেকে হাবিবার জীবনে মুনাজাতের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম এবং অনস্বীকার্য।
Related Question
View Allআরবি হরফ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলে।
পবিত্র কুরআন মুখস্থ তিলাওয়াত করা যায়। আবার দেখেও পাঠ করা যায়। দেখে দেখে তিলাওয়াত করাকে নাযিরা তিলাওয়াত বলে। নাযিরা তিলাওয়াত একটি উত্তম ইবাদত। আল্লাহ তায়ালা এরূপ তিলাওয়াতকারীকে আখিরাতে অত্যধিক সম্মান ও মর্যাদা দান করবেন।
নাবিহা দ্বিতীয় পর্যায়ে فِيهَا )ফিহা) তিলাওয়াতের সময়ে ও বর্ণ এবং বর্ণ (তাজবিদ অনুযায়ী) সঠিক নিয়মে পড়েনি। এখানে নাবিহা মাদ্দ-এর নিয়ম অমান্য করেছে।
আমরা জানি, মাদ্দের হরফ মোট তিনটি- আলিফ, ওয়াও, ইয়া )۱...ي( এ তিনটি হরফ নিম্নলিখিত অবস্থায় মাদ্দের হরফ হিসেবে উচ্চারিত হয়-
১.। (আলিফ) এর পূর্বের হরফে যবর থাকলে। যেমন-
২. , (ওয়াও) এর ওপর জযম এবং তার ডান পাশের হরফে পেশ থাকলে। যেমন-
৩. ৬ (ইয়া) এর ওপর জযম এবং এর ডান পাশের অক্ষরে যের থাকলে। যেমন-
উপরিউক্ত তিনটি অবস্থায় ডু...। মাদ্দের হরফ হিসেবে গণ্য হয়। ফলে এর পূর্বের অক্ষর একটু দীর্ঘ করে পড়তে হয়। সুতরাং নাবিহা দ্বিতীয় পর্যায়ে তাজবিদের মাদ্দের বিষয়টি ত্যাগ করেছে।
উদ্দীপকে নারিহাকে তার বাবা নির্ভুল তিলাওয়াতের প্রতি তাগিদ দিয়েছেন।
আমরা জানি, কুরআন তিলাওয়াত সর্বশ্রেষ্ঠ নফল ইবাদত। কুরআন তিলাওয়াতে ফজিলত অপরিসীম। কুরআন তিলাওয়াতের এসব ফজিলত লাড করা যায় শুদ্ধ ও সুন্দরভাবে তিলাওয়াতের মাধ্যমে। এজন্য তাজবিদ অনুযায়ী কুরআন তিলাওয়াত করা অত্যন্ত জরুরি। তাজবিদ সহকারে কুরআন পড়া আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ। তিনি বলেছেন-
وَرَيْلِ الْقُرْآنَ تَرْتِيلًا অর্থ : আপনি কুরআন আবৃত্তি করুন ধীরে ধীরে ও
সুস্পষ্টভাবে। (সূরা মুয্যাম্মিল: ৪)
তাজবিদ না জেনে কুরআন পাঠ করলে তা শুদ্ধ হয় না। আর কুরআন পাঠ শুদ্ধ না হলে নামায সঠিকভাবে আদায় হয় না। এরূপ তিলাওয়াতকারী কোনো সওয়াবও লাভ করবে না।
সুতরাং বলা যায়, মাওলানা আহমাদ সাহেব তার মেয়ে নাবিহাকে যে বিষয়টি তাগিদ দিয়েছেন, সেটি হচ্ছে তাজবিদ অনুসরণ। কাজেই নাবিহা তাজবিদ মেনে শুদ্ধ ও সুন্দরভাবে কুরআন পাঠ করবে। আর এজন্য প্রথমেই তাজবিদ শিক্ষা করবে। এরপর কুরআন পাঠের সময় এ নিয়মগুলোর অনুশীলন করবে।.
বিশুদ্ধ ছয়টি হাদিস গ্রন্থকে একত্রে সিহাহ সিত্তাহ বলা হয়।
আমাদের সমাজে ধনী-গরিব, সাদা-কালো, সুস্থ-অসুস্থ, হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবরকমের লোকদের নিয়েই আমাদের সমাজ। সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। সকলের মধ্যে = ঐক্য ও সহযোগিতা না থাকলে কোনো সমাজ উন্নতি লাভ করতে - পারে না। আর এর জন্য প্রয়োজন মানুষের প্রতি প্রীতি, দয়া-মায়া, ভালোবাসা। আর এটাই মানবপ্রেম, যা মহৎ গুণ হিসেবে বিবেচিত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!