হাবিব একজন গ্রাম্য কৃষক। তুষার সে গ্রামের গ্রাম্য মহাজন। হাবিব তার কৃষিকাজ পরিচালনার জন্য অ-প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হতে ঋণ নিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে হাবিব প্রতি মণ আলু ৬০০ টাকা দরে ও প্রতি মণ ধান ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করেছিলেন। ২০১৫ সালে বাজারে দাম একটু বেশী। সে আলু প্রতি মণ ৯০০ টাকা দরে ও ধান প্রতি মণ ৬০০ টাকায় বিক্রি করেন। বেশি দামে আলু ও ধান বিক্রি করতে পেরে হাবিব খুব খুশি। কিন্তু তুষারের মন বেশ খারাপ।

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

কোনো নির্দিষ্ট বছরের গড়পড়তা মূল্যকে অন্যকোনো ভিত্তি বছরের গড়পড়তা মূল্যের তুলনায় শতাংশরূপে প্রকাশ করার জন্য যে সংখ্যাবাচক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তাকে সূচক সংখ্যা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অর্থের যোগানের পরিবর্তন আবশ্যক। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
মুদ্রাস্ফীতির মূল কারণ হলো অর্থের যোগান বৃদ্ধি। সুতরাং মুদ্রাস্ফীতি কমাতে হলে অর্থের যোগান কমাতে হবে। অর্থের যোগান কমাতে হলে ব্যাংক ঋণ, সরকারি ব্যয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিদেশ থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ, টাকা ছাপানো ইত্যাদি কমাতে হবে। কারণ ব্যাংক ঋণ অর্থের যোগান বাড়ায়। তাই অর্থের যোগান কমানোই হলো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের অন্যতম উপায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে ২০১৪ সালের ভিত্তিতে ২০১৫ সালে মুদ্রাস্ফীতির হার নিচে নির্ণয় করা হলো-
উদ্দীপকে ২০১৪ সালে প্রতি মণ আলু ৬০০ টাকা দরে এবং প্রতি মণ ধান ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। ২০১৫ সালে দাম একটু বেশি থাকায় প্রতি মণ আলু ৯০০ টাকা দরে এবং প্রতি মণ ধান ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

উৎপাদক দ্রব্যভিত্তি বছরবর্তমান বছরবর্তমান বছরের ব্যয়ভিত্তি বছরের ব্যয়
পরিমাণ (Q0)দাম (P0)পরিমাণ (Qn)দাম (Pn)Pn QnP0Q0
আলু১৬০০১৯০০৯০০৬০০
ধান১৪০০১৬০০৬০০৪০০
মোট ব্যয়  ∑ Pn Qn= ১৫০০∑P0 Q0=১০০০

উৎপাদকের দাম সূচক (PPI)

এখানে,

Pn = বর্তমান বছরের দাম

Qn=বর্তমান বছরের পরিমাণ

P0= ভিত্তি বছরের দাম

Q0 = ভিত্তি বছরের পরিমাণ

=∑Pn Qn∑ PoQo×100

=১৫০০১০০০×১০০০

= ১৫০

সুতরাং মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ = ১৫০-১০০ = ৫০%

অতএব বলা যায়, ২০১৪ সালের ভিত্তিতে ২০১৫ সালের -মুদ্রাস্ফীতির হার ৫০%।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

মুদ্রাস্ফীতির ফলে উদ্দীপকের হাবিব ও তুষারের মনোভাব ভিন্নরকম হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
উদ্দীপকে হাবিব একজন গ্রাম্য কৃষক এবং তুষার গ্রামের গ্রাম্য মহাজন। তুষার গ্রামের মানুষদের ঋণ দিয়ে থাকে। তাই হাবিব তার কৃষিকাজ পরিচালনা করার জন্য তুষারের নিকট থেকে ঋণ নিয়ে থাকেন। হাবিব ২০১৪ সালে আলু ও ধান উৎপাদন করে প্রতি মণ আলু ৬০০ টাকা দরে এবং প্রতি মণ ধান ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করেছিলেন। কিন্তু ২০১৫ সালে বাজারে দাম একটু বেশি থাকায় তিনি প্রতি মণ আলু ৯০০ টাকা দরে এবং প্রতি মণ ধান ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করেন। বেশি দামে আলু ও ধান বিক্রি করায় হাবিব খুব খুশি হয়। কিন্তু তুষারের মন খুব খারাপ হয়ে যায়। কারণ দামস্তর বাড়লে অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থের মূল্য কমে যায় ফলে ঋণদাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও ঋণগ্রহীতা লাভবান হয়। যদিও একই পরিমাণ অর্থ দ্বারা ঋণ পরিশোধু হয় তবুও পূর্বের তুলনায় ঋণ পরিশোধকালে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা কম থাকে। আবার ঋণগ্রহীতারা দ্রব্য ও সেবার আকারে পূর্বের তুলনায় কম ঋণ ফেরত দিতে পারে।

উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে তষার ঋণদাতা এবং হাবিব ঋণ গ্রহীতা। মদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় বলে ঋণদাতা তুষারের মন খুব খারা হয়ে যায়। কিন্তু ঋণগহীতা হাবিবের ঋণভার হ্রাস পায় বলেও তিনি খুব খুশি হন। এ কারণে উদ্দীপকের হাবিব ও তষারের মনোভাব ভিন্নরকম হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
87

Related Question

View All
উত্তরঃ

দামস্তর বৃদ্ধির মাত্রা বা হার অনুযায়ী মুদ্রাস্ফীতিকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
142
উত্তরঃ

সামগ্রিক চাহিদা সামগ্রিক যোগানের চেয়ে বেশি হলে দামস্তরের বৃদ্ধি ঘটে। দামস্তরের এ ধরনের বৃদ্ধিকে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে। সাধারণত দ্রব্যবাজারে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে এ মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়। চাহিদা বৃদ্ধিজনিত। মুদ্রাস্ফীতি মূল্য বাড়ার প্রত্যাশা দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সংকোচনমুখী মুদ্রা এবং ফিসক্যাল নীতি অনুসরণ করার প্রয়োজন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
150
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নয়নশীল দেশ।
সাধারণভাবে দেখা যায় যে, উন্নয়নশীল দেশে সম্পদের স্বল্পতা, মূলধনের অভাব, প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাব, সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এ অবস্থায় অতিরিক্ত অর্থের যোগান দামস্তরের বৃদ্ধি ঘটায়। ফলে
মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশেও ঠিক একই অবস্থা বর্তমান।
১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের পর থেকে এ দেশে মুদ্রাস্ফীতি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৭.৩৫%। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের শেষে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৬.৪১%। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সার্বিকভাবে মুদ্রাস্ফীতির হার ৫.৯২%-এ দাঁড়ায়। বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতির পেছনে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মজুদ ও চোরাচালানের খুব বেশি প্রভাব রয়েছে। মুদ্রাস্ফীতি সহনীয় রাখার জন্য সরকার রাজস্বনীতি ও মুদ্রানীতির সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
129
উত্তরঃ

যেকোনো দেশে মুদ্রাস্ফীতি সুদূরপ্রসারী প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
শুধু অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, সামাজিক ক্ষেত্রেও এর প্রভাব অপরিসীম। বাংলাদেশেও একই অবস্থা বিরাজমান। নিচে উক্ত বিষয়টির প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো-

মুদ্রাস্ফীতি পূর্ণ নিয়োগপূর্ব অবস্থায় উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে মুনাফার প্রত্যাশা উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা দেয়। কিন্তু পূর্ণ নিয়োগ-পরবর্তী অবস্থায় মুদ্রাস্ফীতি উৎপাদন ব্যাহত করে। মুদ্রাস্ফীতি উৎপাদনের মতো কর্মসংস্থানেও একই ধরনের প্রভাব ফেলে। যখন উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, তখন কর্মসংস্থান বা নিয়োগ বেশি থাকে, আবার উৎপাদন কমে গেলে কর্মসংস্থান বা নিয়োগ কমে যায়।
মুদ্রাস্ফীতি আয় ও সম্পদ বণ্টনের উপর কখনও ইতিবাচক, আবার কখনও নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। আয় ও সম্পদের পূর্ণ বণ্টনে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে কেউ লাভবান, আবার কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুদ্রাস্ফীতি দামস্তরের বৃদ্ধি ঘটানোর ফলে রপ্তানির পরিমাণ কমে যায়। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিকূল অবস্থা সৃষ্টি হয়। মুদ্রাস্ফীতির সময় কর, মুনাফা ইত্যাদি বৃদ্ধি পায় বলে সরকারি আয় বেড়ে যায়, আবার দামস্তর বৃদ্ধির কারণে সরকারি ব্যয়ও বৃদ্ধি পায়। মুদ্রাস্ফীতি সামাজিক শ্রেণি বিভাজনের সৃষ্টি করে, ফলে সমাজে ধনবৈষম্য, অর্থাৎ ধনী-দরিদ্র বিরোধ ও অসন্তোষ বিরাজ করে। কলকারখানার শ্রমিক-মালিক বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। সার্বিকভাবে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়ে সমাজজীবন বিপর্যস্ত হয়ে ওঠে। মুদ্রাস্ফীতি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে বলে রাজনৈতিক পরিবেশও বিঘ্নিত হয়।
সবশেষে বলা যায়, স্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি অর্থনীতির জন্য সমস্যা না হলেও ক্রমাগত দামস্তরের বৃদ্ধিতে অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে অর্থনীতিতে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
138
উত্তরঃ

যে সূচকে কতিপয় দ্রব্য ও সেবা ক্রয়ের ব্যয় পরিমাপ করা হয়, তা-ই হলো ভোক্তার দাম সূচক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
219
উত্তরঃ

বর্তমান বছরের ব্যয়ের সাথে ভিত্তি বছরের ব্যয়ের তুলনা করে ভোক্তার দাম সূচক তৈরি করা হয়। ভিত্তি বছরের দামস্তরকে ১০০ ধরে সাধারণত ভোক্তার দাম সূচক যে হারে বৃদ্ধি পায়, সে হারকে মুদ্রাস্ফীতির হার হিসেবে গণ্য করা হয়। এ ক্ষেত্রে
দাম সূচক (CPI) নিম্নরূপে হিসাব করা হয়-

ভোক্তার দাম সূচক (CPI)  =∑PnQn∑ POQO×100

এখানে,Pn= বর্তমান সময়ের দাম,

PO= দ্রব্যের পরিমাণ,
QO= ভিত্তি বছরের দাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
154
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews