হারুন ও সোলায়মান পাশাপাশি দোকানে ফল বিক্রয় করে। তাদের দুই জনের মধ্যে সোলায়মান ওজনে কম দেয়, কারণ সে আখিরাত, কিয়ামত, হাশর, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদিতে বিশ্বাস করে না। অন্যদিকে, হারুন কাউকে ঠকায় না, কারণ সে আখিরাতে বিশ্বাস করে। সে মনে করে কারও সাথে প্রতারণা করলে জাহান্নামের আগুনে পুড়তে হবে। পক্ষান্তরে, সততা ও বিশ্বস্ততার পরিণাম জান্নাত।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

কবর থেকে যেদিন মানুষ জীবিত হয়ে উঠবে এবং আল্লাহর সামনে দণ্ডায়মান হবে তাকে কিয়ামত বা মহাপ্রলয় বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

আখিরাতের জীবনের কয়েকটি ধাপ রয়েছে। তন্মধ্যে প্রথম ধাপ হলো কবর বা আলমে বারযাখ। মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত বা পৃথিবী ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত সময়কে বলে আলমে বারযাখ। আলমে বারযাখে 'মুনকার নাকীর' নামে দুই জন ফেরেশতা তিনটি প্রশ্ন করবেন। যাদের কবর দেওয়া হয় না তারাও এ থেকে রেহাই পাবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

ইহকালীন জীবন শেষে আখিরাতে চিরকালীন সুখ-শান্তির যে আবাসস্থল প্রস্তুত রাখা হয়েছে তাকে জান্নাত বলে। জান্নাত লাভকরতে হলে সোলায়মানকে প্রথমত তাওবা করে সৎপথে ফিরে আসতে হবে। তারপর-

১. আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (স.)-এর পূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে।
২. নেক আমল করতে হবে।
৩. দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হবে।
৪. রমযানের সাওম পালন করতে হবে।
৫. হজ, যাকাত ফরয হলে তা আদায় করতে হবে।
৬. জীবনের সকল ক্ষেত্রে শরিয়তের হুকুম-আহকাম মেনে চলতে হবে।
৭. আল্লাহ পাকের ভয় মনে রেখে সকল প্রকার কুকর্ম থেকে নিজের নফসকে বিরত রাখতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি পাঠ করে আমরা জানতে পারি যে, সোলায়মান একজন ফল বিক্রেতা। সে ওজনে কম দেয়, যা প্রতারণার শামিল। কাজেই সোলায়মান যদি তাওবা করে সৎপথে ফিরে না আসে তবে সে পাপীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর সোলায়মান যদি তাওবা করে সৎপথে ফিরে আসে তবে পুণ্যবানদের দলভুক্ত হবে। হাশরের দিন সূর্য অতি নিকটবর্তী স্থান থেকে সেদিন প্রচন্ড প্রতাপে তাপ ঝরাতে থাকবে। পাপীরা সূর্যতাপে দহনে ভীষণভাবে ঘর্মাক্ত হতে থাকবে। সেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতীত কোনো ছায়া থাকবে না। পুণ্যবানরা আরশের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় লাভ করবে। আরামে থাকবে। হাশরের দিন মানুষ দুনিয়ার কৃতকর্মের খতিয়ান সংবলিত আমলনামা দেখতে পাবে। শুরু হবে অতি সূক্ষ্ম বিচার। স্বয়ং আল্লাহ হবেন বিচারক। নবি-রাসুল ও ফেরেশতাগণ হবেন সাক্ষী। নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গও সাক্ষ্য দিবে। হাশরের দিন মীযান দ্বারা পাপপুণ্যের - ওজন করা হবে। যাদের পুণ্যের পাল্লা ভারী হবে, তারা জান্নাত লাভকরবে। আর যাদের পাপের পাল্লা ভারী হবে, তারা হবে জাহান্নামি। পরিশেষে আলোচনার আলোকে আমরা বলতে পারি যে, হাশরের ময়দানে সোলায়মানের পরিণতি নির্ভর করে তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মকান্ডের ওপর। সংশোধিত না হলে তার নিশ্চিত পরিণতি জাহান্নাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
80

আকাইদ ( الْعَقَائِدُ )

আকাইদ' আরবি শব্দ। এটি বহুবচন। এর অর্থ হলো বিশ্বাসমালা। এর একবচন হলো 'আকিদাহ' (الْعَقِيْدَةُ), যার অর্থ বিশ্বাস। ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহের প্রতি বিশ্বাসকেই 'আকাইদ' বলা হয়। যেমন: আল্লাহ, নবি-রাসুল, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, আখিরাত, তকদির, পুনরুত্থান ইত্যাদির প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • আকাইদের ধারণা বর্ণনা করতে পারব।
  • তাওহিদের (একত্ববাদ) ধারণা, তাৎপর্য ও তাওহিদে বিশ্বাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • অর্থসহ কালিমা তায়্যিবা ও কালিমা শাহাদাত শুদ্ধ উচ্চারণে পড়তে, বলতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ইমান মুজমাল (ইমানের সংক্ষিপ্ত পরিচয়) অর্থসহ শুদ্ধ উচ্চারণে পড়তে, বলতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আল্লাহর কতিপয় গুণবাচক নামের অর্থ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • রিসালাতের ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • আখিরাতের ধারণা, বিশ্বাসের গুরুত্ব ও পর্যায়সমূহ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • নৈতিকতা উন্নয়নে 'আকাইদ'-এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

কালিমা তাইয়্যিবার অর্থ হলো- আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, মুহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসুল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
224
উত্তরঃ

রিসালাত বলতে নবি রাসুলগণ যে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেসব দায়িত্বকে বোঝায়। রিসালাত শব্দের অর্থ বার্তা, খবর, চিঠি, সংবাদবহন প্রভৃতি। আল্লাহ তায়ালা নবি-রাসুলগণকে অনেক দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করেছেন। যেমন, মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করা, সত্য দীন প্রচার করা, সত্য ও ন্যায়ের পথে চলা ইত্যাদি। নবি রাসুলগণের এসব দায়িত্বকেই রিসালাত বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
548
উত্তরঃ

মামার নিকট মেজবাহর প্রশ্নটি আকাইদের তাওহিদ বিষয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

আল্লাহ তায়ালাই একমাত্র সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা ও রিযিকদাতা। তিনি ব্যতীত ইবাদতের যোগ্য কেউ নেই। তিনিই হলেন একমাত্র ইলাহ। আল্লাহর প্রতি এরূপ বিশ্বাসকে তাওহিদ বলে।

মেজবাই তার মামার সাথে সুন্দরবন বেড়াতে যায়। সুন্দরবনের গাছগাছালি ও সমুদ্রতীরের মনোরম দৃশ্যাবলি তাকে মুগ্ধ করে। সে অবাক হয়ে তার মামার কাছে জানতে চায়- এসব কিছুর স্রষ্টা কে? জবাবে মামা তাকে বলেন, এসবকিছুর স্রষ্টা আল্লাহ তায়ালা। কারণ সুন্দরবনের গাছগাছালি কোনো মানুষ রোপণ করেনি। সাগর সৃষ্টি করাও মানুষের কাজ নয়। এগুলো প্রকৃতিরও সৃষ্টি নয়। বরং এসব কিছু আল্লাহ তায়ালা মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি যখন কোনোকিছু সৃষ্টি করতে চান, তখন তিনি বলেন, 'কুন' (হয়ে যাও) তাৎক্ষণিকভাবে হয়ে যায়। আর এগুলো লালন পালনও তিনি করেন। যদি এসব কিছু সৃষ্টি ও লালন-পালনে একাধিক স্রষ্টা থাকত তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ রাজত্ব নিয়ে পৃথক হয়ে যেত। অথবা রাজত্ব পরিচালনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিত। এ থেকে বোঝা যায়, স্রষ্টা একজন যা – তাওহিদকে প্রকাশ করে।

সুতরাং বলা যায়, মেজবাহর প্রশ্নটি আকাইদের তাওহিদ বিষয়ের বিষয়ের সাথে সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
274
উত্তরঃ

মেজবাহর প্রশ্নের জবাবে তার মামা বলেছিল, এ পৃথিবীর সবকিছুই আল্লাহর সৃষ্টি। চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র এবং গাছগাছালি, জলপ্রপাত, সমুদ্রের জলরাশি সবই একজনের সৃষ্টি। মেজবাহর মামার এ উত্তরটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত।

বস্তুত আল্লাহ তায়ালাই সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্তা। মহাজগতের নিয়ম-শৃঙ্খলা তাঁরই দান। আর পশুপাখি, গাছপালাসহ সবকিছুর-নিয়ন্ত্রকও তিনি। তিনিই সবকিছু করেন। বরং তিনি যা ইচ্ছা করেন তা-ই হয়। এসব কিছুতে যদি একের বেশি নিয়ন্তা থাকত, তবে নানারকম বিশৃঙ্খলা দেখা দিত। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন-

لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةً إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَتَا

অর্থ : 'যদি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে, আল্লাহ ব্যতীত বহু ইলাহ থাকত, তবে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যেত।' (সূরা আল-আম্বিয়া: ২২)

একটু চিন্তা করলেই আমরা বিষয়টি বুঝতে পারব। যেমন মহাজগতের সৃষ্টিকর্তা ও বিধানদাতা যদি একাধিক হতেন, তাহলে মহাজগৎ এত সুশৃঙ্খলভাবে চলত না। একজন স্রষ্টা চাইতেন সূর্য পূর্বদিকে উঠুক। আরেকজন চাইতেন পশ্চিম দিকে। আবার অন্যজন দক্ষিণ বা উত্তর দিকে সূর্যকে উদিত করতে চাইতেন। ফলে এক চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিত।

এমনিভাবে আম গাছে আম না হয়ে কোনো কোনো সময় কাঁঠাল, জাম ইত্যাদিও হতে পারত। এতে আমরা বেশ অসুবিধায় পড়তাম। বস্তুত একাধিক স্রষ্টা বা নিয়ন্ত্রক থাকলে বিশ্বজগতের সুন্দর সুশৃঙ্খল অবস্থা বিনষ্ট হয়ে যেত। আল-কুরআনের অন্য এক আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন-

وَمَا كَانَ مَعَهُ مِنْ إِلَهِ إِذًا لَذَهَبَ كُلُّ إِلَهُ بِمَا خَلَقَ وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ

অর্থ : 'আর তাঁর (আল্লাহর) সাথে কোনো ইলাহ নেই। যদি তা থাকত, তবে প্রত্যেক ইলাহ নিজ নিজ সৃষ্টিকে নিয়ে পৃথক হয়ে যেত এবং একে অপরের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করত।' (সূরা আল-মুমিনুন : ৯১)

উল্লিখিত আলোচনা হতে এটাই প্রমাণিত হয়, সব কিছুর স্রষ্টা ও নিয়ন্তা হলেন মহান আল্লাহ তায়ালা। এজন্য মেজবাহর মামার উত্তরটি সঠিক ও যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
252
উত্তরঃ

আখিরাত শব্দের অর্থ- পরকাল। মৃত্যুর পরবর্তী অনন্ত জীবনই হলো আখিরাত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
190
উত্তরঃ

নৈতিকতা বলতে সুনীতির অনুশীলন করাকে বোঝায়, অর্থাৎ কথা ও কাজে উত্তম রীতিনীতির অনুশীলন করা, মার্জিত ও বিনয়ী হওয়া, উত্তম চরিত্রবান হওয়া ইত্যাদি। এর পাশাপাশি অন্যায় কাজ, অশ্লীল ও অশালীন কাজ, পাপাচার প্রভৃতি অসৎ চরিত্র পরিত্যাগ করাও নৈতিকতার অন্তর্ভুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
426
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews