হাসানের দেশের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী। এখানে একজন নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি আছেন অথচ তিনি নামে প্রধান। তিনি সরকার প্রধানদের পরামর্শ অনুযায়ী সীমিত ক্ষমতার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সরকার নন, নামে মাত্র প্রধান।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

অভিশংসন বলতে সাংবিধানিক পদের অধিকারী কোনো ব্যক্তিকে পদচ্যুত করা হবে কি না সে উদ্দেশ্যে আয়োজিত সংসদীয় বিচারকে বোঝায়।
সংবিধানের কোনো ধারা লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ বা অসদাচরণের জন্য অথবা দৈহিক ও মানসিক অক্ষমতার কারণে জাতীয় সংসদ সাংবিধানিক পদের অধিকারী ব্যক্তিকে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের সমর্থনে অভিশংসন করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

জনাব বদর উদ্দিনের কাজের সাথে বাংলাদেশের শাসন বিভাগের রাষ্ট্রপতির মিল আছে।
দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাকে হ্রাস করা হয়েছে। নির্বাহী বিভাগের যাবতীয় কাজ ও ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হলেও বাস্তবে এর প্রয়োগের কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত সকল কাজ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শমতো সম্পাদন করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে মন্ত্রিসভার সদস্যগণের মাধ্যমে কিংবা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশের নিবাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। উচ্চপদস্থ কর্মচারী নিয়োগ, আইনে সম্মতি দান, অধ্যাদেশ জারি, দণ্ড মওকুফ বা হ্রাস ইত্যাদি সকল কাজে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব বদর উদ্দিন ও জনাব কামরুজ্জামান দুজনেই সম্মানজনক পদে অধিষ্ঠিত আছেন। জনাব বদর উদ্দিনের নামে সরকারের সকল নিবাহী ক্ষমতা গৃহীত হলেও তিনি কোনো ক্ষেত্রেই স্বাধীন ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারেন না। এমনকি উচ্চপদে নিয়োগদানের ক্ষেত্রেও তাকে জনাব কামরুজ্জামানের সাথে পরামর্শ করতে হয় যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাজের অনুরূপ।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের জনাব বদর উদ্দিনের কাজের সাথে বাংলাদেশের শাসন বিভাগের রাষ্ট্রপতির মিল আছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

হাসানের দেশের নির্বাহী প্রধান সরকার প্রধান নন বরং নামেমাত্র প্রধান- উক্তিটি যথার্থ।
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপ্রধান হলেও তিনি সরকার প্রধান নন। এ শাসন ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হলেও কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই। অর্থাৎ প্রকৃত শাসন ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাদের দপ্তর বণ্টন করেন। রাষ্ট্রপতি দু-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রের সকল কাজ পরিচালনা করেন। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী হলেও তিনি সরকার প্রধান নন।
নির্বাহী বিভাগের যাবতীয় কাজ ও ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে পরিচালিত হলেও বাস্তবে এর প্রয়োগের কর্তৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত সকল কাজ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মতো সম্পাদন করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে মন্ত্রিসভার সদস্যগণের মাধ্যমে কিংবা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। উচ্চপদস্থ কর্মচারী নিয়োগ, আইনে সম্মতি দান, অধ্যাদেশ জারি, দন্ড মওকুফ বা হ্রাস ইত্যাদি সকল কাজে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করেন।
ওপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রশ্নোত্ত উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
17
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বলতে শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে বিচারকদের স্বাধীনভাবে বিচার কাজ পরিচালনা করার ক্ষমতাকে বোঝায়।
কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা বিচারের - মাপকাঠি হলো সে দেশের বিচার বিভাগ কার্য সম্পাদনে কতটুকু স্বাধীন। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা সমাজব্যবস্থার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। জনগণের মৌলিক অধিকার, সংবিধান এবং আইন সংরক্ষণে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জরুরি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
70
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আবুল কালামের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদের সাদৃশ্য রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী। তিনি হলেন শাসন ব্যবস্থার মধ্যমণি। তাকে কেন্দ্র করেই মন্ত্রিসভা গঠিত ও পরিচালিত হয়। তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ দেন। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় সাধান করেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা হারালে কিংবা অন্য কোনো কারণে প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন। তিনি একাধারে দলের নেতা, সংসদের নেতা, মন্ত্রিসভার মধ্যমণি, রাষ্ট্রপতির পরামর্শদাতা এবং জাতির নেতা ও পথপ্রদর্শক। তিনি জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংহতির প্রতীক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আবুল কালাম 'Y' রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তাকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। তিনি এমন এক সূর্য যার চার দিকে রাজনৈতিক গ্রহগুলো আবর্তিত হয়। উদ্দীপকের 'Y' এর মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাঁর নেতৃত্বেই মন্ত্রিসভা পরিচালিত হয়। আর তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদের সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
65
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ পদ অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
একটি দেশের জনগণ তাদের সরকারের ওপরই সর্বোতভাবে নির্ভরশীল। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান। এ ব্যবস্থায় জনগণ প্রধানমন্ত্রীকেই তাদের মূল আশ্রয় বলে মনে করে। তার ওপর দেশের উন্নতি, অবনতিত, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন প্রভৃতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাই প্রধানমন্ত্রী এ দেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পর্যন্ত সব বিষয়ের সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট। দেশের উন্নয়নে সব ধরনের পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেন। সরকারের যেকোনো ব্যর্থতা তার ওপর বর্তায়। এ কারণে তৃণমূল থেকে জাতীয় সব পর্যায়েই তাকে নিপুণ দক্ষতার পরিচয় দিতে হয়। তিনি জরুরি পরিস্থিতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক সংকট প্রভৃতি ক্ষেত্রে জনগণের পাশে দাঁড়ান, সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং বক্তব্য-বিবৃতির মাধ্যমে জনগণকে ভরসা দেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতি রক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বাংলাদেশের মতো সংসদীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রীর যথাযথ ও কল্যাণমূলক কর্মকান্ডের ফলে জনগণ সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ঘটে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পদটি অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হলেন জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
46
উত্তরঃ

আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন কিংবা শাসন বিভাগের কাজ সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না তা বিচার বিভাগ কর্তৃক পর্যালোচনা করার ক্ষমতাই হলো বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা।
বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা ধারণাটির উদ্ভব হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক। সংবিধানের অভিভাবক ও রক্ষাকারী হিসেবে বিচার বিভাগ এর শ্রেষ্ঠত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য সচেষ্ট থাকে। বিচার বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আইনসভা কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন সংবিধানের সাথে অসংগতিপূর্ণ, তাহলে তা বাতিল করার ক্ষমতা বিচার বিভাগের রয়েছে। তেমনি শাসন বিভাগের কোনো কাজ সংবিধানসম্মত না হলে বিচার বিভাগ তা অবৈধ ঘোষণা করতে পারে। সংবিধানের শ্রেষ্ঠত্ব ও পবিত্রতা বজায় রাখতে বিচার বিভাগ এ ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
60
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews