রক্ত এক ধরনের লালবর্ণের অস্বচ্ছ সজীব তরল যোজক কলা।
শ্বেতকণিকা প্রহরীর মতো দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্বেতকণিকা রোগজীবাণুকে ভক্ষণ করে এবং রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয় এন্টিবডি তৈরির মাধ্যমেও শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।
হাসান সাহেব কিছুদিন যাবৎ মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড় এবং অস্থিরতা অনুভব করছিলেন যা উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ। সুতরাং হাসান সাহেব উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। নিচে হাসান সাহেবের উচ্চ রক্তচাপের কারণগুলো উল্লেখ করা হলো-
১. হাসান সাহেবের বাবা অথবা মায়ের উচ্চ রক্তচাপ থাকার কারণে তার উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।
২. হাসান সাহেব হয়তো বা বেশি স্নায়ুবিক চাপে ভুগতেন। কারণ যারা বেশি স্নায়ুবিক চাপে ভোগেন তাদের উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৩. ধূমপান করার কারণেও হাসান সাহেবের উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।
৪. হাসান সাহেবের দেহের ওজন যদি বেশি হয়ে থাকে তবে সে কারণেও তার উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।
৫. হাসান সাহেব যদি বেশি লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে থাকেন তবে সে কারণেও উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে।
৬. পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম না করার কারণেও এমন হতে পারে।
উদ্দীপকের সমস্যা দুটির মধ্যে একটি হলো হাসান সাহেবের মাথাব্যথা, বুক ধরফড় এবং অস্থিরতা অনুভব। অর্থাৎ হাসান সাহেবের এ সমস্যাটি হলো উচ্চ রক্তচাপজনিত। অন্য সমস্যাটি হলো তার মেয়ে মুনের গিটে ব্যথা, ফুলে যাওয়া ও ত্বকে লালচে ভাব দেখা দেওয়া। এ লক্ষণগুলো বাতজ্বরের লক্ষণ। তাই মুনের সমস্যাটি হলো বাতজ্বর। সুতরাং উদ্দীপকের সমস্যা দুটির মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ অনিরাময়যোগ্য। কিন্তু বাতজ্বর নিরাময়যোগ্য। স্ট্রেপটোকক্কাস অণুজীবের সংক্রমণেই বাতজ্বর হয়ে থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগ সনাক্ত করা গেলে পেনিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খেলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অর্থাৎ বাতজ্বর নিরাময়যোগ্য। কিন্তু উচ্চ রক্তচাপ নিরাময়যোগ্য নয়। কারণ এটি বংশ পরম্পরায় আসতে থাকে। অর্থাৎ এ সমস্যাটি ক্রোমোসোমের জিনের মাধ্যমে নতুন বংশধরদের মাঝে দেখা দেয়। তাই বাবা বা মায়ের উচ্চ রক্তচাপ থাকলে সাধারণত সন্তানদের এ সমস্যাটি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যেহেতু এটি মূলত বংশ পরম্পরায় বাহিত হয় ও জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই এটি অনিরাময়যোগ্য। কেবলমাত্র বিভিন্ন ধরনের ওষুধ নিয়মিত সেবনের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
সুতরাং উপরের সমস্যা দুটির বিশ্লেষণ বা ব্যাখ্যা থেকে বোঝা যায় যে বাতজ্বর নিরাময়যোগ্য হলেও উচ্চ রক্তচাপ সম্পূর্ণভাবে অনিরাময়যোগ্য।
Related Question
View Allযে পর্দার ভিতর শুধু দ্রাবক প্রবেশ করতে পারে কিন্তু দ্রব প্রবেশ করতে পারে না তাই বৈষম্যভেদ্য পর্দা।
কলয়েড জাতীয় শুকনা বা আধাশুকনা পদার্থ কর্তৃক তরল পদার্থ শোষণের বিশেষ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইমবাইবিশন। কোষপ্রাচীর ও প্রোটোপ্লাজম কলয়েডধর্মী হওয়ায় ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়। এ ছাড়া অঙ্কুরোদগমের পূর্বে শুষ্ক বীজ ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে স্ফীত হয়।
এখানে ১ উপাদানটি হলো সূর্যালোক। উদ্দীপকে যে প্রক্রিয়াটিকে দেখানো হয়েছে তা হলো সালোকসংশ্লেষণ। সালোকসংশ্লেষণের প্রধান উপকরণগুলো হলো- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। এর যেকোন একটির অনুপস্থিতিতেই উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং সূর্যালোকের অনুপস্থিতিতে প্রক্রিয়াটি বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে পারবে না এবং পরিবেশে ০₂ নির্গত হবে না। অক্সিজেন নির্গত না হাওয়ায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। জীবজগতে দেখা দিবে খাদ্যভাব। কোন জীবই কর্মশক্তি পাবে না, কারণ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সৌরশক্তি খাদ্যের মধ্যে রাসায়নিক শক্তি রূপে জমা থাকে এবং জীব এ খাদ্য থেকেই তাদের কর্মশক্তি পেয়ে থাকে।
সুতরাং, উদ্দীপকের ১ উপাদানটির অনুপস্থিতিতে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি ঘটবে না।
উদ্দীপকের X উপাদানটি হলো পানি এবং Y অঞ্চলটি হলো পাতা। উদ্ভিদ তার সবুজ পাতায় আলো ও ক্লোরোফিলের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে। এই সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় পানি উদ্ভিদ মাটি থেকে শোষণ করে এবং তা পাতায় পৌঁছায়। পানির অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ ঘটবে না, ফলে উদ্ভিদে কোন খাদ্য তৈরি হবে না। খাদ্য তৈরি না হলে উদ্ভিদ খাদ্যাভাবে মারা যাবে। আবার, খাদ্য তৈরি না হলে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাবে উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন ধরনের জৈবিক কাজেও ব্যাঘাত ঘটবে। এর ফলে উদ্ভিদ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হবে এবং এক সময় উদ্ভিদের মৃত্যু ঘটবে।
আবার X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে প্রস্বেদন ঘটবে না। কারণ প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গই হলো পাতা। মাটি থেকে পানি পাতায় পৌঁছলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পত্ররন্দ্রের মাধ্যমেই প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় বের হয়ে যায়। প্রস্বেদন উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। এছাড়া পানি (X) উদ্ভিদের পাতায় (Y) না পৌঁছলে উদ্ভিদ দেহে খনিজ লবণও পৌঁছবে না। ফলে ঐ সকল খনিজ উপাদানের অভাবে উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের লক্ষণ দেখা দিবে এবং এক সময়ে তাঁদের মৃত্যু ঘটবে।
সুতরাং X উপাদানটি (পানি) Y অঞ্চলে (পাতায়) না পৌঁছলে উদ্ভিদে উপরে বর্ণিত সমস্যাগুলো দেখা দিবে।
রক্ত এক ধরনের লালবর্ণের অস্বচ্ছ সজীব তরল যোজক কলা।
শ্বেতকণিকা প্রহরীর মতো দেহকে বিভিন্ন রোগজীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্বেতকণিকা রোগজীবাণুকে ভক্ষণ করে এবং রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয় এন্টিবডি তৈরির মাধ্যমেও শ্বেত কণিকা দেহকে বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
