হিন্দুধর্মে বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা করা হয়। তাই দেখে কুশল তার বাবাকে জিজ্ঞেস করল বাবা আমরা কি বহু ঈশ্বরবাদী? উত্তরে কুশলের বাবা বললেন, বিভিন্ন অবতার দেব-দেবী এক ঈশ্বরেরই বিভিন্ন রূপ। তোমার পাঠ্যবই পাঠে জানতে পারবে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা একেশ্বরবাদী।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

'একং সদ বিপ্রা বহুধা বদন্তি'- উক্তিটি ঋগ্বেদ গ্রন্থের।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের একেশ্বরবাদের উপলব্ধি হচ্ছে- বহুমুখী সাধনার মধ্যেও দেব-দেবীর আরাধনা ও ব্রহ্ম সাধনার মধ্যে এক সমন্বয় চেতনা রয়েছে। সাকার দেবী কালীও যিনি, নিরাকার এক ব্রহ্মও তিনি। যিনি কালী, তিনি ব্রহ্ম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বহু দেব-দেবীর উপাসনা করাই বহু ঈশ্বরবাদ নয়- এ কথাটি সঠিক।

বেদ ও উপনিষদে বলা হয়েছে, ব্রহ্ম বা ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। ব্রহ্ম বা ঈশ্বর একাধিক নন। প্রচলিত বহু দেবদেবীর উপাসনা হিন্দুধর্মের একটি প্রধান দিক। তবে দেব-দেবীগণ ঈশ্বরেরই ভিন্ন ভিন্ন শক্তি গুণের অধিকারী। ঋগ্বেদে ইন্দ্র, অগ্নি, বায়ু, ঊষা প্রভৃতি দেব-দেবীর স্তুতি রয়েছে। এঁরা ভিন্ন ভিন্ন শক্তির পরিচয় বহন করলেও তাদের সম্মিলিত শক্তির কেন্দ্রটি হচ্ছেন ঈশ্বর। ঋগ্বেদে এ সম্পর্কে ঋষিদের উপলব্ধি হচ্ছে : 'একং সদ্ বিপ্রা বহুধা বদন্তি'। অর্থাৎ সবস্তু এক, বিপ্রগণ তাকে বহুপ্রকার বলে বর্ণনা করেন। অনুরূপভাবে, কন্ঠোপনিষদে দেখা যায় 'নেই নানাস্তি কিঞ্চন'- ব্রহ্ম এক এবং অদ্বিতীয়। সুতরাং বলা যায়, বহু দেবদেবীর উপাসনা করাই বহু ঈশ্বরবাদ নয়, দেব-দেবীগণ একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শেষোক্ত বাক্যটি হলো- হিন্দুধর্মাবলম্বীরা একেশ্বরবাদী।- এ বাক্যটি সঠিক ও যথার্থ।

বেদ ও উপনিষদে বলা হয়েছে, ব্রহ্ম বা ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। ব্রহ্ম বা ঈশ্বর একাধিক নন। এই যে এক ঈশ্বরে বিশ্বাস একেই বলে একেশ্বরবাদী। প্রচলিত বহু দেব-দেবীর উপাসনা হিন্দুধর্মের একটি বিশেষ দিক। তবে দেব-দেবীগণ ঈশ্বরেরই ভিন্ন ভিন্ন শক্তি বা গুণের অধিকারী। শ্রীমদ্ভগবদ্গীতাতেও একেশ্বরের কথা বলা হয়েছে- 'প্রভাবঃ প্রলয়ঃ স্থানং নিধানং বীজমব্যয়ম্'- এ কথার তাৎপর্য হচ্ছে- তাঁর থেকে জগতের উৎপত্তি। তাঁর দ্বারা স্থিতি এবং তাঁতেই হচ্ছে লয়। তিনিই জগতের নিধান-আধার ও আশ্রয়। সুতরাং অবতার ও দেবদেবীগণ এক পরমেশ্বরেরই ভিন্ন ভিন্ন গুণ ও শক্তির প্রকাশ। তাহলে দেখা যাচ্ছে, হিন্দুধর্মে বহু দেবদেবীর পূজা- অর্চনার বিভিন্ন পদ্ধতি অনুশীলিত হলেও সেসব ধর্মকর্মের মধ্য দিয়ে সর্বশক্তিমান এক পরমেশ্বরেরই উপাসনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ অবতার ও দেবদেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ। ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়- এ বিশ্বাসকে বলা হয় একেশ্বরবাদ। তাই একেশ্বরবাদ হিন্দুধর্মের একটি বিশ্বাস এবং হিন্দুধর্মাবলম্বীরা নিঃসন্দেহে একেশ্বরবাদী। সুতরাং বিভিন্ন অবতার ও দেবদেবী একই ব্রহ্ম বা ঈশ্বরের প্রকাশ বা সাকার রূপ।

তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, হিন্দুধর্ম মূলত একেশ্বরবাদী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
133

Related Question

View All
উত্তরঃ

ভগবান স্বয়ং বা তাঁর কোনো দেব-দেবী মনুষ্যাদির মূর্তি ধারণ করে ভগবানের অপ্রাকৃত নিত্যধাম থেকে নেমে আসাকে অবতার বলা হয়। আর অবতার সম্পর্কে যে দার্শনিক চিন্তাভাবনা, তা অবতারবাদ নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
954
উত্তরঃ

বেদ ও উপনিষদে বলা হয়েছে ব্রহ্ম বা ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। ব্রহ্ম বা ঈশ্বর একাধিক নয়। এই যে এক ঈশ্বরে বিশ্বাস, তাকে একেশ্বরবাদ বলে। আবার অবতার ও দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাসই একেশ্বরবাদ। সুতরাং একেশ্বরবাদ হিন্দুধর্মের একটি বিশ্বাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
794
উত্তরঃ

শংকর স্বামী স্বরূপানন্দের মতাদর্শের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংস বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে আবির্ভূত হন। তিনি 'অযাচক আশ্রম' এর প্রতিষ্ঠাতা। এ আশ্রমে অন্যের কাছ থেকে কোনো চাঁদা নেওয়া হয় না; এরা নিজেদের অর্থের সংস্থান নিজেরাই করেন। ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি স্বামী স্বরূপানন্দের আদর্শকে রূপদান করার লক্ষ্যে চরিত্র গঠন আন্দোলন শুরু হয়। এর মূল আবেদন, "আমি ভালো মানুষ হব এবং অপরকে ভালো হতে সহায়তা দিব।" শংকর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শেষে অযাচক আশ্রমের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সমাজের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
552
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোচিত মহাপুরুষ হচ্ছেন শ্রীশ্রী স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংস। তিনি ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশের চাঁদপুর শহরে আবির্ভূত হন। তিনি 'অযাচক আশ্রম' এর প্রতিষ্ঠাতা। অযাচক আশ্রমের বৈশিষ্ট্য হল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমবেত উপাসনায় চরিত্র, গঠন, সমাজ সংস্কার, ব্রহ্মচর্য স্বাবলম্বন ও জগতের কল্যাণের কাজে নিযুক্ত থাকা। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে অর্থ যাচঞা না করা এ সংগঠনের আদর্শ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগিতায় ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দের ১ জানুয়ারি স্বামী স্বরূপানন্দের আদর্শকে রূপদান করার লক্ষ্যে চরিত্র গঠন আন্দোলন শুরু হয়। এর মূল আবেদন, "আমি ভালো মানুষ হব এবং অপরকে ভালো হতে সহায়তা দিব।" স্বামী স্বরূপানন্দের মতাদর্শ থেকে আমরা এ শিক্ষা পাই যে, সকলকে সমানভাবে ভালোবাসতে হবে। স্বামী স্বরূপানন্দ রচিত গ্রন্থাদি ও সংগীত সমাজের কল্যাণ সাধনে বিশেষ অবদান রাখতে সমর্থ হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
498
উত্তরঃ

কারও অনিষ্ট কামনা না করে সকলকে মন থেকে ভালোবাসাকেই অহিংসা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
385
উত্তরঃ

হরিচাঁদ ঠাকুরের ধর্মনীতি থেকে মতুয়া ধর্মের উদ্ভব হলো। হরিচাঁদ ঠাকুর ১৮১২ খ্রিষ্টাব্দে আবির্ভূত হয়ে হিন্দু সমাজে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে এক হরিণামে যেতে থাকার আহ্বান জানান। এ ধর্মের মূলমন্ত্র হচ্ছে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে হরিণামে মেতে থাকা। হরিণামই জগতে কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠা করতে আবশ্যক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
271
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews