হিমেল একজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। তিনি একটি গবেষণাগারে কাজ করেন। গবেষণাগারে কাজ করার সময় তিনি যে সব বিষয় তার গবেষণায় খারাপ প্রভাব বিস্তার করতে পারে তা দূরে সরিয়ে রাখেন। রাজীব সাহেব তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত একটি পণ্যের গুণাগুণ সম্পর্কে জানার জন্য কতগুলো নমুনাদলের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করে একটি সিদ্ধান্তে আসেন। সুজন তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের মান যাচাই করার জন্য বার বার পরীক্ষা চালাচ্ছেন। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উইলহেম উন্ডকে পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

উত্তরঃ

মানুষ বা প্রাণীর কোনো কার্যকলাপ বা আচরণের একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থপূর্ণ রূপকে সামগ্রিক আচরণ বলে। যেমন- কোনো রাজনীতিবিদের জনসভার ভাষণকে সামগ্রিক আচরণ বলা হয়।
মানুষ বা প্রাণীর কোনো কার্যকলাপ বা আচরণের ছোট ছোট অংশকে খণ্ডিত আচরণ বলে। যেমন- কোনো রাজনীতিবিদের জনসভার ভাষণের সময় তার মুখের পেশি সঞ্চালন, ঠোঁট নাড়া, চোখের পলক ফেলা প্রভৃতি আচরণকে খণ্ডিত আচরণ বলা হয়।

উত্তরঃ

হিমেল বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির নিয়ন্ত্রণ নীতি অবলম্বন করে। নিম্নে এ নীতি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরীক্ষণ পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ। পরীক্ষণ পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তাকে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি বলা যাবে না। উদ্দীপকে দেখা যায় হিমেল একজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা। গবেষণাগারে কাজ করার সময় তিনি অনেক। অবাঞ্ছিত বিষয় যেমন- বাইরের শব্দ বা কোলাহল, আলোর তীব্রতা, কক্ষের তাপমাত্রা প্রভৃতি বিষয় দূরে সরিয়ে রাখেন; কেননা এগুলো গবেষণায় খারাপ প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
পরীক্ষণের নিয়ন্ত্রণ বলতে বোঝায় অনির্ভরশীল চলকের সাথে নির্ভরশীল চলকের সম্পর্ক সুস্পষ্টভাবে অনুধাবনের উদ্দেশ্যে সবরকম অবাঞ্ছিত চলককে নিয়ন্ত্রণ করে পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করা। মনোবিজ্ঞানীরা পরীক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের মধ্যে জীবের আচরণ গবেষণা করেন।

উত্তরঃ

রাজীব ও সুজন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিন্ন নীতি অবলম্বন করেছে। রাজীব বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাধারণীকরণ এবং সুজন পুনরাবৃত্তি পদ্ধতি অবলম্বন করেছে।
অল্পসংখ্যক দৃষ্টান্ত থেকে সাধারণ সত্যে উপনীত হওয়াকে সাধারণীকরণ বলে। উদ্দীপকের বর্ণনায় দেখা যায়, রাজীব সাহেব তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত একটি পণ্যের গুণাগুণ সম্পর্কে জানার জন্য কতকগুলো নমুনাদলের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করে একটি সিদ্ধান্তে আসেন। তিনি পণ্যের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য সমস্ত পণ্য না নিয়ে পণ্যের

কতকগুলো নমুনা নিয়ে উক্ত পণ্য সম্পর্কে একটি সিদ্ধান্তে আসেন। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় মানুষ বা প্রাণীর একটি প্রতিনিধিত্বমূলক দলের ওপর গবেষক গবেষণা করেন এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সব মানুষ বা প্রাণী সম্পর্কে সাধারণ তত্ত্ব বা সূত্র প্রণয়ন করেন।
পূর্বে পরীক্ষিত কোন বস্তু বা ঘটনাকে ইচ্ছানুসারে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পুনরায় সৃষ্টি করে গবেষণাকার্য পরিচালনা করাকে পুনরাবৃত্তি বলে। উদ্দীপকে দেখা যায়, সুজন তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের মান যাচাই করার জন্য বারবার পরীক্ষা চালাচ্ছেন। এভাবে বারবার পরীক্ষণকার্য পরিচালনাকে পুনরাবৃত্তি বলে।
পরিশেষে বলা যায়, পুনরাবৃত্তি ও সাধারণীকরণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য, যা রাজীব ও সুজন তাদের প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান যাচাইয়ের জন্য গবেষণাকার্য পরিচালনা করেছে।

129
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

মনোবিজ্ঞান হলো আচরণ ও অভিজ্ঞতার বিজ্ঞানসম্মত অনুধ্যান এবং মানুষের সমস্যায় সেই জ্ঞানের প্রয়োগ।

692
উত্তরঃ

সমাজ মনোবিজ্ঞানের জ্ঞানকে বাস্তবজীবনে কাজে লাগিয়ে মানুষ সমাজে খাপ-খাইয়ে চলতে শেখে। সামাজিক জীব হিসেবে মানুষকে সমাজে বসবাস উপযোগী আচরণ করতে হয়। সমাজ মনোবিজ্ঞানী ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির, ব্যক্তির সাথে দলের এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সমাজের মানুষের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। সমাজের প্রচলিত রীতি-নীতি, আচার-অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক রীতি পদ্ধতি কীভাবে জীবনে প্রয়োগ করে সুন্দর সমাজ গঠন করা যায় তা মনোবিজ্ঞানের আলোচনা থেকে জানা যায়। আর মনোবিজ্ঞানের এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে মানুষ সমাজে খাপ-খাইয়ে চলতে শিখে।

965
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ছবির কাজটি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখায় আলোচনা করা হয়।
শিক্ষা মনোবিজ্ঞান মনোবিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এখানে মানুষের শিক্ষা সম্পর্কিত আচরণের বিভিন্ন সমস্যার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয়। শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে শিক্ষা ব্যবস্থা আবর্তিত হয় এবং শিক্ষণ হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের মূল বিষয়বস্তু। সে দিক দিয়ে শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীর জীবনের সার্বিক ও সুষম বিকাশ সাধনে সহায়তা করা; শিক্ষার কার্যকরী পদ্ধতি অনুসন্ধান, উদ্ভাবন ও প্রয়োগ করা; শিক্ষাক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা। এছাড়াও কীভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টি করা যায়, গঠনমূলক আচরণ শেখা যায়, গঠনমূলক আচরণ শেখা যায় তাও মনোবিজ্ঞানের এই শাখায় আলোচিত হয়।
প্রদত্ত উদ্দীপকের দিকে লক্ষ করলে দেখতে পাই, ছবি একটি সরকারি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষা পরিবেশের ওপর জোর দেন। মূলত শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের তিনটি প্রধান উপাদান হলো শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষা পরিবেশ। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যকার সুন্দর সম্পর্ক শিক্ষা পরিবেশকে তরান্বিত করে। আবার সুন্দর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ইতিবাচক গঠনমূলক সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। কেননা, শিক্ষণের গতি-প্রকৃতি, ধরন, কলা-কৌশল, শর্তাবলি, উপকরণ, শিক্ষণে পুরস্কার ও

শাস্তির প্রভাব, শিক্ষার পদ্ধতি, শিক্ষার পরিবেশ প্রভৃতি হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের মূল আলোচ্য বিষয়। তাই উদ্দীপকের ছবির কাজটি মনোবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ শাখা শিক্ষা মনোবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয় তা খুব সহজেই অনুমেয়।

494
উত্তরঃ

মিতা ও বিজয়ের কাজের মধ্যে বিজয়ের কাজটি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ।
মনোবিজ্ঞানের একটি অতীব জরুরি শাখা হলো শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান। শিল্প কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য মনোবিজ্ঞানের এ শাখার উদ্ভব হয়েছে। শিল্প কারখানায় শ্রমিক নিয়োগ, কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী উপযুক্ত লোক নির্বাচন, তাদের প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি ও মূল্যায়ন প্রভৃতি শিল্প মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু। উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে কর্মচারীদের দক্ষতা, মনোবল ও কর্মসন্তুষ্টি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
উদ্দীপকে বর্ণিত মিতার কোম্পানিতে কর্মসন্তুষ্টি ও কাজের সঠিক মূল্যায়ন হওয়ায় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বলা যায়, মিতার কোম্পানিতে শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞানের যথাযথ প্রয়োগ হয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত ছবি ও মিতার বন্ধু বিজয় নিয়মিত মানসিক সমস্যাগ্রস্তদের নিয়ে কাজ করেন। বিজয়ের এ কাজটি অস্বভাবী মনোবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত হলেও তা কোনো না কোনোভাবে অন্যান্য প্রায় সব মনোবিজ্ঞানের শাখার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। অস্বভাবী মনোবিজ্ঞানের কাজ হলো অস্বভাবী আচরণের স্বরূপ বিশ্লেষণ করা, বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে তথ্য সংগ্রহ করে তার কারণ নির্ণয় করা এবং সবশেষে অস্বভাবী আচরণের প্রতিকার ও প্রতিরোধ করা। প্রত্যেক মানুষের ভিতরেই কোনো না কোনো মানসিক চাপ থাকে যা তার আচরণ ও কর্মপরিবেশকে প্রভাবিত করে। মানসিক সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিদের যথাযথভাবে সাহায্য ও প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাভাবিক পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে পারলে তারা অন্যের উপর বোঝা হয়ে থাকবে না। তারা আত্মনির্ভরশীল ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীতে পরিণত হবে। এর ফলে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য আর্থিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন সহজ ও কার্যকরী হবে।
পরিশেষে সার্বিক আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মিতা ও বিজয় উভয়ের কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বিজয়ের কাজটি অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি।

302
উত্তরঃ

শিক্ষার্থীর জীবনের সার্বিক ও সুষম বিকাশের জন্য শিক্ষা মনোবিজ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষা মনোবিজ্ঞানে মানুষের শিক্ষা সম্পর্কিত আচরণের বিভিন্ন সমস্যার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয়ে থাকে। মনোবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ এই শাখায় ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিকতার বিকাশ ঘটানো, ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের উন্নতিকরণ, লেখাপড়ার ব্যাপারে ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ ও মনোযোগ বাড়ানো, স্মৃতিশক্তি উন্নত করার কৌশল নির্ধারণ, কার্যকরী শিক্ষাদান প্রণালি প্রণয়ন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তাই শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই শিক্ষা মনোবিজ্ঞান খুবই গুরুত্বপূর্ণ

751
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews