ক্যান্ডেলা হলো দীপন ক্ষমতা অর্থাৎ আলোক ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের একক।
যেসব একক একাধিক মৌলিক এককের সমন্বয়ে গঠিত - তাদেরকে যৌগিক একক বলে। যেমন, আয়তনের একক ঘনমিটার, যা তিনটি মৌলিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার একক মিটার এর গুণফল। -তাই আয়তনের একক একটি যৌগিক একক।
উদ্দীপক হতে পাই, হোসেন উদ্দিন সরকার এ বছর পাট রপ্তানি |
করেন ৫ মেট্রিক টন
আমরা জানি, ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম
৫ মেট্রিক টন = (১০০০ ৫) কিলোগ্রাম
= ৫০০০ কিলোগ্রাম
অতএব, এ বছর হোসেন উদ্দিন সরকার ৫০০০ কিলোগ্রাম পাট রপ্তানি করেন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্ধতি দুটির মধ্যে M.K.S পদ্ধতি সুবিধাজনক।
মতামত বিশ্লেষণ: পরিমাপের জন্য পূর্বে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। এখনো কয়েক ধরনের পদ্ধতি আমরা ব্যবহার করে থাকি। যেমন- M.K.S, F.P.S এবং C.G.S পদ্ধতি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেও এককের বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার হয়ে আসছিল। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানিগণ একটি সাধারণ পরিমাপের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যা এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা এস আই পদ্ধতি অর্থাৎ ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেম অব ইউনিট বলে পরিচিত। আর এ আন্তর্জাতিক পদ্ধতিটি M.K.S পদ্ধতিকে অনুসরণ করে। M.K.S পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক মিটার, ভরের একক কিলোগ্রাম এবং সময়ের একক সেকেন্ড, যা এস. আই. পদ্ধতির এককের অনুরূপ। আবার F.P.S পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক ফুট, ভরের একক পাউন্ড এবং সময়ের একক সেকেন্ড, দেখা যাচ্ছে এ এককগুলো আমরা সাধারণত কম ব্যবহার করে M.K.S পদ্ধতির এককগুলোই বেশি ব্যবহার করে থাকি।
অতএব উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় উদ্দীপকে উল্লিখিত পদ্ধতি দুটির মধ্যে M.K.S পদ্ধতি সুবিধাজনক
Related Question
View Allআমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিমাপের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কারণ জীবনধারণের জন্য প্রতিনিয়তই আমাদেরকে বিভিন্ন জিনিসের আদান-প্রদান করতে হয়। যেমন- কেনাকাটা, কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয় করা, এমনকি বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও পরিমাপের প্রয়োজন। কারণ পরিমাপ ব্যতীত এ কাজগুলো কোনোভাবেই সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পরিমাপের প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
এবং দৈর্ঘ্য = ১০ মিটার
আমরা জানি,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য প্রস্থ
প্রস্থ= ক্ষেত্রফল/দৈর্ঘ্য
= ৪০ বর্গমিটার/১০ মিটার== ৪ মিটার
অতএব, ফারহানের পড়ার ঘরের প্রস্থ ৪ মিটার।
উদ্দীপক থেকে পাই,
ফারহানের পড়ার ঘরের ক্ষেত্রফল = ৪০ বর্গমিটার
পড়ার টেবিলের দৈর্ঘ্য = ১ মিটার
পড়ার টেবিলের প্রশ্ন = ৫০ সে. মি.
মি. [ ১০০ সে. মি. = ১ মি.]
= ০.৫ মি
পড়ার টেবিলের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য প্রস্থ) বর্গএকক
= (১ ০ ০.৫) বর্গমিটার
= ০.৫ বর্গমিটার
অতএব, একটি টেবিলের ক্ষেত্রফল = ০.৫ বর্গমিটার
ঘরের ফাঁকা জায়গার ক্ষেত্রফল = (৪০ ১) বর্গমিটার
= ৩৯ বর্গমিটার
অতএব, টেবিল দুটি রাখার পর ঘরে ৩৯ বর্গমিটার ফাঁকা জায়গা থাকবে
ক্যান্ডেলা হলো দীপন ক্ষমতা অর্থাৎ আলোক ঔজ্জ্বল্য পরিমাপের একক।
যেসব একক একাধিক মৌলিক এককের সমন্বয়ে গঠিত - তাদেরকে যৌগিক একক বলে। যেমন, আয়তনের একক ঘনমিটার, যা তিনটি মৌলিক দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতার একক মিটার এর গুণফল। -তাই আয়তনের একক একটি যৌগিক একক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
